স্ট্রিম ডেস্ক

বৃষ্টি এলেই মন পড়ে থাকে ঘরের কোণে। কোনো কাজে মন বসানোই যেন কঠিন হয়ে পড়ে। পড়াশোনার ব্যস্ততা বা অফিসের কাজের চাপ না থাকলে দিনটা বৃষ্টির জন্য উৎসর্গ করাই যায়। বৃষ্টির রিমঝিম শব্দের সঙ্গে বাজুক প্রিয় বৃষ্টির গান- ‘আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে’ কিংবা ‘এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন’।
বৃষ্টিবিলাসের জন্য দুপুরের মেন্যুতে রান্না করলেন ইলিশ-খিচুড়ি। কিন্তু এরপর, সারাদিন কাটাবেন কীভাবে? প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে সন্ধ্যায় কিংবা রাতে দেখতে পারেন কোনো রোমান্টিক সিনেমা। পুরোনো প্রেমের সিনেমা দেখে স্মৃতিচারণও করতে পারেন।
বৃষ্টির দিনকে আরো বেশি উপভোগ্য করতে কফির মগ বা চায়ের কাপ হাতে দেখতে পারেন এই সিনেমাগুলো--
'দ্য নোটবুক (২০০৪)' সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০০৪ সালে । এই ছবির নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাইয়ান গসলিং এবং নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন রাসেল ম্যাকএডামস ।
ছবির কাহিনী ১৯৪০ সালের দুজন তরুণ-তরুণীর ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর নায়ক নোয়াহ আর নায়িকা অ্যালির আবার দেখা হয়। দুজনে নৌকায় ঘুরতে বের হলে হঠাৎ শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। অ্যালির মনে তখন অনেক অভিমান। সে ভিজে ভিজে চিৎকার করে জানতে চায়, নোয়াহ কেন তাকে এতদিন কোনো চিঠি লেখেনি! এরপর অঝোর বৃষ্টির মাঝেই দুজনের ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। পুরো কাহিনী জানতে হলে দেখতে হবে সিনেমাটি।
একটু 'স্লো' সিনেমা পছন্দ করলে পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের এই সিনেমাটি দেখতে পারেন। মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অজয় দেবগন ও ঐশ্বরিয়া রাই। বেকার মনোজ তুমুল বৃষ্টির মধ্যে পুরোনো প্রেমিকা নীরজার বাড়িতে যায়।
দু'জনের কথোপকথনের মাধ্যমে না পাওয়া ভালোবাসার আক্ষেপ আর জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই সিনেমায়। শুভা মুদগালের গাওয়া ‘পিয়া তোরা ক্যায়সা অভিমান’ গানটি বৃষ্টির এই বিষণ্ণতা দর্শকের মনকে আরও গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া 'হঠাৎ বৃষ্টি' বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত জনপ্রিয় রোমান্টিক সিনেমা। খ্যাতিমান পরিচালক বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন ফেরদৌস আহমেদ, প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী, রাইসুল ইসলাম আসাদ প্রমুখ। সিনেমার গল্পটি সেই সময়ের হিসেবে বেশ আলাদা।
একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সূত্র ধরে পূর্বপরিচয়হীন অজিত আর দীপার মধ্যে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু হয়। একে অপরকে না দেখেই চিঠির ভাষায় তারা একে অন্যের প্রেমে পড়ে যায়। আর এই প্রেম কীভাবে পূর্ণতার পথে যাবে, তা নিয়েই সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে।
সঙ্গে শ্রুতিমধুর গান তো আছেই। কখনো মরুর বুকে চিত্রনায়ক ফেরদৌস গাইছেন, ‘সোনালি প্রান্তরে, ভ্রমরার গুঞ্জরে’, কখনো চিত্রনায়িকা প্রিয়াংকা নায়কের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন, ‘একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনা বর্ণবহীন’ গান গেয়ে।
‘বাদলা দিনে মনে পড়ে ছেলেবেলার গান’ হাবীব ওয়াহিদের গাওয়া এই গানটি ফেসবুক রিলস বা ভিডিও ক্লিপে দেখেনি এমন মানুষ কমই আছে।
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, ফেরদৌস, বিদ্যা সিনহা মিম ও মেহের আফরোজ শাওনসহ আরও অনেকে। সিনেমার গল্পে দেখা যায়, একটি পরিবার বেড়াতে যায় জঙ্গলের এক নির্জন রেস্টহাউজে। সেখানে শুরু হয় সম্পর্কের নানা টানাপোড়েন আর কিশোরী মনের অজানা সত্যের অনুসন্ধান । প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসেব মেলাতে মেলাতেই দেখবেন সিনেমা শেষ। বৃষ্টি এখানে আসে মন খারাপের বার্তা নিয়ে। বিষণ্ণতা আর না-পাওয়ার বেদনা ফুটে ওঠে বৃষ্টির ধারায়।

পরিচালক মোহিত সুরির তুমুল জনপ্রিয় এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন আদিত্য রায় কাপুর ও শ্রদ্ধা কাপুর। রাহুল আর আরোহীর জটিল প্রেমের গল্প। তুমুল বৃষ্টির মাঝে নিজের জ্যাকেট দিয়ে আরোহীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে রাহুল। জ্যাকেটের নিচে দুজনের সেই আইকনিক মুহূর্তটি বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় রোমান্টিক দৃশ্য।
সঙ্গে অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠে ‘তুম হি হো’ গান। বৃষ্টি দিনের ‘মন খারাপ করা’ অনুভূতির জন্য দারুণ মানানসই সিনেমা এটি। কারণ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভাষায়, ‘বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না, দূরেও ঠেলিয়া দেয়’।
জেন অস্টেনের বিখ্যাত উপন্যাসের দারুণ চিত্রায়ণ এই সিনেমা। জো রাইট পরিচালিত এই সিনেমায় আছেন কিয়ারা নাইটলি ও ম্যাথিউ ম্যাকফ্যাডিয়েন। মিস্টার ডার্সি আর এলিজাবেথের মান-অভিমানের মিষ্টি গল্প এটি।
সিনেমার সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যটি তুমুল বৃষ্টির মধ্যে। বৃষ্টিতে ভিজে এলিজাবেথকে প্রথমবার প্রেমের প্রস্তাব দেয় ডার্সি। দুজনের সেই অভিমানে ভরা তর্ক আর চাপা উত্তেজনা পর্দায় দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। দু’জনের যতই মান-অভিমান চলুক না কেন, সিনেমার শেষে ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠবে ঠিকই।

বৃষ্টি এলেই মন পড়ে থাকে ঘরের কোণে। কোনো কাজে মন বসানোই যেন কঠিন হয়ে পড়ে। পড়াশোনার ব্যস্ততা বা অফিসের কাজের চাপ না থাকলে দিনটা বৃষ্টির জন্য উৎসর্গ করাই যায়। বৃষ্টির রিমঝিম শব্দের সঙ্গে বাজুক প্রিয় বৃষ্টির গান- ‘আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে’ কিংবা ‘এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন’।
বৃষ্টিবিলাসের জন্য দুপুরের মেন্যুতে রান্না করলেন ইলিশ-খিচুড়ি। কিন্তু এরপর, সারাদিন কাটাবেন কীভাবে? প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে সন্ধ্যায় কিংবা রাতে দেখতে পারেন কোনো রোমান্টিক সিনেমা। পুরোনো প্রেমের সিনেমা দেখে স্মৃতিচারণও করতে পারেন।
বৃষ্টির দিনকে আরো বেশি উপভোগ্য করতে কফির মগ বা চায়ের কাপ হাতে দেখতে পারেন এই সিনেমাগুলো--
'দ্য নোটবুক (২০০৪)' সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০০৪ সালে । এই ছবির নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাইয়ান গসলিং এবং নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন রাসেল ম্যাকএডামস ।
ছবির কাহিনী ১৯৪০ সালের দুজন তরুণ-তরুণীর ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর নায়ক নোয়াহ আর নায়িকা অ্যালির আবার দেখা হয়। দুজনে নৌকায় ঘুরতে বের হলে হঠাৎ শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। অ্যালির মনে তখন অনেক অভিমান। সে ভিজে ভিজে চিৎকার করে জানতে চায়, নোয়াহ কেন তাকে এতদিন কোনো চিঠি লেখেনি! এরপর অঝোর বৃষ্টির মাঝেই দুজনের ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। পুরো কাহিনী জানতে হলে দেখতে হবে সিনেমাটি।
একটু 'স্লো' সিনেমা পছন্দ করলে পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের এই সিনেমাটি দেখতে পারেন। মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অজয় দেবগন ও ঐশ্বরিয়া রাই। বেকার মনোজ তুমুল বৃষ্টির মধ্যে পুরোনো প্রেমিকা নীরজার বাড়িতে যায়।
দু'জনের কথোপকথনের মাধ্যমে না পাওয়া ভালোবাসার আক্ষেপ আর জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই সিনেমায়। শুভা মুদগালের গাওয়া ‘পিয়া তোরা ক্যায়সা অভিমান’ গানটি বৃষ্টির এই বিষণ্ণতা দর্শকের মনকে আরও গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া 'হঠাৎ বৃষ্টি' বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত জনপ্রিয় রোমান্টিক সিনেমা। খ্যাতিমান পরিচালক বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন ফেরদৌস আহমেদ, প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী, রাইসুল ইসলাম আসাদ প্রমুখ। সিনেমার গল্পটি সেই সময়ের হিসেবে বেশ আলাদা।
একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সূত্র ধরে পূর্বপরিচয়হীন অজিত আর দীপার মধ্যে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু হয়। একে অপরকে না দেখেই চিঠির ভাষায় তারা একে অন্যের প্রেমে পড়ে যায়। আর এই প্রেম কীভাবে পূর্ণতার পথে যাবে, তা নিয়েই সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে।
সঙ্গে শ্রুতিমধুর গান তো আছেই। কখনো মরুর বুকে চিত্রনায়ক ফেরদৌস গাইছেন, ‘সোনালি প্রান্তরে, ভ্রমরার গুঞ্জরে’, কখনো চিত্রনায়িকা প্রিয়াংকা নায়কের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন, ‘একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনা বর্ণবহীন’ গান গেয়ে।
‘বাদলা দিনে মনে পড়ে ছেলেবেলার গান’ হাবীব ওয়াহিদের গাওয়া এই গানটি ফেসবুক রিলস বা ভিডিও ক্লিপে দেখেনি এমন মানুষ কমই আছে।
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, ফেরদৌস, বিদ্যা সিনহা মিম ও মেহের আফরোজ শাওনসহ আরও অনেকে। সিনেমার গল্পে দেখা যায়, একটি পরিবার বেড়াতে যায় জঙ্গলের এক নির্জন রেস্টহাউজে। সেখানে শুরু হয় সম্পর্কের নানা টানাপোড়েন আর কিশোরী মনের অজানা সত্যের অনুসন্ধান । প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসেব মেলাতে মেলাতেই দেখবেন সিনেমা শেষ। বৃষ্টি এখানে আসে মন খারাপের বার্তা নিয়ে। বিষণ্ণতা আর না-পাওয়ার বেদনা ফুটে ওঠে বৃষ্টির ধারায়।

পরিচালক মোহিত সুরির তুমুল জনপ্রিয় এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন আদিত্য রায় কাপুর ও শ্রদ্ধা কাপুর। রাহুল আর আরোহীর জটিল প্রেমের গল্প। তুমুল বৃষ্টির মাঝে নিজের জ্যাকেট দিয়ে আরোহীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে রাহুল। জ্যাকেটের নিচে দুজনের সেই আইকনিক মুহূর্তটি বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় রোমান্টিক দৃশ্য।
সঙ্গে অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠে ‘তুম হি হো’ গান। বৃষ্টি দিনের ‘মন খারাপ করা’ অনুভূতির জন্য দারুণ মানানসই সিনেমা এটি। কারণ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভাষায়, ‘বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না, দূরেও ঠেলিয়া দেয়’।
জেন অস্টেনের বিখ্যাত উপন্যাসের দারুণ চিত্রায়ণ এই সিনেমা। জো রাইট পরিচালিত এই সিনেমায় আছেন কিয়ারা নাইটলি ও ম্যাথিউ ম্যাকফ্যাডিয়েন। মিস্টার ডার্সি আর এলিজাবেথের মান-অভিমানের মিষ্টি গল্প এটি।
সিনেমার সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যটি তুমুল বৃষ্টির মধ্যে। বৃষ্টিতে ভিজে এলিজাবেথকে প্রথমবার প্রেমের প্রস্তাব দেয় ডার্সি। দুজনের সেই অভিমানে ভরা তর্ক আর চাপা উত্তেজনা পর্দায় দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। দু’জনের যতই মান-অভিমান চলুক না কেন, সিনেমার শেষে ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠবে ঠিকই।
.png)

টেলিভিশন চালু করলেই টুথপেস্টের নানা রকম বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। কোনো বিজ্ঞাপনে জানতে চাওয়া হয় টুথপেস্টে নুন (লবণ) আছে কি না, কোনোটি দাঁতের শিরশির ভাব দূর করার কথা বলে, আবার কোনোটি দেয় নিঃশ্বাসের সতেজতা। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, আমাদের ব্যবহৃত বেশিরভাগ টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি আছে। আর তা নিয়ে
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব চলচ্চিত্রে যে কজন পরিচালক ‘সিনেমার ভাষা’ বদলে দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে মার্কিন পরিচালক স্ট্যানলি কুবরিক একজন। তাঁর সিনেমা মানুষকে ভাবায়। ১৯২৮ সালের ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তাঁর জন্ম। জীবদ্দশায় মাত্র ১৩টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। সংখ্যায় কম হলেও প্রতিটি ছবিই সিনেমার ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে
৫ ঘণ্টা আগে
কোনো খাবার শরীরের জন্য কতটা ভালো বা খারাপ হবে, তা নির্ভর করে কী পরিমাণে খাচ্ছেন, কীভাবে রান্না করছেন এবং আপনার সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস কেমন, তার ওপর। তবে এর অর্থ এই নয় যে সব খাবার সবার জন্য সমানভাবে উপযোগী। নিজের শারীরিক অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
২৬ জুলাই ২০২৬চিত্রশিল্পী তৌহিন হাসান ঘুরে দেখেছেন দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সব আর্ট মিউজিয়াম ও আর্ট গ্যালারি। প্রতিটি সংগ্রহশালায় ক্যানভাস থেকে ক্যানভাসে তিনি খুঁজেছেন শিল্পের ভাষা; রঙ, আলো আর তুলির আঁচড়ে অনুভব করেছেন শিল্পীদের জীবন, সময় ও সৃষ্টির গল্প। সেই শিল্পভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু হলো নতুন ধারাবাহিক
২৬ জুলাই ২০২৬