জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি কাউকে কৃতিত্ব দিতে রাজি নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ২১: ১৩
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সালাহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি সব সময় মুক্তিযুদ্ধের সবকিছু তাদের কৃতিত্ব হিসেবে প্রচার করত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২৬ তারিখের পরে ২৭ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে “প্রভিশনাল হেড অব দ্য স্টেট” হিসেবে তৎকালীন মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে সেটা প্রচারিত হয় এবং তিনি সারা বিশ্বের সহায়তা কামনা করেন। পরবর্তীতে তৎকালীন জাতীয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নামে তিনি আবার স্বাধীনতার ঘোষণাটি সংশোধন করে প্রচার করেন। এখানে তো কৃতিত্বের কিছু নেই।’

জিয়াউর রহমানের ঘোষণার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা কে দিয়েছিলেন—সারা পৃথিবীতে দালিলিকভাবে সেটা প্রমাণিত হয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ভারতের ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তখন স্বীকৃতি দিয়েছেন যে মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। ভারতসহ অন্যান্য জায়গায় এ নিয়ে পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে, আমি অনেক লেখকের নাম বলতে পারি।’

সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে যখন ভারতে সংবর্ধনা দেওয়া হয়, তখন ভারতের রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করেন। আমরা বলছি না, আন্তর্জাতিক বিশ্ব বলছে, দলিল বলছে, কিতাব বলছে, ঘটনাপ্রবাহ বলছে। বাংলাদেশের মানুষ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা নিজ কানে শুনেছে।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সালাহউদ্দিন আহমদ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

সম্পর্কিত