স্ট্রিম সংবাদদাতা

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করলেন, ‘আপনাদের এলাকার উন্নয়ন হচ্ছে কিনা, তার দায়িত্ব এদের (চট্টগ্রামের বিএনপির প্রার্থীরা) ওপর। নির্বাচিত হলে অভিযোগ-দাবি সরাসরি বলবেন।’ আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত দলীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ ঘোষণা দেন।
মাঠের জনতার মধ্যে তখন চোখেমুখে নতুন এক উত্তেজনা দেখা গেল। অনেকেই বলছেন, প্রথমবারের মতো প্রার্থীদের সামনে ‘জবাবদিহির প্রতিশ্রুতি’ পরিষ্কারভাবে শুনলেন তারা। এই প্রার্থীরা যদি বিজয়ী হওয়ার পর সত্যি জবাবদিহি করে, তাহলে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে যাবে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।
মাঠজুড়ে হাজারো নেতাকর্মীর স্লোগান আর ধানের শীষের পতাকার ভিড়ে এক আশাবাদী অপেক্ষা। কেউ বলছেন অভিযোগ জানানোর সুযোগ, কেউ বলছেন উন্নয়ন-বঞ্চনার ক্ষোভ, আবার কেউ মনে করছেন—এটা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ‘নরম আশ্বাস’ মাত্র।
মাঠের পূর্ব পাশে দাঁড়িয়ে থাকা চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা মো. ওসমান বলেন, ‘আমরা রাস্তাঘাট, ড্রেন ও পানির কষ্ট নিয়ে বছরের পর বছর ভুগছি। তারেক সাহেব বলেছেন, অভিযোগ সরাসরি বলবেন।’ যদি তারেক রহমানের এই বক্তব্য বাস্তবায়ন হয়, তাহলে প্রথমবার তাঁদের কথা কেউ শুনবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আর আবু সুফিয়ানদের মতো মানুষ সামনে থাকলে অন্তত চাপ দেওয়া যাবে।’
পলোগ্রাউন্ডের দক্ষিণ গেটের কাছে কথা হয় খুলশী এলাকার রেজাউল করিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমাদের এলাকায় সবচেয়ে বড় সমস্যা মাদক আর চাঁদাবাজি। ভোটের আগে সব পক্ষই প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্বাচনের পর কাউকে পাওয়া যায় না। এবার যদি সত্যি জবাবদিহি থাকে, তাহলে প্রথমেই এগুলো বলব।’
রেজাউল করিমের মতে, স্থানীয় পর্যায়ের ‘অপরাধ–রাজনীতি’ নিয়ন্ত্রণ করতেই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।
হাফসা বেগম নামে এক নারী বললেন, ‘বাড়িতে সংসার চালাতে কষ্ট হয়। বাজারে গেলে দাম শুনলেই ভয় লাগে। তারেক সাহেব বলেছেন, অভিযোগ বলবেন। আমি বলতে চাই, আমাদের চিকিৎসা ও বাজার–দামের কষ্টটা একটু দেখুক।’
জনতার ভিড়ের মাঝ থেকে চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র আরমান বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো চাকরির অভাব। শুধু স্লোগানে নয়, চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীদের মুখোমুখি বসে এসব বলতে চাই।’ তরুণদের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে আলাদা প্রতিশ্রুতি দিতে হবে বলেও জানান তিনি।
মঞ্চের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া মধ্যবয়সী ভোটার হুমায়ুন কবীর বললেন, ‘বলেন তো অনেকেই। অভিযোগ নিতেও বলবে। কিন্তু কাজ কি হবে? আমরা তো বহুবার দেখেছি নির্বাচনের পরে প্রার্থীর কাছে যাওয়া যায় না।’ তিনি মনে করেন, সরাসরি অভিযোগ নেওয়া বাস্তবায়ন করতে হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
উত্তর কাট্টলী থেকে আসা শাহানা বেগম বলেন, অনেক সময় প্রার্থীদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হয়। তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন দাবি-অভিযোগ সরাসরি বলবেন। তাহলে অন্তত স্থানীয় নেতারা প্রার্থীদের সামনে জবাবদিহির সুযোগ পাবেন।’
বক্তব্যের শেষে ধানের শীষ প্রতীক উঁচিয়ে তারেক রহমান যখন প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করছিলেন তখনই মাঠের ভিড়ে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। চট্টগ্রামের প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন, চট্টগ্রাম- ১১: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম- ৯: আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম- ৫: মীর হেলাল, চট্টগ্রাম- ৮: এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম- ৬: গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম- ১০: সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম- ৪: আসলাম চৌধুরী, এবং চট্টগ্রাম- ৭ আসনের হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এছাড়া কক্সবাজার- ১-এর সালাহউদ্দিন আহমেদসহ আরও কয়েকজন।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করলেন, ‘আপনাদের এলাকার উন্নয়ন হচ্ছে কিনা, তার দায়িত্ব এদের (চট্টগ্রামের বিএনপির প্রার্থীরা) ওপর। নির্বাচিত হলে অভিযোগ-দাবি সরাসরি বলবেন।’ আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত দলীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ ঘোষণা দেন।
মাঠের জনতার মধ্যে তখন চোখেমুখে নতুন এক উত্তেজনা দেখা গেল। অনেকেই বলছেন, প্রথমবারের মতো প্রার্থীদের সামনে ‘জবাবদিহির প্রতিশ্রুতি’ পরিষ্কারভাবে শুনলেন তারা। এই প্রার্থীরা যদি বিজয়ী হওয়ার পর সত্যি জবাবদিহি করে, তাহলে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে যাবে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।
