স্ট্রিম প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার মুখে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর ভেতরে বিভাজনের লক্ষণ ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর পুরো অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধের চাপ এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতাকাঠামোর ভেতরে দীর্ঘদিনের চাপা মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। খবর রয়টার্সের।
৩৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা খামেনি বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে কঠোর নিয়ন্ত্রণে দেশ পরিচালনা করেছিলেন। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ভেঙে পড়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের প্রথম দিনেই তিনি নিহত হন। তাঁর মৃত্যুতে দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীল থাকা ক্ষমতার কাঠামোয় শূন্যতা তৈরি হয়েছে এবং নেতৃত্বের ভেতরের মতভেদও সামনে আসতে শুরু করেছে।
ইরানের নেতারা এই যুদ্ধকে রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন। এই পরিস্থিতিতে দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যুদ্ধকালীন কৌশল নির্ধারণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে শুরু করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আইআরজিসির বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন।
ইরানের নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, চলমান সংঘাতের চাপ এখন দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের মধ্যেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতারা উদ্যোগ নিয়েছেন। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে খামেনির উত্তরসূরি আগের মতো শক্ত কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আইআরজিসি এবং তার বাবার কার্যালয়ের প্রভাবশালী অংশ তাঁর পক্ষে রয়েছে। তবে অনেক জ্যেষ্ঠ আয়াতুল্লাহর তুলনায় তিনি অপেক্ষাকৃত কম অভিজ্ঞ হওয়ায় মধ্যপন্থী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তার নেতৃত্ব নিয়ে সংশয় রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি ইরানের সামরিক প্রতিষ্ঠানের প্রভাব আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো অ্যালেক্স ভাতাঙ্কা বলেছেন, চলমান সংঘাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষমতা বেসামরিক নেতৃত্বের তুলনায় আইআরজিসির হাতেই বেশি কেন্দ্রীভূত হতে পারে।
ইরানের ভেতরের এই মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসে যখন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চান। তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যেসব বেসামরিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন এবং এসব দেশের ওপর হামলা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দেন। আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যেই তিনি এমন বক্তব্য দেন বলে ধারণা করা হয়।
তবে তাঁর এই মন্তব্যে কঠোরপন্থী গোষ্ঠীগুলোর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রক্ষণশীল আলেম ও সংসদ সদস্য হামিদ রাসাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করে বলেন, তার অবস্থান ছিল “অপেশাদার, দুর্বল এবং অগ্রহণযোগ্য।” পরে পেজেশকিয়ান একই বক্তব্য আবার প্রকাশ করলেও সেখানে ক্ষমা চাওয়ার অংশটি বাদ দেন, যা চাপের মুখে আংশিক পিছু হটা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে রক্ষার প্রশ্নে ইরানের নেতৃত্ব মোটামুটি ঐক্যবদ্ধ, তবে কৌশলগত দিক নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। কেউ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর পক্ষে, আবার কঠোরপন্থীরা যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্কিত আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
খামেনির মৃত্যুর পর গঠিত অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব কাঠামোর মধ্যেও এই টানাপোড়েন দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে ক্ষমতা একটি অস্থায়ী পরিষদের হাতে রয়েছে, যেখানে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান আয়াতুল্লাহ গোলামহোসেইন মোহসেনি-এজেই এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন আলেম রয়েছেন।
মোহসেনি-এজেই সতর্ক করে বলেছেন, যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহারের সুযোগ দেবে, তাদের ওপর ভারী হামলা অব্যাহত থাকবে। তার এই বক্তব্য প্রেসিডেন্টের তুলনামূলক নমনীয় অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের হুঁশিয়ারি
এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের উত্তেজনাও বাড়ছে। সৌদি আরব তেহরানকে সতর্ক করে জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ড বা জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে রিয়াদ পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
সূত্রগুলোর মতে, সম্প্রতি এক কথোপকথনে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে এ বার্তা দেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে সৌদি আরব। তবে হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদি ঘাঁটি ব্যবহার করে সামরিক অভিযান চালানোর অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
সৌদি কর্মকর্তারা আরও বলেছেন, এখন পর্যন্ত সৌদি আরব বা অন্য কোনো উপসাগরীয় দেশ তাদের ভূখণ্ড, আকাশসীমা বা জলসীমা যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহার করতে দেয়নি ইরানের ওপর হামলার জন্য।
গত এক সপ্তাহে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এমন কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের দিকে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে—যেমন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন। তবে ইরান দাবি করেছে, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো নয়।
যদিও প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানো না হলে তাদের ওপর আক্রমণ স্থগিত থাকবে, তবু শনিবারও উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন হামলার খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত কমান্ড কাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানিয়েছে, পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থই তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু থাকবে এবং এসব স্থাপনার বিরুদ্ধে ‘শক্তিশালী ও ভারী’ হামলা চালানো হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার মুখে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর ভেতরে বিভাজনের লক্ষণ ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর পুরো অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধের চাপ এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতাকাঠামোর ভেতরে দীর্ঘদিনের চাপা মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। খবর রয়টার্সের।
