স্ট্রিম প্রতিবেদক

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে দ্বিতীয় সারিতে রাখা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় নাহিদ ইসলামের এই অবস্থানকে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত’ এবং ‘জুলাই বিপ্লবের অপমান’ হিসেবে দেখছেন নেটিজেন ও দলটির নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিরোধীদলীয় নেতার নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যরা। এ সময় জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের পেছনে দ্বিতীয় সারিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় নাহিদ ইসলামকে। এই ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় বিতর্ক।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব তাহসিন রিয়াজ এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে লিখেছেন, “সম্মান, শ্রদ্ধা, অবদান, অর্জন ও রাজনৈতিক প্রোটোকল—সব প্যারামিটারে নাহিদ ইসলাম প্রথম কাতারে জায়গা পাওয়ার যোগ্য। তা সত্ত্বেও তাঁকে দ্বিতীয় সারিতে রাখা জামায়াতের ‘রাজনৈতিক দৈন্য’। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
একই বিষয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্র আশরেফা খাতুন। ফেসবুকে ওই ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “জোটসঙ্গী দলের প্রধান এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপকে দ্বিতীয় লাইনে দাঁড় করানো জামায়াতের কোন বোধের ভেতরে পড়ে, তা আমার মাথায় আসে না। সৌহার্দ্য দেখানোর ব্যাপারে এমন আচরণ আর কোনো দল দেখায় বলে মনে পড়ে না। ছবিটা খুবই দৃষ্টিকটু।”
এদিকে নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’ (এনপিএ) নেতা মীর হুযাইফা আল-মামদূহ। তিনি আশরেফা খাতুনের পোস্ট শেয়ার করে প্রশ্ন করেন, “নাহিদরা কেন আত্মসম্মান বলি দিচ্ছে?”
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মুহাম্মদ ইশরাক লিখেছেন, “জুলাইয়ের অবিসংবাদিত নেতা নাহিদ ইসলামকে দ্বিতীয় সারিতে পাঠানো মানে জুলাই এবং জেন-জি প্রজন্মকে অপমান করা।” এছাড়া শিক্ষক ও লেখক মোকাররম হোসাইন এনসিপির স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লেখেন, “নির্বাচনী জোটের মানে এই নয় যে সব রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে জামায়াতের পিছু পিছু থাকতে হবে। স্বাধীনতা দিবসে জামায়াতের গোপন লজ্জা ঢাকতেই কি তাদের সঙ্গ দিতে হচ্ছে?”
উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। জোটের প্রধান শরিক জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের প্রথম সারিতে অবস্থান এবং নাহিদ ইসলামকে পেছনে রাখা নিয়ে শুরু হওয়া এই বিতর্ক রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে দ্বিতীয় সারিতে রাখা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় নাহিদ ইসলামের এই অবস্থানকে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত’ এবং ‘জুলাই বিপ্লবের অপমান’ হিসেবে দেখছেন নেটিজেন ও দলটির নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিরোধীদলীয় নেতার নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যরা। এ সময় জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের পেছনে দ্বিতীয় সারিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় নাহিদ ইসলামকে। এই ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় বিতর্ক।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব তাহসিন রিয়াজ এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে লিখেছেন, “সম্মান, শ্রদ্ধা, অবদান, অর্জন ও রাজনৈতিক প্রোটোকল—সব প্যারামিটারে নাহিদ ইসলাম প্রথম কাতারে জায়গা পাওয়ার যোগ্য। তা সত্ত্বেও তাঁকে দ্বিতীয় সারিতে রাখা জামায়াতের ‘রাজনৈতিক দৈন্য’। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
একই বিষয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্র আশরেফা খাতুন। ফেসবুকে ওই ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “জোটসঙ্গী দলের প্রধান এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপকে দ্বিতীয় লাইনে দাঁড় করানো জামায়াতের কোন বোধের ভেতরে পড়ে, তা আমার মাথায় আসে না। সৌহার্দ্য দেখানোর ব্যাপারে এমন আচরণ আর কোনো দল দেখায় বলে মনে পড়ে না। ছবিটা খুবই দৃষ্টিকটু।”
এদিকে নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’ (এনপিএ) নেতা মীর হুযাইফা আল-মামদূহ। তিনি আশরেফা খাতুনের পোস্ট শেয়ার করে প্রশ্ন করেন, “নাহিদরা কেন আত্মসম্মান বলি দিচ্ছে?”
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মুহাম্মদ ইশরাক লিখেছেন, “জুলাইয়ের অবিসংবাদিত নেতা নাহিদ ইসলামকে দ্বিতীয় সারিতে পাঠানো মানে জুলাই এবং জেন-জি প্রজন্মকে অপমান করা।” এছাড়া শিক্ষক ও লেখক মোকাররম হোসাইন এনসিপির স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লেখেন, “নির্বাচনী জোটের মানে এই নয় যে সব রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে জামায়াতের পিছু পিছু থাকতে হবে। স্বাধীনতা দিবসে জামায়াতের গোপন লজ্জা ঢাকতেই কি তাদের সঙ্গ দিতে হচ্ছে?”
উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। জোটের প্রধান শরিক জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের প্রথম সারিতে অবস্থান এবং নাহিদ ইসলামকে পেছনে রাখা নিয়ে শুরু হওয়া এই বিতর্ক রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংগঠনিক অস্থিরতার কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা শাখার আহ্বায়ক আলাউল হকসহ শীর্ষ পর্যায়ের আটজন নেতা পদত্যাগ করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, আমরা যে জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসেবে বিএনপিকে চিনতাম, সেই বিএনপিকে এখন চিনতে পারছি না। ক্ষমতায় আছে একজন। কিন্তু দেশ কে চালাচ্ছে, তা বোঝা যাচ্ছে না।
১৪ ঘণ্টা আগে
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজের শুরুতে সনাতনীদের ধর্মগ্রন্থ গীতা থেকে পাঠ না করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
২০ ঘণ্টা আগে
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির ১৯৭১ সালের বিতর্কিত ভূমিকা অস্বীকার করে এবং জাতির কাছে ক্ষমা না চেয়ে উল্টো একটি নতুন বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে।
২১ ঘণ্টা আগে