স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচনে কারচুপি বা জালিয়াতি ঠেকাতে অভিজ্ঞ সাবেক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কার্যকর পরামর্শ চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও ইসির সাবেক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত সংলাপে সূচনা বক্তব্যে তিনি এ পরামর্শ চান।
ইসি সূত্রে জানা যায়, ৩০ জনের মতো নির্বাচন বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও মাত্র ১০ জন এই সংলাপে অংশ নিয়েছেন।
সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আপনারা নির্বাচনের রিয়েল এক্সপার্ট, হাতে কলমে কাজ করেছেন। আজ আমরা গর্বিত, আপনাদের পাশে পেয়েছি। সংস্কার কমিশনের অনেক সুপারিশ বাস্তবায়ন করেছি, আমাদের অনেক দায়িত্ব স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা সেরে আমাদের হালকা করে দিয়েছে।’
সিইসি বলেন, ‘উপস্থিতি কম বলবে অনেকে। এটা কনসাসলি করা হয়েছে। শিক্ষাবিদ, সুশীল সমাজের সঙ্গে আলোচনা করে ফেলেছি। তাদের বক্তব্য শুনেছি। আজ মাঠে ময়দানে ইলেকশন নিয়ে প্র্যাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা শুনব। কীভাবে সুন্দর নির্বাচন উপহার দেব তা নয়, কীভাবে জালিয়াতি করা যায় সে অভিজ্ঞতাও আছে। কোথায় ম্যানুপলেট হয়, কীভাবে তা বন্ধ করা যায় সেটা জানাবেন।’
এবিউজ অব এআই, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘শুধু কীভাবে আমরা একটি সুন্দর ও ক্রেডিবল নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে পারি, তা নয়—কীভাবে জালিয়াতি করা হয়, সেটাও আপনাদের জানা আছে। কারণ, আপনারা দীর্ঘদিন ইসিতে চাকরি করেছেন। তাই কোথায় কোথায় গ্যাপ থাকে, যেগুলো কাজে লাগিয়ে নির্বাচন ম্যানিপুলেট করা যায়, সেই জায়গাগুলো বন্ধ করার উপায়ও আপনারা আমাদের জানাবেন।’
তিনি বলেন, ‘যেখান দিয়ে নির্বাচনে কারচুপি হয়, সেটাও আমাদের জানাবেন, যেন আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। কীভাবে কীভাবে জালিয়াতি করা যায় সে অভিজ্ঞতা আপনাদের আছে; এখন সেটা ঠেকানোর জন্য আপনারা পরামর্শ দিন।’
নতুন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘আমরা অনেক নতুন ইনিশিয়েটিভ নিয়েছি। ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভোট দেওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নারী-পুরুষ ভোটারের পার্থক্য ৩০ লাখ থেকে কমিয়ে এনেছি। আমরা পোস্টাল ব্যালটের একটি হাইব্রিড মডেল তৈরি করেছি, যাতে প্রবাসী, সরকারি চাকরিজীবী ও কয়েদিরা ভোট দিতে পারেন।’
সংলাপটি পরিচালনা করেন ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ। এতে চার নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া নির্বাচন বিশেষজ্ঞের মধ্যে আছেন—ইসির সাবেক কর্মকর্তা মো. জাকরিয়া, পযবেক্ষক সংস্থা ফেমার প্রেসিডেন্ট মনিরা খান, ইসির সাবেক কর্মকর্তা খন্দকার মিজানুর রহমান, মো. নুরুজ্জামান তালুকদার, মিহির সারওয়ার মোর্শেদ, শাহ আলম, মীর মোহাম্মদ শাহজাহান, মিছবাহ উদ্দিন আহমদ, মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী ও মাহফুজা আক্তার।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ‘সংলাপ পর্ব’ শুরু করে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৬ অক্টোবর) গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুই পর্বে এ আলোচনা চলে। আজ সকালে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও দুপুরে নারী নেত্রীদের সঙ্গে এ মতবিনিময় হচ্ছে।

নির্বাচনে কারচুপি বা জালিয়াতি ঠেকাতে অভিজ্ঞ সাবেক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কার্যকর পরামর্শ চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও ইসির সাবেক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত সংলাপে সূচনা বক্তব্যে তিনি এ পরামর্শ চান।
ইসি সূত্রে জানা যায়, ৩০ জনের মতো নির্বাচন বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও মাত্র ১০ জন এই সংলাপে অংশ নিয়েছেন।
সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আপনারা নির্বাচনের রিয়েল এক্সপার্ট, হাতে কলমে কাজ করেছেন। আজ আমরা গর্বিত, আপনাদের পাশে পেয়েছি। সংস্কার কমিশনের অনেক সুপারিশ বাস্তবায়ন করেছি, আমাদের অনেক দায়িত্ব স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা সেরে আমাদের হালকা করে দিয়েছে।’
সিইসি বলেন, ‘উপস্থিতি কম বলবে অনেকে। এটা কনসাসলি করা হয়েছে। শিক্ষাবিদ, সুশীল সমাজের সঙ্গে আলোচনা করে ফেলেছি। তাদের বক্তব্য শুনেছি। আজ মাঠে ময়দানে ইলেকশন নিয়ে প্র্যাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা শুনব। কীভাবে সুন্দর নির্বাচন উপহার দেব তা নয়, কীভাবে জালিয়াতি করা যায় সে অভিজ্ঞতাও আছে। কোথায় ম্যানুপলেট হয়, কীভাবে তা বন্ধ করা যায় সেটা জানাবেন।’
এবিউজ অব এআই, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘শুধু কীভাবে আমরা একটি সুন্দর ও ক্রেডিবল নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে পারি, তা নয়—কীভাবে জালিয়াতি করা হয়, সেটাও আপনাদের জানা আছে। কারণ, আপনারা দীর্ঘদিন ইসিতে চাকরি করেছেন। তাই কোথায় কোথায় গ্যাপ থাকে, যেগুলো কাজে লাগিয়ে নির্বাচন ম্যানিপুলেট করা যায়, সেই জায়গাগুলো বন্ধ করার উপায়ও আপনারা আমাদের জানাবেন।’
তিনি বলেন, ‘যেখান দিয়ে নির্বাচনে কারচুপি হয়, সেটাও আমাদের জানাবেন, যেন আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। কীভাবে কীভাবে জালিয়াতি করা যায় সে অভিজ্ঞতা আপনাদের আছে; এখন সেটা ঠেকানোর জন্য আপনারা পরামর্শ দিন।’
নতুন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘আমরা অনেক নতুন ইনিশিয়েটিভ নিয়েছি। ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভোট দেওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নারী-পুরুষ ভোটারের পার্থক্য ৩০ লাখ থেকে কমিয়ে এনেছি। আমরা পোস্টাল ব্যালটের একটি হাইব্রিড মডেল তৈরি করেছি, যাতে প্রবাসী, সরকারি চাকরিজীবী ও কয়েদিরা ভোট দিতে পারেন।’
সংলাপটি পরিচালনা করেন ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ। এতে চার নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া নির্বাচন বিশেষজ্ঞের মধ্যে আছেন—ইসির সাবেক কর্মকর্তা মো. জাকরিয়া, পযবেক্ষক সংস্থা ফেমার প্রেসিডেন্ট মনিরা খান, ইসির সাবেক কর্মকর্তা খন্দকার মিজানুর রহমান, মো. নুরুজ্জামান তালুকদার, মিহির সারওয়ার মোর্শেদ, শাহ আলম, মীর মোহাম্মদ শাহজাহান, মিছবাহ উদ্দিন আহমদ, মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী ও মাহফুজা আক্তার।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ‘সংলাপ পর্ব’ শুরু করে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৬ অক্টোবর) গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুই পর্বে এ আলোচনা চলে। আজ সকালে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও দুপুরে নারী নেত্রীদের সঙ্গে এ মতবিনিময় হচ্ছে।

কেউ যেন তিন থেকে চারবারের বেশি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে না পারেন এমন নিয়ম চালুর প্রস্তাব করেছেন মো. নওশাদ জমির। পঞ্চগড়-১ আসনের এ সদস্য সোমবার সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ প্রথা বলেন।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপির সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল করিমের ‘জুলাই সনদ’কে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্যের জেরে সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও হইচই হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ আলোচনার সময় এই মন্তব্য করেন বিএনপির এই এমপি।
৮ ঘণ্টা আগে
বাজারে অবৈধ সিগারেটের পাওয়ায় বছরে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে এবং রাজস্ব ফাঁকি রোধে সরকার ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ প্রযুক্তি ও কিউআর কোড চালু করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পুনর্গঠন ও রাষ্ট্র সংস্কারে রাজনৈতিক ঐকমত্যের আহ্বান জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে