পৌঁছেছেন ইরানি প্রতিনিধিরা, যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী-সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলে ভ্যান্স, উইটকফ, কুশনার
লেবানন ইস্যুতে অচলাবস্থা
স্ট্রিম ডেস্ক

লেবানন ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই রোববার (২১ জুন) সুইজারল্যান্ডে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। প্রায় চার মাসের সংঘাতের পর গত বুধবার দুই দেশের মধ্যে ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই হয়েছে। এরপর এটিই হতে যাচ্ছে দুপক্ষের প্রথম সরাসরি বৈঠক। খবর আলজাজিরা, সিএনএন ও রয়টার্সের।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে। দলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ নিরাপত্তা, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও জ্বালানি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ওয়াশিংটন ছেড়ে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তিনি আগেই সুইজারল্যান্ডে পৌঁছানো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে যোগ দেবেন।
আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনায় অংশ নেবে আরেক মধ্যস্থতাকারী কাতার।
এদিকে সুইজারল্যান্ডের আলোচনায় লেবানন ইস্যুতে একটি জরুরি অধিবেশন যুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে অবহিত এক কূটনীতিক জানিয়েছেন, বৈঠকের শুরুতেই লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের এমওইউতে স্পষ্ট করেই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের কথা বলা হয়েছে। তবে তা উপেক্ষা লেবাননে ইসরায়েলের ক্রমাগত হামলায় এই সমঝোতা ভেস্তে যেতে বসেছিল।
সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে তাই জেডি ভ্যান্স বলেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখার বিষয়ে অগ্রগতি অর্জন আলোচনার অন্যতম অগ্রাধিকার।
লেবানন সংঘাতের অবসান ঘটানো ইরানি প্রতিনিধিদলের আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির এক কর্মকর্তাও।
অন্যদিকে, লেবানন ইস্যুর সঙ্গে হরমুজ প্রণালির যোগসূত্র আলোচনায় নতুন জটিলতা তৈরি করেছে। শনিবার লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে হরমুজ বন্ধের ঘোষণা দেয় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য দাবি করে, শনিবারও ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল নিয়ে ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে। প্রণালিতে বাণিজ্যিক নৌ চলাচল অব্যাহত রাখতে মার্কিন বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানানো হয়।
হরমুজে টোল আদায় নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও নতুন আলাপ তুলেছেন। এতদিন টোলে বিরুদ্ধে বললেও শনিবার তিনি বলেছেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালে কিংবা পরবর্তীতেও হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের ওপর কোনো টোল আরোপ করা হবে না। তবে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
আলোচনার তোড়জোড়ের মধ্যেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহাম্মদ মুখবের অভিযোগ করেছেন, সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে। ওই ধারায় লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে।
তিনি সতর্ক করেন, চুক্তি কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহও বন্ধ থাকবে।
ইরান এটাও জানিয়েছে, তাদের প্রতিনিধিদল এখনই চূড়ান্ত পারমাণবিক আলোচনা শুরু করবে না। তেহরানের দাবি, সমঝোতা বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ নিশ্চিত না হলে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা এগোবে না। বিশেষ করে সমঝোতার আওতায় নেওয়া যুদ্ধবিরতির বিষয়গুলো, হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়ে অগ্রগতি না হলে তারা নতুন কোনো আলোচনায় যেতে আগ্রহী নয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইও বলেছেন, অতীতে চুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা থাকায় এবার তারা প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা চাইবেন।
তবে আলোচনার বিষয়ে আশাবাদী ওয়াশিংটন। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেডি ভ্যান্স বলেন, যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই বলেও দাবি করেন ভ্যান্স।
ভ্যান্স বলেন, সুইজারল্যান্ডে পৌঁছে এক বা দুই দিনের ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা’ হবে বলে আশা করছি। আলোচনায় লেবাননের যুদ্ধবিরতি শক্তিশালী করা এবং ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা রোধের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। তবে ইরানের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচনার লক্ষ্য নয়।
সাবেক মার্কিন কূটনীতিক এবং ওমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত রিচার্ড স্মিয়ারারও মনে করেন, ওয়াশিংটন এখন সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে যেন লেবাননে ইসরায়েলের কোনো পদক্ষেপ নতুন করে হিজবুল্লাহর সামরিক প্রতিক্রিয়া উসকে না দেয়। তাঁর বিশ্বাস, ইসরায়েলও যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছে।
তবে কূটনৈতিক তৎপরতার সত্ত্বেও লেবানন পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্ট এমওইউতে সই করার কয়েক ঘণ্টার পরই ইসরায়েলি হামলায় ২০ জন নিহত হওয়ার কথা জানায় লেবাননের সিভিল ডিফেন্স।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু হামলা বন্ধের নির্দেশ দেন। ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ১২-এর খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেনাবাহিনীকে আপাতত গোলাগুলি বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন, তবে দখল করা এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা সংগ্রহ না করার অঙ্গীকার করলেও, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনার জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল।পর্যবেক্ষকদের মতে, সুইজারল্যান্ডের বৈঠকে লেবানন ও হরমুজ ইস্যুতে অচলাবস্থা কাটানো গেলে পরবর্তী ধাপে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। তবে আপাতত সবকিছুর সাফল্য নির্ভর করছে লেবাননের যুদ্ধবিরতি কতটা কার্যকরভাবে টিকিয়ে রাখা যায় তার ওপর।

