স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা বাংলাদেশের সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এ সংক্রান্ত স্ট্যাটাসের লিঙ্কটি নিজেদের মিডিয়া সেলের গ্রুপে শেয়ার দিয়েছে এনসিপি।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা পোস্টের মন্তব্যে সংবিধানের একটি পাতার ছবি যুক্ত করে লেখেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক’ কথাটি সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
যদিও আইডিটি অফিসিয়াল নয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির মিডিয়া সেলের সদস্য আরাফাত বলেন, ‘এটি আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নিজস্ব ফেসবুক আইডি।’

সংযুক্ত ছবিতে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিল [১৫০ (২) অনুচ্ছেদ] উল্লেখ করা হয়েছে। ওই তফসিলে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তার অনূদিত পাঠ হলো– ‘ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে– যে যেখানে আছ, যাহার যাহা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ কর। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা বাংলাদেশের সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এ সংক্রান্ত স্ট্যাটাসের লিঙ্কটি নিজেদের মিডিয়া সেলের গ্রুপে শেয়ার দিয়েছে এনসিপি।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা পোস্টের মন্তব্যে সংবিধানের একটি পাতার ছবি যুক্ত করে লেখেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক’ কথাটি সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
যদিও আইডিটি অফিসিয়াল নয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির মিডিয়া সেলের সদস্য আরাফাত বলেন, ‘এটি আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নিজস্ব ফেসবুক আইডি।’

সংযুক্ত ছবিতে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিল [১৫০ (২) অনুচ্ছেদ] উল্লেখ করা হয়েছে। ওই তফসিলে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তার অনূদিত পাঠ হলো– ‘ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে– যে যেখানে আছ, যাহার যাহা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ কর। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।’

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যারা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, তারা নতুন চেহারা নিয়ে হাজির হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার প্রশ্নের উত্তরে সংসদ নেতা কিছুই বলছেন না অভিযোগ করে জামায়াতে ইসলাম বলছে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বদলে ‘অন্য একজন’ কথা বলছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় ওয়াজ-কীর্তন যেমন হবে, তেমনি বাউল গানের আসরও বসবে। এসবে কারও বাধা বরদাশত করব না।
৯ ঘণ্টা আগে
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বিএনপি। বেলা আড়াইটায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই সভা শুরু হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে