স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে; তা নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সাবেক উপসহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল লিওন ফ্রেস্কো। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফ্রেস্কো বলেন, মাদুরোকে সোমবার অথবা মঙ্গলবার আদালতে হাজিরা (অ্যারেইনমেন্ট) করানো হবে। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং মাদক পাচারের অভিযোগে মামলা চলবে। আদালতে তাঁকে দোষী বা নির্দোষ; এই দুইয়ের যেকোনো একটিতে স্বীকারোক্তি দিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের স্টুয়ার্ট এয়ারফোর্স বেস থেকে হেলিকপ্টারে করে মাদুরোকে নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলিন এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে একটি আটক কেন্দ্রে তাঁকে রাখা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের ‘র্যাপিড রেসপন্স’ অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, মাদক দমন সংস্থার কর্মকর্তাদের পাহারায় তাঁকে ‘পার্প ওয়াক’ করানো হয়। সাধারণত অপরাধীদের জনসমক্ষে এভাবে হাঁটিয়ে নেওয়ার রীতি রয়েছে, যা ইংরেজিতে পার্প ওয়াক বলে।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই মামলার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আলভিন হেলারস্টেইন। তাঁকে ১৯৯৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন নিয়োগ দেন। ফেডারেল মামলার বিচার তদারকিতে তাঁর অভিজ্ঞতা প্রায় ৩০ বছরের।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফ্রেস্কোর ভাষ্য, ‘এই ধরনের পরিস্থিতিতে অধিকাংশ আসামিই নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। এরপর তিনি জামিন চাইবেন। তবে তিনি একজন আন্তর্জাতিক নেতা হওয়ায় এবং পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকায় জামিন না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।’
তিনি আরও জানান, মাদুরোর সামনে ‘স্পিডি ট্রায়াল’-এর সুযোগ থাকবে। এই ক্ষেত্রে ৭০ দিনের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। তবে তিনি যদি সেই অধিকার ত্যাগ করেন, তাহলে বিচার এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত গড়াতে পারে। এ সময় আদালতের এখতিয়ার (জুরিসডিকশন) নিয়ে একাধিক আইনি বিতর্ক উঠতে পারে।
ফ্রেস্কোর মতে, মাদুরোর মামলার সঙ্গে তিন দশকেরও বেশি আগে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া পানামার সামরিক শাসক ম্যানুয়েল নোরিয়েগার মামলার কিছু মিল রয়েছে। নোরিয়েগাকে যুক্তরাষ্ট্রে কারাবন্দি রাখা হয়েছিল এবং পরে পানামায় পাঠানো হয়। সেখানে তিনি ২০১৭ সালে কারাগারেই মারা যান। নোরিয়েগার আইনজীবীরাও তখন আদালতের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তবে সেসব যুক্তি খারিজ হয়ে যায়।
মাদুরোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের আইনি বিতর্ক উঠতে পারে বলে মনে করছেন ফ্রেস্কো। তবে আদালত নোরিয়েগা মামলার নজির অনুসরণ করবে, নাকি ভিন্ন কোনো অবস্থান নেবে—তা সময়ই বলে দেবে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার যদি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থীও হয়, তবু যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে তাঁর বিচার হতে পারে কি না; এই প্রশ্নে মত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা লিওন ফ্রেস্কো।
ফ্রেস্কো জানান, তিন দশকেরও বেশি আগে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া পানামার সামরিক শাসক ম্যানুয়েল নোরিয়েগা আদালতে যুক্তি দিয়েছিলেন যে তাঁর গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। সে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চালানোর এখতিয়ার নেই। তবে সে সময় আদালত ওই যুক্তি গ্রহণ করেনি।
ফ্রেস্কোর মতে, মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা এই মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের আইনি অবস্থানেরই ইঙ্গিত দেয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যদি কাউকে কোনো দেশের বৈধভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া না হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক আইনের সেসব সুরক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে প্রযোজ্য হয় না।
এই যুক্তির ব্যাখ্যায় রুবিও বলেন, সাবেক ট্রাম্প প্রশাসন, বাইডেন প্রশাসন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ অন্যরা মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার প্রকৃত ও বৈধভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।
