স্ট্রিম প্রতিবেদক

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার পর এবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায়ও জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। এর ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালতে আনিস আলমগীরের পক্ষে জামিন শুনানি করেন আইনজীবী তামান্না ফেরদৌস ও তাসলিমা জাহান পপি। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী তয়্যুবুর রহমান ও আসলাম মিয়া।
জামিন আদেশের পর আইনজীবী তামান্না ফেরদৌস স্ট্রিমকে বলেন, ‘আনিস আলমগীরের মুক্তিতে এখন আর কোনো বাধা নেই। এখন শুধু আইনি প্রক্রিয়া (প্রসিডিংস) শেষ করতে যতটুকু সময় লাগে, তার মুক্তি তত দূর। আশা করছি, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) উনি মুক্তি পাবেন, না হলে রোববার।’
দুদকের দায়ের করা মামলার সমালোচনা করে এই আইনজীবী বলেন, ‘দুদকের এই মামলায় স্বেচ্ছাচারিতা স্পষ্ট। এটা তাদের নিজস্ব বিষয় ছিল না, এনবিআর বা অন্য কোনো সংস্থার ব্যাপার ছিল। মূলত ট্যাক্স নিয়ে এই মামলা করা হয়েছিল। ফ্ল্যাট কেনার রসিদ দেখিয়ে দুদক তার আওতাবহির্ভূত কাজে হস্তক্ষেপ করেছে।’
এর আগে গত ৫ মার্চ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান এই সাংবাদিক।
গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে দুদক। পরে ২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ জানুয়ারি তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় বাবদ ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা যোগ করলে তার মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
অন্যদিকে, আনিস আলমগীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তার ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া যায়, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ। একে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মামলায়।
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’-এর সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার পর এবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায়ও জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। এর ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালতে আনিস আলমগীরের পক্ষে জামিন শুনানি করেন আইনজীবী তামান্না ফেরদৌস ও তাসলিমা জাহান পপি। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী তয়্যুবুর রহমান ও আসলাম মিয়া।
জামিন আদেশের পর আইনজীবী তামান্না ফেরদৌস স্ট্রিমকে বলেন, ‘আনিস আলমগীরের মুক্তিতে এখন আর কোনো বাধা নেই। এখন শুধু আইনি প্রক্রিয়া (প্রসিডিংস) শেষ করতে যতটুকু সময় লাগে, তার মুক্তি তত দূর। আশা করছি, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) উনি মুক্তি পাবেন, না হলে রোববার।’
দুদকের দায়ের করা মামলার সমালোচনা করে এই আইনজীবী বলেন, ‘দুদকের এই মামলায় স্বেচ্ছাচারিতা স্পষ্ট। এটা তাদের নিজস্ব বিষয় ছিল না, এনবিআর বা অন্য কোনো সংস্থার ব্যাপার ছিল। মূলত ট্যাক্স নিয়ে এই মামলা করা হয়েছিল। ফ্ল্যাট কেনার রসিদ দেখিয়ে দুদক তার আওতাবহির্ভূত কাজে হস্তক্ষেপ করেছে।’
এর আগে গত ৫ মার্চ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান এই সাংবাদিক।
গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে দুদক। পরে ২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ জানুয়ারি তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় বাবদ ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা যোগ করলে তার মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
অন্যদিকে, আনিস আলমগীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তার ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া যায়, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ। একে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মামলায়।
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’-এর সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষে একজন নিহত হন। এর জেরে রাতে অন্তত ২০টি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে আরও অন্তত ২০টি বাড়ি।
১৫ মিনিট আগে
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিড়াল হত্যার মামলায় আকবর হোসেন শিবলুকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ টয়লেটের ট্যাংকে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বামী মিজানুর রহমানকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে গ্রামবাসী।
১ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বুধবার (১১ মার্চ) পর্যন্ত ১২ দিনে মোট ৩৯১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে