লেখা:

আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক জুলি বাউকার ও তাঁর গবেষক দল মনে করেন, যাঁরা সমাজ বা মানুষের ভিড় থেকে নিজেদের গুটিয়ে রাখেন, তাদের নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবা উচিত। কারণ, একা থাকা মানুষগুলো সবাই একরকম হন না, আর তাদের একা থাকার পেছনের কারণগুলোও একেক জনের একেক রকম।
এই বিষয়টি বোঝার জন্য ২০১৭ সালে প্রায় ৩০০ জন তরুণ-তরুণীর ওপর একটি গবেষণা চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, যারা লোকচক্ষুর আড়ালে থাকতে পছন্দ করেন, তাদের মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। পরবর্তীতে এই আলোচনার সূত্র ধরে আরও দুই ধরনের মানুষের কথা উঠে আসে। ‘সাইকোলজি টুডে’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি আর্টিকেলে সেই গবেষণার ব্যাপারে বিস্তারিত লেখা হয়েছে।
গবেষণায় বিবেচনা করা হয় যেসব বৈশিষ্ট্য
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ব্যক্তিত্ব, নেতিবাচক ও ইতিবাচক আচরণ বোঝার জন্য বেশকিছু নির্দিষ্ট বিষয় পরিমাপ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে শারীরিক আগ্রােশন বা রেগে গেলে গায়ে হাত তোলার প্রবণতা এবং সম্পর্কগত আগ্রাসন বা কাউকে অপছন্দ হলে তাকে দল থেকে বাদ দেওয়ার মানসিকতা।
পাশাপাশি ‘উদ্বেগজনিত ভয়’ অর্থাৎ ভয় পাওয়ার অনুভূতিকেই ভয় পাওয়া, ছোটখাটো আনন্দদায়ক বিষয় থেকে আনন্দ না পাওয়ার বিষয়গুলো পরিমাপ করা হয়। এর পাশাপাশি ইতিবাচক দিক হিসেবে পরিমাপ করা হয় তাঁদের সৃজনশীলতা।
এ ছাড়া লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেকোনো কাজ করার প্রবণতা কতটুকু সেটিও গবেষণার বিবেচ্য বিষয়। ভুল করার ভয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার প্রবণতাও এই গবেষণায় বিবেচনায় নেওয়া হয়। এই বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে প্রায় ৩০০ জন তরুণ-তরুণীদের নিয়ে গবেষণাটি চালানো হয়।
সমাজ থেকে গুটিয়ে থাকা তিন ধরনের মানুষ
গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, যারা সামাজিক জীবন থেকে দূরে থাকেন তাদের প্রধান তিনটি প্রোফাইল পাওয়া যায়:
প্রথম ধরনটি হলো লাজুক প্রকৃতির মানুষ। এরা মূলত লজ্জার কারণে অন্যদের সঙ্গে মেশার সুযোগ এড়িয়ে চলেন। এই ধরনের মানুষেরা ভয় পাওয়া নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন থাকেন। এরা সাধারণ আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা থেকে খুব একটা আনন্দ পান না এবং তুলনামূলক কম সৃজনশীল হন। এ ছাড়া এ ব্যক্তিরা যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে চান এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের তাড়না তাদের মধ্যে বেশ কম থাকে।
গবেষণায় পাওয়া দ্বিতীয় ধরনের ব্যক্তিরা হলেন এড়িয়ে চলা স্বভাবের মানুষ। তারা ইচ্ছে করেই অন্যদের সঙ্গে সময় কাটানো থেকে দূরে থাকেন। তারাও সাধারণ ছোটখাটো বিষয়গুলো থেকে কম আনন্দ পান।
এ ছাড়া এই মানুষগুলো তুলনামূলক কম সৃজনশীল হয়ে থাকেন। তাদের মধ্যেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের তাড়না কম থাকে। তবে লাজুক মানুষদের মতো তারা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে বেশি চিন্তিত বা উদ্বিগ্ন হন না।
তৃতীয় ক্যাটাগরির মানুষেরা হলেন সামাজিকতা রক্ষার ব্যাপারে নির্লিপ্ত বা উদাসীন মানুষ। তাদের একা থাকা বা অন্যদের সঙ্গে থাকা—কোনোটি নিয়েই কোনো জোরালো পছন্দ-অপছন্দ নেই। তবে এরা অন্যদের তুলনায় বেশি সৃজনশীল হয়ে থাকেন। তাদের মধ্যে লক্ষ্য অর্জনের জোরালো তাড়না বা নতুন কিছু করার প্রবল আগ্রহ থাকে না। তবে মজার ব্যাপার হলো, এটি ছাড়া তাদের আর কোনো নেতিবাচক দিক নেই।
গবেষকদের মূল পর্যবেক্ষণ হলো লাজুক বা এড়িয়ে চলা স্বভাবের মানুষদের বৈশিষ্ট্যগুলো বেশ নেতিবাচক মনে হলেও ‘নির্লিপ্ত’ মানুষদের বৈশিষ্ট্যগুলো বেশ ইতিবাচক। তারা সৃজনশীল এবং কারও ক্ষতি করে না। তাই এই ধরনের মানুষদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