ফ্রেস্কো আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কৌঁসুলিরা আদালতে এই যুক্তিগুলোই তুলে ধরবেন। নোরিয়েগা মামলায় এসব যুক্তি সফল হয়েছিল এবং মাদুরোর ক্ষেত্রেও সেগুলো কার্যকর করার চেষ্টা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে; তা নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সাবেক উপসহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল লিওন ফ্রেস্কো। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফ্রেস্কো বলেন, মাদুরোকে সোমবার অথবা মঙ্গলবার আদালতে হাজিরা (অ্যারেইনমেন্ট) করানো হবে। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং মাদক পাচারের অভিযোগে মামলা চলবে। আদালতে তাঁকে দোষী বা নির্দোষ; এই দুইয়ের যেকোনো একটিতে স্বীকারোক্তি দিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের স্টুয়ার্ট এয়ারফোর্স বেস থেকে হেলিকপ্টারে করে মাদুরোকে নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলিন এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে একটি আটক কেন্দ্রে তাঁকে রাখা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের ‘র্যাপিড রেসপন্স’ অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, মাদক দমন সংস্থার কর্মকর্তাদের পাহারায় তাঁকে ‘পার্প ওয়াক’ করানো হয়। সাধারণত অপরাধীদের জনসমক্ষে এভাবে হাঁটিয়ে নেওয়ার রীতি রয়েছে, যা ইংরেজিতে পার্প ওয়াক বলে।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই মামলার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আলভিন হেলারস্টেইন। তাঁকে ১৯৯৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন নিয়োগ দেন। ফেডারেল মামলার বিচার তদারকিতে তাঁর অভিজ্ঞতা প্রায় ৩০ বছরের।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফ্রেস্কোর ভাষ্য, ‘এই ধরনের পরিস্থিতিতে অধিকাংশ আসামিই নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। এরপর তিনি জামিন চাইবেন। তবে তিনি একজন আন্তর্জাতিক নেতা হওয়ায় এবং পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকায় জামিন না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।’
তিনি আরও জানান, মাদুরোর সামনে ‘স্পিডি ট্রায়াল’-এর সুযোগ থাকবে। এই ক্ষেত্রে ৭০ দিনের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। তবে তিনি যদি সেই অধিকার ত্যাগ করেন, তাহলে বিচার এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত গড়াতে পারে। এ সময় আদালতের এখতিয়ার (জুরিসডিকশন) নিয়ে একাধিক আইনি বিতর্ক উঠতে পারে।
ফ্রেস্কোর মতে, মাদুরোর মামলার সঙ্গে তিন দশকেরও বেশি আগে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া পানামার সামরিক শাসক ম্যানুয়েল নোরিয়েগার মামলার কিছু মিল রয়েছে। নোরিয়েগাকে যুক্তরাষ্ট্রে কারাবন্দি রাখা হয়েছিল এবং পরে পানামায় পাঠানো হয়। সেখানে তিনি ২০১৭ সালে কারাগারেই মারা যান। নোরিয়েগার আইনজীবীরাও তখন আদালতের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তবে সেসব যুক্তি খারিজ হয়ে যায়।
মাদুরোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের আইনি বিতর্ক উঠতে পারে বলে মনে করছেন ফ্রেস্কো। তবে আদালত নোরিয়েগা মামলার নজির অনুসরণ করবে, নাকি ভিন্ন কোনো অবস্থান নেবে—তা সময়ই বলে দেবে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার যদি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থীও হয়, তবু যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে তাঁর বিচার হতে পারে কি না; এই প্রশ্নে মত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা লিওন ফ্রেস্কো।
ফ্রেস্কো জানান, তিন দশকেরও বেশি আগে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া পানামার সামরিক শাসক ম্যানুয়েল নোরিয়েগা আদালতে যুক্তি দিয়েছিলেন যে তাঁর গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। সে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চালানোর এখতিয়ার নেই। তবে সে সময় আদালত ওই যুক্তি গ্রহণ করেনি।
ফ্রেস্কোর মতে, মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা এই মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের আইনি অবস্থানেরই ইঙ্গিত দেয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যদি কাউকে কোনো দেশের বৈধভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া না হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক আইনের সেসব সুরক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে প্রযোজ্য হয় না।
এই যুক্তির ব্যাখ্যায় রুবিও বলেন, সাবেক ট্রাম্প প্রশাসন, বাইডেন প্রশাসন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ অন্যরা মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার প্রকৃত ও বৈধভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।
ফ্রেস্কো আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কৌঁসুলিরা আদালতে এই যুক্তিগুলোই তুলে ধরবেন। নোরিয়েগা মামলায় এসব যুক্তি সফল হয়েছিল এবং মাদুরোর ক্ষেত্রেও সেগুলো কার্যকর করার চেষ্টা করা হবে।

গত শুক্রবার গভীর রাতে ভেনেজুয়েলায় বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ভোরের আগে রাজধানী কারাকাস বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। রোববার (৪ জানুয়ারি) নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে ভেনেজুয়েলার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউসের সরকারি র্যাপিড রেসপন্স টিম। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘পার্প ওয়াক করানো হলো।’ সাধারণত অপরাধীদের জনসমক্ষে এভাবে হাঁটিয়ে নেওয়ার রীতি রয়েছে, যা ইংরেজিতে পার্প ওয়াক বলে।
১ দিন আগে
ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি)। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) এ বৈঠক হওয়ার কথা। খবর: আল-জাজিরা
১ দিন আগে