লেবানন ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই রোববার (২১ জুন) সুইজারল্যান্ডে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। প্রায় চার মাসের সংঘাতের পর গত বুধবার দুই দেশের মধ্যে ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই হয়েছে। এরপর এটিই হতে যাচ্ছে দুপক্ষের প্রথম সরাসরি বৈঠক। খবর আলজাজিরা, সিএনএন ও রয়টার্সের।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে। দলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ নিরাপত্তা, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও জ্বালানি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ওয়াশিংটন ছেড়ে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তিনি আগেই সুইজারল্যান্ডে পৌঁছানো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে যোগ দেবেন।
আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনায় অংশ নেবে আরেক মধ্যস্থতাকারী কাতার।
এদিকে সুইজারল্যান্ডের আলোচনায় লেবানন ইস্যুতে একটি জরুরি অধিবেশন যুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে অবহিত এক কূটনীতিক জানিয়েছেন, বৈঠকের শুরুতেই লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের এমওইউতে স্পষ্ট করেই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের কথা বলা হয়েছে। তবে তা উপেক্ষা লেবাননে ইসরায়েলের ক্রমাগত হামলায় এই সমঝোতা ভেস্তে যেতে বসেছিল।
সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে তাই জেডি ভ্যান্স বলেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখার বিষয়ে অগ্রগতি অর্জন আলোচনার অন্যতম অগ্রাধিকার।
লেবানন সংঘাতের অবসান ঘটানো ইরানি প্রতিনিধিদলের আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির এক কর্মকর্তাও।
অন্যদিকে, লেবানন ইস্যুর সঙ্গে হরমুজ প্রণালির যোগসূত্র আলোচনায় নতুন জটিলতা তৈরি করেছে। শনিবার লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে হরমুজ বন্ধের ঘোষণা দেয় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য দাবি করে, শনিবারও ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল নিয়ে ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে। প্রণালিতে বাণিজ্যিক নৌ চলাচল অব্যাহত রাখতে মার্কিন বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানানো হয়।
হরমুজে টোল আদায় নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও নতুন আলাপ তুলেছেন। এতদিন টোলে বিরুদ্ধে বললেও শনিবার তিনি বলেছেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালে কিংবা পরবর্তীতেও হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের ওপর কোনো টোল আরোপ করা হবে না। তবে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
আলোচনার তোড়জোড়ের মধ্যেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহাম্মদ মুখবের অভিযোগ করেছেন, সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে। ওই ধারায় লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে।
তিনি সতর্ক করেন, চুক্তি কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহও বন্ধ থাকবে।
ইরান এটাও জানিয়েছে, তাদের প্রতিনিধিদল এখনই চূড়ান্ত পারমাণবিক আলোচনা শুরু করবে না। তেহরানের দাবি, সমঝোতা বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ নিশ্চিত না হলে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা এগোবে না। বিশেষ করে সমঝোতার আওতায় নেওয়া যুদ্ধবিরতির বিষয়গুলো, হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়ে অগ্রগতি না হলে তারা নতুন কোনো আলোচনায় যেতে আগ্রহী নয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইও বলেছেন, অতীতে চুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা থাকায় এবার তারা প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা চাইবেন।
তবে আলোচনার বিষয়ে আশাবাদী ওয়াশিংটন। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেডি ভ্যান্স বলেন, যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই বলেও দাবি করেন ভ্যান্স।
ভ্যান্স বলেন, সুইজারল্যান্ডে পৌঁছে এক বা দুই দিনের ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা’ হবে বলে আশা করছি। আলোচনায় লেবাননের যুদ্ধবিরতি শক্তিশালী করা এবং ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা রোধের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। তবে ইরানের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচনার লক্ষ্য নয়।
সাবেক মার্কিন কূটনীতিক এবং ওমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত রিচার্ড স্মিয়ারারও মনে করেন, ওয়াশিংটন এখন সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে যেন লেবাননে ইসরায়েলের কোনো পদক্ষেপ নতুন করে হিজবুল্লাহর সামরিক প্রতিক্রিয়া উসকে না দেয়। তাঁর বিশ্বাস, ইসরায়েলও যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছে।
তবে কূটনৈতিক তৎপরতার সত্ত্বেও লেবানন পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্ট এমওইউতে সই করার কয়েক ঘণ্টার পরই ইসরায়েলি হামলায় ২০ জন নিহত হওয়ার কথা জানায় লেবাননের সিভিল ডিফেন্স।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু হামলা বন্ধের নির্দেশ দেন। ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ১২-এর খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেনাবাহিনীকে আপাতত গোলাগুলি বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন, তবে দখল করা এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা সংগ্রহ না করার অঙ্গীকার করলেও, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনার জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল।পর্যবেক্ষকদের মতে, সুইজারল্যান্ডের বৈঠকে লেবানন ও হরমুজ ইস্যুতে অচলাবস্থা কাটানো গেলে পরবর্তী ধাপে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। তবে আপাতত সবকিছুর সাফল্য নির্ভর করছে লেবাননের যুদ্ধবিরতি কতটা কার্যকরভাবে টিকিয়ে রাখা যায় তার ওপর।
.png)

রাশিয়ার ভেতরে ইউক্রেনের ক্রমাগত ড্রোন হামলায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে মস্কোতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই সময়ের বিভিন্ন ভিডিওতে রুশ প্রতিরক্ষার বিশৃঙ্খল চিত্র দেখা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরান কোনো টোল আরোপ করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এ ধরনের টোল আরোপ করতে পারে। খবর আলজাজিরার।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীকে (আইডিএফ) দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। খবর দ্য টাইম অব ইসরায়েলের।
১৪ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অন্যান্য জাহাজকে প্রণালি দিয়ে না যেতে সতর্ক করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে