ডা. সজীব মৈত্র

মাতৃত্ব একজন নারীর জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর একটি। তবে এই সুন্দর যাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অনেক দায়িত্ব, সচেতনতা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এর মধ্যে গর্ভাবস্থার আলট্রাসনোগ্রাম অন্যতম।
অনেকেই ভাবেন, আলট্রাসনোগ্রাম শুধু গর্ভে ছেলে নাকি মেয়ে তা জানার জন্য করা হয়। বাস্তবে সময়মতো করা আলট্রাসনোগ্রাম মা ও গর্ভের শিশুর সুস্থতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। এমনকি অনেক জটিলতাও আগেভাগে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
সাধারণত গর্ভধারণের ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে প্রথম আলট্রাসনোগ্রাম করা হয়। এই সময়ের স্ক্যানে নিশ্চিত হওয়া যায় জরায়ুর ভেতরে সঠিকভাবে অবস্থান করছে কিনা এবং শিশুর হার্টবিট এসেছে কি না।
একইসঙ্গে সঠিক বয়স নির্ণয়, একাধিক বাচ্চা আছে কি না কিংবা এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির মতো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা শনাক্ত করতেও এই স্ক্যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
গর্ভাবস্থার এই সময়টিতে করা হয় এনটি স্ক্যান। এটি একটি বিশেষ ধরনের পরীক্ষা, যার মাধ্যমে শিশুর কিছু জন্মগত ত্রুটি বা ক্রোমোজোমজনিত সমস্যার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়।
অনেক ক্ষেত্রে এই স্ক্যান ভবিষ্যতের চিকিৎসা পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করে।
গর্ভাবস্থার মাঝামাঝি সময়ে করা এই অ্যানোমালি স্ক্যানকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আল্ট্রাসাউন্ডগুলোর একটি বলা হয়। এই স্ক্যানে শিশুর মস্তিষ্ক, মুখমণ্ডল, মেরুদণ্ড, হৃদযন্ত্র, পাকস্থলী, কিডনি, হাত-পাসহ শরীরের প্রায় প্রতিটি অঙ্গ বিস্তারিতভাবে দেখা হয়।
অনেক জন্মগত ত্রুটি এই সময় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তাই চিকিৎসকেরা নির্ধারিত সময়ে এই স্ক্যানটি করানোর বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
গর্ভাবস্থার শেষ দিকে শিশুর বৃদ্ধি ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, শিশুর ওজন, পানির পরিমাণ এবং প্লাসেন্টার রক্ত চলাচল মূল্যায়নের জন্য গ্রোথ স্ক্যান ও ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড করা হয়।
বিশেষ করে মায়ের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া কিংবা শিশুর বৃদ্ধি কম মনে হলে এই স্ক্যানগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
অনেকেই অকারণে আল্ট্রাসাউন্ড নিয়ে ভয় পান। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সময়ে করা আলট্রাসনোগ্রাম মা ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত কার্যকর এবং নিরাপদ একটি পরীক্ষা। মনে রাখতে হবে, এটি হতে পারে একটি সুস্থ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা।
লেখক: আল্ট্রাসনোগ্রাফি স্পেশালিস্ট; কনসালট্যান্ট সনোলজিস্ট, আমিন ডায়াগনস্টিক এন্ড মেডিকেল সার্ভিসেস, কুষ্টিয়া