গবেষণার বাইরে আরও দুই ধরনের মানুষ
গবেষকরা স্বীকার করেছেন যে উপরোক্ত তিন ধরন ছাড়াও আরও অন্তত দুই ধরনের মানুষ আছেন–যারা সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেন:
একটি হল সমবয়সীদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত মানুষ। তারা নিজের ইচ্ছায় একা থাকেন না, বরং অন্যরা তাদের এড়িয়ে চলে বা দল থেকে বাদ দেয় বলে তারা বাধ্য হয়ে একা থাকেন। যদিও এই গবেষণায় তাদের নিয়ে বিস্তারিত কাজ হয়নি, তবে ধারণা করা হয়, এই শ্রেণির মানুষেরাই সবচেয়ে বেশি মনস্তাত্ত্বিক ঝুঁকিতে থাকেন এবং তাদের মধ্যে সহিংসতামূলক আচরণ করার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
আরেক শ্রেণির ব্যক্তিরা হলেন একাকীত্ব উপভোগকারী মানুষ। নির্লিপ্ত মানুষেরা একা থাকতে আপত্তি করেন না, কিন্তু এই পঞ্চম ক্যাটাগরির মানুষেরা একা একা সময় কাটাতে খুব ভালোবাসেন। তারা নিজেদের সঙ্গ দারুণভাবে উপভোগ করেন। এদের নিয়ে এখনো খুব বেশি গবেষণা হয়নি, তবে জানা যায় যে এরা অত্যন্ত ইতিবাচক স্বভাবের হন। এরা সাধারণত খুব খোলা মনের অধিকারী হন বলে মানসিক অবসাদ বা নিউরোটিক সমস্যায় ভোগেন না।
গবেষক দল বলছেন, কোনো মানুষ সামাজিক মেলামেশা থেকে দূরে থাকছেন—শুধু এই তথ্যটুকুই তার ব্যক্তিত্ব বিচারের জন্য যথেষ্ট নয়; বরং আমাদের জানতে হবে তিনি ঠিক কী কারণে দূরে থাকছেন। যারা ভয় পেয়ে, এড়িয়ে চলার মানসিকতা নিয়ে বা প্রত্যাখ্যাত হয়ে একা থাকেন, তাদের নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। কিন্তু যারা কেবল সামাজিকতায় আগ্রহী নন বলে বা নিজের একাকীত্বকে ভালোবাসেন বলে একা থাকেন, তাদের ব্যক্তিত্ব আসলে প্রশংসনীয়।

আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক জুলি বাউকার ও তাঁর গবেষক দল মনে করেন, যাঁরা সমাজ বা মানুষের ভিড় থেকে নিজেদের গুটিয়ে রাখেন, তাদের নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবা উচিত। কারণ, একা থাকা মানুষগুলো সবাই একরকম হন না, আর তাদের একা থাকার পেছনের কারণগুলোও একেক জনের একেক রকম।
এই বিষয়টি বোঝার জন্য ২০১৭ সালে প্রায় ৩০০ জন তরুণ-তরুণীর ওপর একটি গবেষণা চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, যারা লোকচক্ষুর আড়ালে থাকতে পছন্দ করেন, তাদের মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। পরবর্তীতে এই আলোচনার সূত্র ধরে আরও দুই ধরনের মানুষের কথা উঠে আসে। ‘সাইকোলজি টুডে’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি আর্টিকেলে সেই গবেষণার ব্যাপারে বিস্তারিত লেখা হয়েছে।
গবেষণায় বিবেচনা করা হয় যেসব বৈশিষ্ট্য
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ব্যক্তিত্ব, নেতিবাচক ও ইতিবাচক আচরণ বোঝার জন্য বেশকিছু নির্দিষ্ট বিষয় পরিমাপ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে শারীরিক আগ্রােশন বা রেগে গেলে গায়ে হাত তোলার প্রবণতা এবং সম্পর্কগত আগ্রাসন বা কাউকে অপছন্দ হলে তাকে দল থেকে বাদ দেওয়ার মানসিকতা।
পাশাপাশি ‘উদ্বেগজনিত ভয়’ অর্থাৎ ভয় পাওয়ার অনুভূতিকেই ভয় পাওয়া, ছোটখাটো আনন্দদায়ক বিষয় থেকে আনন্দ না পাওয়ার বিষয়গুলো পরিমাপ করা হয়। এর পাশাপাশি ইতিবাচক দিক হিসেবে পরিমাপ করা হয় তাঁদের সৃজনশীলতা।
এ ছাড়া লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেকোনো কাজ করার প্রবণতা কতটুকু সেটিও গবেষণার বিবেচ্য বিষয়। ভুল করার ভয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার প্রবণতাও এই গবেষণায় বিবেচনায় নেওয়া হয়। এই বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে প্রায় ৩০০ জন তরুণ-তরুণীদের নিয়ে গবেষণাটি চালানো হয়।
সমাজ থেকে গুটিয়ে থাকা তিন ধরনের মানুষ
গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, যারা সামাজিক জীবন থেকে দূরে থাকেন তাদের প্রধান তিনটি প্রোফাইল পাওয়া যায়:
প্রথম ধরনটি হলো লাজুক প্রকৃতির মানুষ। এরা মূলত লজ্জার কারণে অন্যদের সঙ্গে মেশার সুযোগ এড়িয়ে চলেন। এই ধরনের মানুষেরা ভয় পাওয়া নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন থাকেন। এরা সাধারণ আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা থেকে খুব একটা আনন্দ পান না এবং তুলনামূলক কম সৃজনশীল হন। এ ছাড়া এ ব্যক্তিরা যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে চান এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের তাড়না তাদের মধ্যে বেশ কম থাকে।
গবেষণায় পাওয়া দ্বিতীয় ধরনের ব্যক্তিরা হলেন এড়িয়ে চলা স্বভাবের মানুষ। তারা ইচ্ছে করেই অন্যদের সঙ্গে সময় কাটানো থেকে দূরে থাকেন। তারাও সাধারণ ছোটখাটো বিষয়গুলো থেকে কম আনন্দ পান।
এ ছাড়া এই মানুষগুলো তুলনামূলক কম সৃজনশীল হয়ে থাকেন। তাদের মধ্যেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের তাড়না কম থাকে। তবে লাজুক মানুষদের মতো তারা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে বেশি চিন্তিত বা উদ্বিগ্ন হন না।
তৃতীয় ক্যাটাগরির মানুষেরা হলেন সামাজিকতা রক্ষার ব্যাপারে নির্লিপ্ত বা উদাসীন মানুষ। তাদের একা থাকা বা অন্যদের সঙ্গে থাকা—কোনোটি নিয়েই কোনো জোরালো পছন্দ-অপছন্দ নেই। তবে এরা অন্যদের তুলনায় বেশি সৃজনশীল হয়ে থাকেন। তাদের মধ্যে লক্ষ্য অর্জনের জোরালো তাড়না বা নতুন কিছু করার প্রবল আগ্রহ থাকে না। তবে মজার ব্যাপার হলো, এটি ছাড়া তাদের আর কোনো নেতিবাচক দিক নেই।
গবেষকদের মূল পর্যবেক্ষণ হলো লাজুক বা এড়িয়ে চলা স্বভাবের মানুষদের বৈশিষ্ট্যগুলো বেশ নেতিবাচক মনে হলেও ‘নির্লিপ্ত’ মানুষদের বৈশিষ্ট্যগুলো বেশ ইতিবাচক। তারা সৃজনশীল এবং কারও ক্ষতি করে না। তাই এই ধরনের মানুষদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
গবেষণার বাইরে আরও দুই ধরনের মানুষ
গবেষকরা স্বীকার করেছেন যে উপরোক্ত তিন ধরন ছাড়াও আরও অন্তত দুই ধরনের মানুষ আছেন–যারা সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেন:
একটি হল সমবয়সীদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত মানুষ। তারা নিজের ইচ্ছায় একা থাকেন না, বরং অন্যরা তাদের এড়িয়ে চলে বা দল থেকে বাদ দেয় বলে তারা বাধ্য হয়ে একা থাকেন। যদিও এই গবেষণায় তাদের নিয়ে বিস্তারিত কাজ হয়নি, তবে ধারণা করা হয়, এই শ্রেণির মানুষেরাই সবচেয়ে বেশি মনস্তাত্ত্বিক ঝুঁকিতে থাকেন এবং তাদের মধ্যে সহিংসতামূলক আচরণ করার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
আরেক শ্রেণির ব্যক্তিরা হলেন একাকীত্ব উপভোগকারী মানুষ। নির্লিপ্ত মানুষেরা একা থাকতে আপত্তি করেন না, কিন্তু এই পঞ্চম ক্যাটাগরির মানুষেরা একা একা সময় কাটাতে খুব ভালোবাসেন। তারা নিজেদের সঙ্গ দারুণভাবে উপভোগ করেন। এদের নিয়ে এখনো খুব বেশি গবেষণা হয়নি, তবে জানা যায় যে এরা অত্যন্ত ইতিবাচক স্বভাবের হন। এরা সাধারণত খুব খোলা মনের অধিকারী হন বলে মানসিক অবসাদ বা নিউরোটিক সমস্যায় ভোগেন না।
গবেষক দল বলছেন, কোনো মানুষ সামাজিক মেলামেশা থেকে দূরে থাকছেন—শুধু এই তথ্যটুকুই তার ব্যক্তিত্ব বিচারের জন্য যথেষ্ট নয়; বরং আমাদের জানতে হবে তিনি ঠিক কী কারণে দূরে থাকছেন। যারা ভয় পেয়ে, এড়িয়ে চলার মানসিকতা নিয়ে বা প্রত্যাখ্যাত হয়ে একা থাকেন, তাদের নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। কিন্তু যারা কেবল সামাজিকতায় আগ্রহী নন বলে বা নিজের একাকীত্বকে ভালোবাসেন বলে একা থাকেন, তাদের ব্যক্তিত্ব আসলে প্রশংসনীয়।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৫ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৮ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৮ ঘণ্টা আগে