জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

অতীতে পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, ভুলে গেলে দুচোখই: প্রধানমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ২১: ১৬
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিআইডি

জাতির অতীতকে ভোলা যাবে না, তবে সেখানে পড়ে থাকাও যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ। আর অতীতকে যদি ভুলে যাই, তাহলে আমাদের দুচোখই অন্ধ।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি এ আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা অতীতকে একদম ভুলে যাব না, ঠিক হবে না। একইভাবে নিকট অতীতে দেখেছি– অতীত নিয়ে এত বেশি চর্চা হয়েছে, যেটা আমাদের ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘তৎকালীন বিশ্বে অন্যতম শক্তিশালী সেনাবাহিনী ছিল তাদের (পাকিস্তান)। তাদের বিরুদ্ধে আমরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলাম—এই বাংলাদেশের মানুষ। সুতরাং প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরবগাঁথা, তা নিয়ে আলোচনা হবে, গবেষণা চলবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে আলোচনা-সমালোচনা কিংবা গবেষণার নামে এমন কিছু করা বা বলা ঠিক হবে না, যা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের ইতিহাসকে কোনোভাবে খাটো করতে পারে।’

যুগের পর যুগ স্বাধীনতার জন্য যারা লড়াই করেছেন, তারাই এর মূল্য উপলব্ধি করতে পারেন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটু পাশে তাকাই, তাহলে দেখতে পাব স্বাধীনতার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারছে ফিলিস্তিনের মানুষ। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। হাজারও প্রাণের বিনিময়ে ২০২৪ সালে আমরা স্বাধীনতা ও দেশকে রক্ষা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলে সম্পদে সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু আমরা যদি একসঙ্গে লড়াই করি, তবে দেশের যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে পারব।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ। আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম।

সম্পর্কিত