মাতৃত্ব একজন নারীর জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর একটি। তবে এই সুন্দর যাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অনেক দায়িত্ব, সচেতনতা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এর মধ্যে গর্ভাবস্থার আলট্রাসনোগ্রাম অন্যতম।
অনেকেই ভাবেন, আলট্রাসনোগ্রাম শুধু গর্ভে ছেলে নাকি মেয়ে তা জানার জন্য করা হয়। বাস্তবে সময়মতো করা আলট্রাসনোগ্রাম মা ও গর্ভের শিশুর সুস্থতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। এমনকি অনেক জটিলতাও আগেভাগে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
সাধারণত গর্ভধারণের ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে প্রথম আলট্রাসনোগ্রাম করা হয়। এই সময়ের স্ক্যানে নিশ্চিত হওয়া যায় জরায়ুর ভেতরে সঠিকভাবে অবস্থান করছে কিনা এবং শিশুর হার্টবিট এসেছে কি না।
একইসঙ্গে সঠিক বয়স নির্ণয়, একাধিক বাচ্চা আছে কি না কিংবা এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির মতো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা শনাক্ত করতেও এই স্ক্যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
গর্ভাবস্থার এই সময়টিতে করা হয় এনটি স্ক্যান। এটি একটি বিশেষ ধরনের পরীক্ষা, যার মাধ্যমে শিশুর কিছু জন্মগত ত্রুটি বা ক্রোমোজোমজনিত সমস্যার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়।
অনেক ক্ষেত্রে এই স্ক্যান ভবিষ্যতের চিকিৎসা পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করে।
গর্ভাবস্থার মাঝামাঝি সময়ে করা এই অ্যানোমালি স্ক্যানকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আল্ট্রাসাউন্ডগুলোর একটি বলা হয়। এই স্ক্যানে শিশুর মস্তিষ্ক, মুখমণ্ডল, মেরুদণ্ড, হৃদযন্ত্র, পাকস্থলী, কিডনি, হাত-পাসহ শরীরের প্রায় প্রতিটি অঙ্গ বিস্তারিতভাবে দেখা হয়।
অনেক জন্মগত ত্রুটি এই সময় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তাই চিকিৎসকেরা নির্ধারিত সময়ে এই স্ক্যানটি করানোর বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
গর্ভাবস্থার শেষ দিকে শিশুর বৃদ্ধি ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, শিশুর ওজন, পানির পরিমাণ এবং প্লাসেন্টার রক্ত চলাচল মূল্যায়নের জন্য গ্রোথ স্ক্যান ও ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড করা হয়।
বিশেষ করে মায়ের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া কিংবা শিশুর বৃদ্ধি কম মনে হলে এই স্ক্যানগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
অনেকেই অকারণে আল্ট্রাসাউন্ড নিয়ে ভয় পান। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সময়ে করা আলট্রাসনোগ্রাম মা ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত কার্যকর এবং নিরাপদ একটি পরীক্ষা। মনে রাখতে হবে, এটি হতে পারে একটি সুস্থ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা।
লেখক: আল্ট্রাসনোগ্রাফি স্পেশালিস্ট; কনসালট্যান্ট সনোলজিস্ট, আমিন ডায়াগনস্টিক এন্ড মেডিকেল সার্ভিসেস, কুষ্টিয়া
.png)

কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে, এটা খ্রিষ্টপূর্ব যুগের খেলা। তবে অধিকাংশ ইতিহাসবিদের ধারণা, দাবা এই উপমহাদেশেই আবিষ্কৃত হয়েছিল। আজ থেকে ১ হাজার ৫০০ বছর আগে এই অঞ্চলে ‘চতুরঙ্গ বা শতরঞ্জি’ খেলা হয়েছে, যা দাবা খেলারই অন্য নাম।
১৯ ঘণ্টা আগে
আবার আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুর পরে রয়্যালটির একটা অংশ হুমায়ূনের ভাই-বোনেরাও পেতেন, কিন্তু লেখকের ভাই-বোনেরা সেই অংশ নেন না বলে জানিয়েছেন প্রকাশকেরা।
১৯ জুলাই ২০২৬
আমার চোখে প্রায় পানি এসে যাবার মতো অবস্থা হলো। ইচ্ছে করল টিকিট এবং পাসপোর্ট ছুঁড়ে ফেলে তার হাত ধরে বলি—চলো, বাসায় যাই। অল্প কিছুদিন আমাদের আয়ু। এই অল্পদিনের জন্যে আমাদের মতো আয়োজন—পাস, ডিগ্রি, চাকরি, প্রমোশন, টাকা-পয়সা, বাড়িঘর-কোনো মানে হয়? কোনোই মানে হয় না।’
১৯ জুলাই ২০২৬
নব্বই দশক কিংবা দুই হাজার সালের শুরুর প্রজন্ম মানেই বলা হতো হুমায়ূন আহমেদের পাঠক। তখন হাতে হাতে ছিল না স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ছিল সীমিত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে ছিল না এতো মাতামাতি।
১৯ জুলাই ২০২৬