৩৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা খামেনি বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে কঠোর নিয়ন্ত্রণে দেশ পরিচালনা করেছিলেন। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ভেঙে পড়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের প্রথম দিনেই তিনি নিহত হন। তাঁর মৃত্যুতে দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীল থাকা ক্ষমতার কাঠামোয় শূন্যতা তৈরি হয়েছে এবং নেতৃত্বের ভেতরের মতভেদও সামনে আসতে শুরু করেছে।
ইরানের নেতারা এই যুদ্ধকে রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন। এই পরিস্থিতিতে দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যুদ্ধকালীন কৌশল নির্ধারণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে শুরু করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আইআরজিসির বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন।
ইরানের নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, চলমান সংঘাতের চাপ এখন দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের মধ্যেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতারা উদ্যোগ নিয়েছেন। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে খামেনির উত্তরসূরি আগের মতো শক্ত কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আইআরজিসি এবং তার বাবার কার্যালয়ের প্রভাবশালী অংশ তাঁর পক্ষে রয়েছে। তবে অনেক জ্যেষ্ঠ আয়াতুল্লাহর তুলনায় তিনি অপেক্ষাকৃত কম অভিজ্ঞ হওয়ায় মধ্যপন্থী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তার নেতৃত্ব নিয়ে সংশয় রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি ইরানের সামরিক প্রতিষ্ঠানের প্রভাব আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো অ্যালেক্স ভাতাঙ্কা বলেছেন, চলমান সংঘাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষমতা বেসামরিক নেতৃত্বের তুলনায় আইআরজিসির হাতেই বেশি কেন্দ্রীভূত হতে পারে।
ইরানের ভেতরের এই মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসে যখন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চান। তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যেসব বেসামরিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন এবং এসব দেশের ওপর হামলা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দেন। আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যেই তিনি এমন বক্তব্য দেন বলে ধারণা করা হয়।
তবে তাঁর এই মন্তব্যে কঠোরপন্থী গোষ্ঠীগুলোর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রক্ষণশীল আলেম ও সংসদ সদস্য হামিদ রাসাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করে বলেন, তার অবস্থান ছিল “অপেশাদার, দুর্বল এবং অগ্রহণযোগ্য।” পরে পেজেশকিয়ান একই বক্তব্য আবার প্রকাশ করলেও সেখানে ক্ষমা চাওয়ার অংশটি বাদ দেন, যা চাপের মুখে আংশিক পিছু হটা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে রক্ষার প্রশ্নে ইরানের নেতৃত্ব মোটামুটি ঐক্যবদ্ধ, তবে কৌশলগত দিক নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। কেউ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর পক্ষে, আবার কঠোরপন্থীরা যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্কিত আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
খামেনির মৃত্যুর পর গঠিত অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব কাঠামোর মধ্যেও এই টানাপোড়েন দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে ক্ষমতা একটি অস্থায়ী পরিষদের হাতে রয়েছে, যেখানে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান আয়াতুল্লাহ গোলামহোসেইন মোহসেনি-এজেই এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন আলেম রয়েছেন।
মোহসেনি-এজেই সতর্ক করে বলেছেন, যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহারের সুযোগ দেবে, তাদের ওপর ভারী হামলা অব্যাহত থাকবে। তার এই বক্তব্য প্রেসিডেন্টের তুলনামূলক নমনীয় অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের হুঁশিয়ারি
এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের উত্তেজনাও বাড়ছে। সৌদি আরব তেহরানকে সতর্ক করে জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ড বা জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে রিয়াদ পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
সূত্রগুলোর মতে, সম্প্রতি এক কথোপকথনে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে এ বার্তা দেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে সৌদি আরব। তবে হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদি ঘাঁটি ব্যবহার করে সামরিক অভিযান চালানোর অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
সৌদি কর্মকর্তারা আরও বলেছেন, এখন পর্যন্ত সৌদি আরব বা অন্য কোনো উপসাগরীয় দেশ তাদের ভূখণ্ড, আকাশসীমা বা জলসীমা যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহার করতে দেয়নি ইরানের ওপর হামলার জন্য।
গত এক সপ্তাহে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এমন কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের দিকে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে—যেমন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন। তবে ইরান দাবি করেছে, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো নয়।
যদিও প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানো না হলে তাদের ওপর আক্রমণ স্থগিত থাকবে, তবু শনিবারও উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন হামলার খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত কমান্ড কাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানিয়েছে, পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থই তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু থাকবে এবং এসব স্থাপনার বিরুদ্ধে ‘শক্তিশালী ও ভারী’ হামলা চালানো হতে পারে।

গুম, খুন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তার বিচার প্রচলিত ‘সেনা আইনে’ করার দাবি জানিয়েছে আসামিপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইন সংশোধন করে তাদের বিচার শুরু করাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ বলেও আখ্যা দিয়েছে
১ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। নিহতদের মধ্যে বর ও কনের পরিবারের নারী-শিশুসহ ১২ সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে মোংলা-খুলনা মহাসড়কে রামপালের বেলাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাঁচটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) গঠিত কমিটিগুলো হলো- সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি, সংসদ কমিটি, বিশেষ কমিটি, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে বৈঠক করে ছাত্র-জনতাকে ‘শেষ করে দেওয়ার’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য এসেছে।
৪ ঘণ্টা আগে