স্ট্রিম প্রতিবেদক

স্কুলে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া বাড়ছে, প্রকৃত শিখনফল কমছে এবং কোচিং ও গাইড বইয়ের পেছনে পরিবারের খরচ বাড়ছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক গবেষণায় এমন চিত্র উঠে এসেছে।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ‘নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে আগামী দিনের শিক্ষা খাত: নতুন চিন্তা, নতুন কাঠামো ও নতুন পদক্ষেপ’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
গবেষণা দলে ছিলেন অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খানসহ অন্যরা। সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তৌফিকুল ইসলাম খান।
গবেষণায় বলা হয়, সরকারি বয়ানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ভর্তির সাফল্যের কথা বলা হলেও বাস্তবে তা থমকে গেছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ছেলেদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিট ভর্তির হার এক বছরে ৭ শতাংশ কমে ৯১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় পতন।
প্রাথমিক গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিকে ওঠার হারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পঞ্চম শ্রেণি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার হার ২০১৯ সালের ৯৬.৫ শতাংশ থেকে কমে ২০২২ সালে প্রায় ৭৫ শতাংশে নেমেছে। অর্থনৈতিক চাপে শিশুশ্রমের হার ২০১৯ সালের ৬.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৯.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, করোনা মহামারির আগে থেকেই শিক্ষার মান কমছিল। ২০২২ সালের জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়নে (এনএসএ) দেখা যায়, বাংলা ও গণিতে শিক্ষার্থীদের গড় নম্বর ২০১৩ সালের চেয়েও নিচে। বর্তমানে পঞ্চম শ্রেণির মাত্র ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী গণিতে ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে পারছে। সনদনির্ভর এই শিক্ষার কারণে উচ্চশিক্ষিতদের বেকারত্বের হার ১৩.৫ শতাংশে পৌঁছেছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা বিনামূল্যে হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে তা ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। জরিপ অনুযায়ী, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী গাইড বই এবং ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রাইভেট টিউশনির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে দেশের মোট শিক্ষা ব্যয়ের অর্ধেকের বেশি মেটাচ্ছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নতুন সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিলেও বর্তমানে প্রকৃত ব্যয় হচ্ছে মাত্র ১.৩৮ শতাংশ। এর ওপর উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নের হার নেমে এসেছে ৪৯ শতাংশে।
গবেষকেরা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কাল শিক্ষা খাত সংস্কারের ক্ষেত্রে একটি ‘হারানো সুযোগ’ ছিল; কারণ তখন কোনো শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়নি। শিক্ষায় সুশাসন ফেরাতে জবাবদিহিমূলক বিকেন্দ্রীকরণ এবং ‘এলিট শ্রেণির প্রভাব’ থেকে বেরিয়ে আসার তাগিদ দেওয়া হয় গবেষণায়। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্কুলে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া বাড়ছে, প্রকৃত শিখনফল কমছে এবং কোচিং ও গাইড বইয়ের পেছনে পরিবারের খরচ বাড়ছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক গবেষণায় এমন চিত্র উঠে এসেছে।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ‘নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে আগামী দিনের শিক্ষা খাত: নতুন চিন্তা, নতুন কাঠামো ও নতুন পদক্ষেপ’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
গবেষণা দলে ছিলেন অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খানসহ অন্যরা। সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তৌফিকুল ইসলাম খান।
গবেষণায় বলা হয়, সরকারি বয়ানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ভর্তির সাফল্যের কথা বলা হলেও বাস্তবে তা থমকে গেছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ছেলেদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিট ভর্তির হার এক বছরে ৭ শতাংশ কমে ৯১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় পতন।
প্রাথমিক গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিকে ওঠার হারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পঞ্চম শ্রেণি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার হার ২০১৯ সালের ৯৬.৫ শতাংশ থেকে কমে ২০২২ সালে প্রায় ৭৫ শতাংশে নেমেছে। অর্থনৈতিক চাপে শিশুশ্রমের হার ২০১৯ সালের ৬.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৯.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, করোনা মহামারির আগে থেকেই শিক্ষার মান কমছিল। ২০২২ সালের জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়নে (এনএসএ) দেখা যায়, বাংলা ও গণিতে শিক্ষার্থীদের গড় নম্বর ২০১৩ সালের চেয়েও নিচে। বর্তমানে পঞ্চম শ্রেণির মাত্র ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী গণিতে ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে পারছে। সনদনির্ভর এই শিক্ষার কারণে উচ্চশিক্ষিতদের বেকারত্বের হার ১৩.৫ শতাংশে পৌঁছেছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা বিনামূল্যে হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে তা ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। জরিপ অনুযায়ী, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী গাইড বই এবং ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রাইভেট টিউশনির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে দেশের মোট শিক্ষা ব্যয়ের অর্ধেকের বেশি মেটাচ্ছে শিক্ষার্থীর পরিবার। নতুন সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিলেও বর্তমানে প্রকৃত ব্যয় হচ্ছে মাত্র ১.৩৮ শতাংশ। এর ওপর উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নের হার নেমে এসেছে ৪৯ শতাংশে।
গবেষকেরা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কাল শিক্ষা খাত সংস্কারের ক্ষেত্রে একটি ‘হারানো সুযোগ’ ছিল; কারণ তখন কোনো শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়নি। শিক্ষায় সুশাসন ফেরাতে জবাবদিহিমূলক বিকেন্দ্রীকরণ এবং ‘এলিট শ্রেণির প্রভাব’ থেকে বেরিয়ে আসার তাগিদ দেওয়া হয় গবেষণায়। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মহান মে দিবস উপলক্ষে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার নিয়ে র্যালি করেছেন উবার-পাঠাও চালকেরা। আজ শুক্রবার (১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ‘অ্যাপ-বেইজড ট্রান্সপোর্ট ইউনিয়ন’-এর ব্যানারে এই র্যালি শুরু করেন তাঁরা। এ সময় অ্যাপভিত্তিক উবার-পাঠাও চালকদের জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালার দাবি জানান তাঁরা।
৪ মিনিট আগে
শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে পূজা, অষ্টপরিষ্কার দান, প্রার্থনা ও আলোচনা সভা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম।
৯ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ৬টি ওয়ান শুটারগান ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র্যাব-১১।
৩১ মিনিট আগে
নোয়াখালীতে মে দিবস উপলক্ষে র্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (১ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নোয়াখালী শহর ও সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে