স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এসময় দুপক্ষের সংঘর্ষে ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শিশুসহ চার পথচারী আহত হয়েছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১০টার দিকে বাকলিয়ার মিয়া খান নগরের ময়দার মিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় চার জনের নামে মামলা হয়েছে। চারজনকেই গ্রেপ্তারের করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
আহতরা হলেন—মো. হাসান, জসিম, ইসমাইল মিয়া ও ফাহিম (১২)। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহতদের শরীরে ছররা গুলির আঘাত এবং ধারালো অস্ত্রের জখমের চিহ্ন রয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোরশেদ খানের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ আব্দুস সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তবে প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হয়ে পথচারী, সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ও একটি ময়দার মিলের কর্মচারী আহত হন।
পুলিশ জানায়, নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মোরশেদ খান ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় ফিরে আসেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন। মোরশেদ খান এলাকায় ফিরে এলে তাঁর প্রতিপক্ষ সোবাহান ও শওকত তাঁকে মারধর করে এলাকাছাড়া করেন। এই ঘটনার জেরে মোরশেদ খানের অনুসারীরা শনিবার প্রতিপক্ষের ওপর হামলা করেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হলেও সাধারণ লোকজন আহত হন।
এ বিষয়ে সিএমপির বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় চার জনের নামে মামলা হয়েছে, তাদের প্রত্যেককেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ তবে তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তারকৃতদের নাম প্রকাশ করতে চাননি পুলিশের এই কর্মকর্তা।
গ্রেপ্তারদের নিয়ে আরও অভিযান পরিচালনা করার কথা জানিয়ে ওসি বলেন, ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও কিছু গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এসময় দুপক্ষের সংঘর্ষে ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শিশুসহ চার পথচারী আহত হয়েছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১০টার দিকে বাকলিয়ার মিয়া খান নগরের ময়দার মিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় চার জনের নামে মামলা হয়েছে। চারজনকেই গ্রেপ্তারের করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
আহতরা হলেন—মো. হাসান, জসিম, ইসমাইল মিয়া ও ফাহিম (১২)। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহতদের শরীরে ছররা গুলির আঘাত এবং ধারালো অস্ত্রের জখমের চিহ্ন রয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোরশেদ খানের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ আব্দুস সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তবে প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হয়ে পথচারী, সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ও একটি ময়দার মিলের কর্মচারী আহত হন।
পুলিশ জানায়, নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মোরশেদ খান ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় ফিরে আসেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন। মোরশেদ খান এলাকায় ফিরে এলে তাঁর প্রতিপক্ষ সোবাহান ও শওকত তাঁকে মারধর করে এলাকাছাড়া করেন। এই ঘটনার জেরে মোরশেদ খানের অনুসারীরা শনিবার প্রতিপক্ষের ওপর হামলা করেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হলেও সাধারণ লোকজন আহত হন।
এ বিষয়ে সিএমপির বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় চার জনের নামে মামলা হয়েছে, তাদের প্রত্যেককেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ তবে তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তারকৃতদের নাম প্রকাশ করতে চাননি পুলিশের এই কর্মকর্তা।
গ্রেপ্তারদের নিয়ে আরও অভিযান পরিচালনা করার কথা জানিয়ে ওসি বলেন, ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও কিছু গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে।

করের বোঝা চাপিয়ে দিলে জনগণ তাৎক্ষণিক বাজেট প্রত্যাখ্যান করবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির।
২ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপনের এক দিন আগেই প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিভিন্ন তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বাজেটের সম্ভাব্য আকার, কর ও শুল্কের হারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রকাশ্যে চলে আসে।
৪ মিনিট আগে
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) কার্যকর হবে ১ জুলাই থেকে। এরপর ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এসব প্রস্তাব রয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
বাজেটের আকার বৃদ্ধির চেয়ে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, খুব বড় বাজেট দিয়ে আবার যদি কোনো কারণে ২০-৩০ শতাংশ লোপাট হয়ে যায়, তাহলে তো কোনো লাভ নেই।
৪০ মিনিট আগে