মাঠজুড়ে হাজারো নেতাকর্মীর স্লোগান আর ধানের শীষের পতাকার ভিড়ে এক আশাবাদী অপেক্ষা। কেউ বলছেন অভিযোগ জানানোর সুযোগ, কেউ বলছেন উন্নয়ন-বঞ্চনার ক্ষোভ, আবার কেউ মনে করছেন—এটা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ‘নরম আশ্বাস’ মাত্র।
মাঠের পূর্ব পাশে দাঁড়িয়ে থাকা চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা মো. ওসমান বলেন, ‘আমরা রাস্তাঘাট, ড্রেন ও পানির কষ্ট নিয়ে বছরের পর বছর ভুগছি। তারেক সাহেব বলেছেন, অভিযোগ সরাসরি বলবেন।’ যদি তারেক রহমানের এই বক্তব্য বাস্তবায়ন হয়, তাহলে প্রথমবার তাঁদের কথা কেউ শুনবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আর আবু সুফিয়ানদের মতো মানুষ সামনে থাকলে অন্তত চাপ দেওয়া যাবে।’
পলোগ্রাউন্ডের দক্ষিণ গেটের কাছে কথা হয় খুলশী এলাকার রেজাউল করিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমাদের এলাকায় সবচেয়ে বড় সমস্যা মাদক আর চাঁদাবাজি। ভোটের আগে সব পক্ষই প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্বাচনের পর কাউকে পাওয়া যায় না। এবার যদি সত্যি জবাবদিহি থাকে, তাহলে প্রথমেই এগুলো বলব।’
রেজাউল করিমের মতে, স্থানীয় পর্যায়ের ‘অপরাধ–রাজনীতি’ নিয়ন্ত্রণ করতেই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।
হাফসা বেগম নামে এক নারী বললেন, ‘বাড়িতে সংসার চালাতে কষ্ট হয়। বাজারে গেলে দাম শুনলেই ভয় লাগে। তারেক সাহেব বলেছেন, অভিযোগ বলবেন। আমি বলতে চাই, আমাদের চিকিৎসা ও বাজার–দামের কষ্টটা একটু দেখুক।’
জনতার ভিড়ের মাঝ থেকে চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র আরমান বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো চাকরির অভাব। শুধু স্লোগানে নয়, চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীদের মুখোমুখি বসে এসব বলতে চাই।’ তরুণদের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে আলাদা প্রতিশ্রুতি দিতে হবে বলেও জানান তিনি।
মঞ্চের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া মধ্যবয়সী ভোটার হুমায়ুন কবীর বললেন, ‘বলেন তো অনেকেই। অভিযোগ নিতেও বলবে। কিন্তু কাজ কি হবে? আমরা তো বহুবার দেখেছি নির্বাচনের পরে প্রার্থীর কাছে যাওয়া যায় না।’ তিনি মনে করেন, সরাসরি অভিযোগ নেওয়া বাস্তবায়ন করতে হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
উত্তর কাট্টলী থেকে আসা শাহানা বেগম বলেন, অনেক সময় প্রার্থীদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হয়। তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন দাবি-অভিযোগ সরাসরি বলবেন। তাহলে অন্তত স্থানীয় নেতারা প্রার্থীদের সামনে জবাবদিহির সুযোগ পাবেন।’
বক্তব্যের শেষে ধানের শীষ প্রতীক উঁচিয়ে তারেক রহমান যখন প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করছিলেন তখনই মাঠের ভিড়ে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। চট্টগ্রামের প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন, চট্টগ্রাম- ১১: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম- ৯: আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম- ৫: মীর হেলাল, চট্টগ্রাম- ৮: এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম- ৬: গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম- ১০: সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম- ৪: আসলাম চৌধুরী, এবং চট্টগ্রাম- ৭ আসনের হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এছাড়া কক্সবাজার- ১-এর সালাহউদ্দিন আহমেদসহ আরও কয়েকজন।

দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালট বিতরণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনি হেফাজতে থাকা নিবন্ধিত ভোটার– এই তিন শ্রেণির মানুষের হাতে সোমবার থেকে পোস্টাল ব্যালট দেওয়া হচ্ছে।
১০ মিনিট আগে
গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায় প্রায় ৩০ জন কিশোর-তরুণ সারিতে দাঁড়িয়ে কান ধরে উঠবস করছেন। তাঁদের সামনে একটি লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন সর্বমিত্র চাকমা।
১ ঘণ্টা আগে
ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (ইডিসি) প্রকল্পের আওতায় দেশের ১০০টি উপজেলায় ‘উপজেলা সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সিরাজগঞ্জে হাটে হাত ধোয়ার জন্য তৈরি ইটের বেসিন ভেঙে চাপা পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও দুই শিশু। গতকাল রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের শালুয়াভিটা হাটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের রাত ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জ পৌর রহমতগঞ্জ কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে