আজ ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস। দিবসটির অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে হয় সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ ও সমরাস্ত্র প্রদর্শনী।
২০০৮ সালে সর্বশেষ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে এমন কুচকাওয়াজ হয়। এরপর থেকে শুধু ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ হয়ে আসছে। এবারের স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে অভিবাদন গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বছর প্যারেড পরিচালনা করেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এসএম আসাদুল হক।
তাদের বাইরে এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা। তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এছাড়া মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানেরা, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্য, খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট নাগরিক, বুদ্ধিজীবী ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাবাহিনীর আধুনিক ট্যাঙ্ক, এপিসি এবং বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানের ফ্লাই-পাস্টসহ বিশেষ সমরাস্ত্র প্রদর্শনী সাধারণ দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
সাদিক আল আশফাক

















রমজান মাসে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতিদিন জড়ো হন হাজারো রোজাদার। মসজিদ প্রাঙ্গণে বড় বড় থালায় সাজানো থাকে মুড়ি, ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, জিলাপি ও ফল। বিভিন্ন দাতব্য সংগঠন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই গণইফতারে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার মানুষ অংশ নেন।
১৪ দিন আগে
অমর একুশে বইমেলায় শুক্রবার ছিল তৃতীয় শিশুপ্রহর। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের শিশু চত্বরে সকাল থেকেই ভিড় জমাতে শুরু করে শিশু-কিশোরেরা; সঙ্গে ছিলেন অভিভাবকেরাও। ছোটদের জন্য সাজানো এই বিশেষ সময়ে বায়োস্কোপ, পাপেট থিয়েটার, গল্প বলা, ছবি আঁকা ও নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
১৯ দিন আগে
বসন্তের আবহে দোল পূর্ণিমা ও হোলি উৎসবে প্রেমের ছোঁয়ায় রঙিন হয়ে উঠেছে চারপাশ। উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা রঙ উড়িয়ে ও নাচানাচির মাধ্যমে উদযাপন করছেন আনন্দের এই আয়োজন।
২২ দিন আগে
পুরান ঢাকার ইফতারি মানেই ঐতিহ্যের স্বাদ। এখানের ইফতারির বৈচিত্র্য অন্য সব এলাকা থেকে আলাদা। চকবাজারে ইফতারসামগ্রীর বাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। ক্রেতা–বিক্রেতার ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে শাহি মসজিদের সামনে সার্কুলার রোডের দুই পাশজুড়ে গড়ে ওঠা ঐতিহ্যবাহী এই ইফতারির বাজার।
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