স্ট্রিম ডেস্ক

পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতে গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তানজানিয়া, কেনিয়া ও ইথিওপিয়াজুড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে তানজানিয়ায়। বুধবার (২৬ মার্চ) সকালে দেশটির এমবেয়া অঞ্চলের রুংওয়ে জেলায় ভারী বর্ষণ ও প্রবল বাতাসে সৃষ্ট ভূমিধসে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক জাফর হানিউ। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, তাই ভূমিধসপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবেশী দেশ কেনিয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। এ মাসে ভারী বৃষ্টিপাত শুরুর পর থেকে দেশটিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আকস্মিক বন্যার কারণে ২১টি কাউন্টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্তত দুটি নদীর বাঁধ ভেঙে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। উদ্ধারকাজে সহায়তা করার জন্য কেনিয়া সরকার সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে। দুর্যোগের এই তীব্রতা দেশটিতে জরুরি উদ্ধার তৎপরতা এবং নদীপাড়ের মানুষের জীবনঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ৮০ জনের মৃত্যু হয়।
পূর্ব আফ্রিকার জলবায়ু পূর্বাভাস কেন্দ্র (আইজিএডি) গত মাসে এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছিল, মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত চলমান এই বর্ষা মৌসুমে উগান্ডা থেকে শুরু করে জিবুতি পর্যন্ত অধিকাংশ দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ক্রমাগত এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ওই অঞ্চলের জনপদগুলোর জন্য অস্তিত্বের সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতে গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তানজানিয়া, কেনিয়া ও ইথিওপিয়াজুড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে তানজানিয়ায়। বুধবার (২৬ মার্চ) সকালে দেশটির এমবেয়া অঞ্চলের রুংওয়ে জেলায় ভারী বর্ষণ ও প্রবল বাতাসে সৃষ্ট ভূমিধসে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক জাফর হানিউ। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, তাই ভূমিধসপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবেশী দেশ কেনিয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। এ মাসে ভারী বৃষ্টিপাত শুরুর পর থেকে দেশটিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আকস্মিক বন্যার কারণে ২১টি কাউন্টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্তত দুটি নদীর বাঁধ ভেঙে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। উদ্ধারকাজে সহায়তা করার জন্য কেনিয়া সরকার সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে। দুর্যোগের এই তীব্রতা দেশটিতে জরুরি উদ্ধার তৎপরতা এবং নদীপাড়ের মানুষের জীবনঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ৮০ জনের মৃত্যু হয়।
পূর্ব আফ্রিকার জলবায়ু পূর্বাভাস কেন্দ্র (আইজিএডি) গত মাসে এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছিল, মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত চলমান এই বর্ষা মৌসুমে উগান্ডা থেকে শুরু করে জিবুতি পর্যন্ত অধিকাংশ দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ক্রমাগত এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ওই অঞ্চলের জনপদগুলোর জন্য অস্তিত্বের সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধে ১৫ দফার একটি সমঝোতা প্রস্তাব দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ইরানের পক্ষ থেকে যেকোনো মুহূর্তে এ বিষয়ে চূড়ান্ত জবাব পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ওয়াশিংটন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
১৫ মিনিট আগে
ইরানের মিনাব শহরের শাজারাহ তাইয়েবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনাকে ‘ভয়াবহ অমানবিক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির এই হামলায় ১৭০-এর বেশি প্রাণহানির (যাদের বেশিরভাগই স্কুলছাত্রী) ঘটনায় ন্যায়বিচার এবং স্বচ্ছ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযান মোকাবিলায় ১০ লাখ যোদ্ধা প্রস্তুত করার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। বিশেষ করে কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ‘খার্গ দ্বীপ’ রক্ষায় তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর গত ৪ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন মতে, ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পাশাপাশি যান্ত্রিক ত্রুটি ও ফ্রেন্ডলি ফায়ারে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে