ঈশ্বরদীতে পাম্পে দাঁড়ানো নিয়ে বিরোধ, পুলিশের উপস্থিতিতেই যুবককে ছুরিকাঘাত

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
পাবনা

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ৫১
ঈশ্বরদীতে পাম্পে দাঁড়ানো নিয়ে বিরোধ যুবককে ছুরিকাঘাত করা হয়। সংগৃহীত ছবি

পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই উজ্জ্বল হোসেন (৩৭) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। পরে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঈশ্বরদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়ীয়া এলাকায় অবস্থিত মেসার্স মুনছুর ফিলিং স্টেশনে ওই ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয় পাম্প কর্তৃপক্ষ। আহত উজ্জ্বল হোসেন সাঁড়া ইউনিয়নের ইলশামারী এলাকার আকমল হোসেনের ছেলে।

পাম্প কর্মচারী ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে মুনছুর ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল বিক্রির খবরে উপচে পড়া ভিড় করেন মোটরসাইকেল চালকরা। তবে শুরু থেকেই সেখানে শৃঙ্খলার দেখে দেয়। ব্যবস্থাপনার অভাবে লাইনে কোনো শৃঙ্খলা ছিল না। চালকদের তেল না দিয়ে পাম্প কর্মচারীরা ড্রাম ও বোতলে তেল সরবরাহ শুরু করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উত্তেজনার একপর্যায়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চালকদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় কয়েকজন অপরিচিত যুবক উজ্জ্বল হোসেনকে মারধর শুরু করেন। দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই তার বাম কাঁধে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

আহত উজ্জ্বল হোসেন অভিযোগ করেন, ‘সকাল থেকেই পাম্পে চরম বিশৃঙ্খলা চলছিল। প্রতিবাদ করায় কয়েকজন অপরিচিত যুবক পুলিশের সামনেই আমাকে ছুরিকাঘাত করে। অথচ পুলিশ তখন নীরব ভূমিকা পালন করছিল।’

ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত ঈশ্বরদী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) খালেদ হাসান বলেন, ‘ভিড় সামলাতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছিল। কয়েকজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা দেখে এগিয়ে গিয়ে দেখি উজ্জ্বল হোসেন আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। তাকে অ্যাম্বুলেন্সে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি।’

পাম্পে বিশৃঙ্খলার সুযোগে ছুরিকাঘাত ও বন্ধের বিষয়ে কথা বলতে ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাঁরা রিসিভ করেননি।

সম্পর্কিত