বন্ধুত্বের বিষয়টি নির্ভর করে আপনার বিড়ালের স্বভাব, অন্যদের সঙ্গে মেশার অভ্যাস এবং আপনি তাদের কীভাবে একে অপরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন তার ওপর। তবে মনে রাখবেন, সব বিড়ালই কিন্তু অন্য বিড়ালের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় না!
স্ট্রিম ডেস্ক

আপনার প্রিয় পোষা বিড়ালকে সঙ্গ দেওয়ার জন্য নতুন আরেকটি বিড়াল আনার কথা ভাবছেন? চিন্তাটি বেশ আনন্দের হলেও, এই কাজ কিন্তু খুব একটা সহজ নয়। বিড়াল খুব সংবেদনশীল প্রাণী। নতুন কোনো সঙ্গী বা পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাদের বেশ সময় লাগে। এ কারণে নতুন বিড়ালকে আপনার পরিবারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া বেশ কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
এখন প্রশ্ন হলো, আপনার পোষা বিড়াল কখনও অন্য বিড়ালের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে? এর উত্তর হলো, হ্যাঁ পারে। একটি বিড়াল অন্য বিড়ালের সঙ্গে ‘সম্পর্ক’ তৈরি করতে পারে। এই ধরনের সম্পর্ককে আমরা ‘বন্ধুত্ব’ বলতে পারি। তবে এই বন্ধুত্ব রাতারাতি গড়ে ওঠে না। এর জন্য অনেক সময় এবং ধৈর্যের প্রয়োজন হয়।

আর বন্ধুত্বের বিষয়টি নির্ভর করে আপনার বিড়ালের স্বভাব, অন্যদের সঙ্গে মেশার অভ্যাস এবং আপনি তাদের কীভাবে একে অপরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন তার ওপর। তবে মনে রাখবেন, সব বিড়ালই কিন্তু অন্য বিড়ালের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় না!
এর নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। কিছু বিড়াল খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। তারা হয়ত কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই একে অপরের সঙ্গে সাবলীল হয়ে যায়। আবার অনেক ক্ষেত্রে একে অপরের উপস্থিতি সহ্য করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে ৬ মাস বা তার বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাদের মধ্যে কখনই সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে না। এমন পরিস্থিতিতে তারা সাধারণত একে অপরের থেকে দূরে দূরে থাকতেই পছন্দ করে। তবে এমনটা হলে দুশ্চিন্তার খুব বেশি কারণ নেই। তারা একই বাড়িতে নিজেদের মতো করে আলাদা থাকতে পারে।
বিড়ালের স্বভাব বুঝতে হলে আমাদের কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার। প্রাকৃতিকভাবেই বিড়াল একা থাকতে পছন্দ করে। এটা তাদের জন্মগত স্বভাব। তারা মানুষ বা অন্য প্রাণীর সঙ্গে সখ্যতা তৈরি করতে পারে ঠিকই, তবে বন্য পরিবেশে সাধারণত তারা একাকী জীবন কাটায়।

তবে রাস্তার বা বেওয়ারিশ বিড়ালরা খাবারের উৎসের আশেপাশে দলবদ্ধ হয়ে থাকতে পারে। এ ছাড়া এলাকার দখল নিয়ে বিবাদ তৈরি হলে বা প্রজনন মৌসুমে তারা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। আপনি যদি রাস্তার বিড়ালদের কোনো দল খেয়াল করেন, তবে দেখবেন কিছু বিড়াল সবসময় একসঙ্গে থাকে। এর মূল কারণ হলো, এরা হয়ত ছোটবেলা থেকেই একসঙ্গে বড় হয়েছে। অথবা তারা মা ও ছানার দল। একসঙ্গে বড় হওয়া বিড়ালদের মাঝেই কেবল এমন দলবদ্ধতা দেখা যায়।
আপনি হয়ত দিনের একটা সময় ঘরের বিড়ালটির সঙ্গে খেলাধুলা করেন বা আদর করেন। কিন্তু বাকী সময় একে একা কাটাতে হয়। যদি দেখেন, একা থাকার জন্য বিড়ালটি সহজেই বিরক্ত হচ্ছে বা একঘেয়েমিতে ভুগছে, তবে ঘরে নতুন আরেকটি বিড়াল আনার চিন্তা করতে পারেন।
বিশেষ করে বিড়ালছানার ক্ষেত্রে এটা বেশ ভালো কাজ করে। কারণ অল্প বয়সে তারা খুব সহজেই অন্য বিড়ালের সঙ্গে মিশতে পারে।

তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে বেশিরভাগ বিড়াল অন্য সঙ্গী ছাড়াই বেশ সুখে থাকতে পারে। বন্য পরিবেশে তাদের বিচরণ করার জন্য বিশাল এলাকা বা ‘টেরিটরি’ থাকে। সাধারণত তারা অন্য বিড়ালদের সঙ্গে নিজেদের এলাকা ভাগ করে নিতে চায় না। আর এই কারণেই দুটি বিড়ালকে, বিশেষ করে বয়স্ক বিড়ালদের একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
এ ছাড়া অনেক বিড়ালই ঘরে নতুন বিড়াল আসলে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে পারে। আপনার বিড়ালের হয়ত কোনো বন্ধুর প্রয়োজন নেই, তার মানে এই নয় যে নতুন বিড়ালের সঙ্গে একদমই মানিয়ে নিতে পারবে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বও হয়ে যেতে পারে। যদি আপনার বিড়ালদের মানিয়ে নিতে খুব বেশি সমস্যা হয়, তবে কীভাবে নিরাপদ ও সঠিকভাবে তাদের পরিচয় করানো যায়, সে বিষয়ে আপনি পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

আপনার প্রিয় পোষা বিড়ালকে সঙ্গ দেওয়ার জন্য নতুন আরেকটি বিড়াল আনার কথা ভাবছেন? চিন্তাটি বেশ আনন্দের হলেও, এই কাজ কিন্তু খুব একটা সহজ নয়। বিড়াল খুব সংবেদনশীল প্রাণী। নতুন কোনো সঙ্গী বা পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাদের বেশ সময় লাগে। এ কারণে নতুন বিড়ালকে আপনার পরিবারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া বেশ কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
এখন প্রশ্ন হলো, আপনার পোষা বিড়াল কখনও অন্য বিড়ালের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে? এর উত্তর হলো, হ্যাঁ পারে। একটি বিড়াল অন্য বিড়ালের সঙ্গে ‘সম্পর্ক’ তৈরি করতে পারে। এই ধরনের সম্পর্ককে আমরা ‘বন্ধুত্ব’ বলতে পারি। তবে এই বন্ধুত্ব রাতারাতি গড়ে ওঠে না। এর জন্য অনেক সময় এবং ধৈর্যের প্রয়োজন হয়।

আর বন্ধুত্বের বিষয়টি নির্ভর করে আপনার বিড়ালের স্বভাব, অন্যদের সঙ্গে মেশার অভ্যাস এবং আপনি তাদের কীভাবে একে অপরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন তার ওপর। তবে মনে রাখবেন, সব বিড়ালই কিন্তু অন্য বিড়ালের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় না!
এর নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। কিছু বিড়াল খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। তারা হয়ত কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই একে অপরের সঙ্গে সাবলীল হয়ে যায়। আবার অনেক ক্ষেত্রে একে অপরের উপস্থিতি সহ্য করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে ৬ মাস বা তার বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাদের মধ্যে কখনই সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে না। এমন পরিস্থিতিতে তারা সাধারণত একে অপরের থেকে দূরে দূরে থাকতেই পছন্দ করে। তবে এমনটা হলে দুশ্চিন্তার খুব বেশি কারণ নেই। তারা একই বাড়িতে নিজেদের মতো করে আলাদা থাকতে পারে।
বিড়ালের স্বভাব বুঝতে হলে আমাদের কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার। প্রাকৃতিকভাবেই বিড়াল একা থাকতে পছন্দ করে। এটা তাদের জন্মগত স্বভাব। তারা মানুষ বা অন্য প্রাণীর সঙ্গে সখ্যতা তৈরি করতে পারে ঠিকই, তবে বন্য পরিবেশে সাধারণত তারা একাকী জীবন কাটায়।

তবে রাস্তার বা বেওয়ারিশ বিড়ালরা খাবারের উৎসের আশেপাশে দলবদ্ধ হয়ে থাকতে পারে। এ ছাড়া এলাকার দখল নিয়ে বিবাদ তৈরি হলে বা প্রজনন মৌসুমে তারা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। আপনি যদি রাস্তার বিড়ালদের কোনো দল খেয়াল করেন, তবে দেখবেন কিছু বিড়াল সবসময় একসঙ্গে থাকে। এর মূল কারণ হলো, এরা হয়ত ছোটবেলা থেকেই একসঙ্গে বড় হয়েছে। অথবা তারা মা ও ছানার দল। একসঙ্গে বড় হওয়া বিড়ালদের মাঝেই কেবল এমন দলবদ্ধতা দেখা যায়।
আপনি হয়ত দিনের একটা সময় ঘরের বিড়ালটির সঙ্গে খেলাধুলা করেন বা আদর করেন। কিন্তু বাকী সময় একে একা কাটাতে হয়। যদি দেখেন, একা থাকার জন্য বিড়ালটি সহজেই বিরক্ত হচ্ছে বা একঘেয়েমিতে ভুগছে, তবে ঘরে নতুন আরেকটি বিড়াল আনার চিন্তা করতে পারেন।
বিশেষ করে বিড়ালছানার ক্ষেত্রে এটা বেশ ভালো কাজ করে। কারণ অল্প বয়সে তারা খুব সহজেই অন্য বিড়ালের সঙ্গে মিশতে পারে।

তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে বেশিরভাগ বিড়াল অন্য সঙ্গী ছাড়াই বেশ সুখে থাকতে পারে। বন্য পরিবেশে তাদের বিচরণ করার জন্য বিশাল এলাকা বা ‘টেরিটরি’ থাকে। সাধারণত তারা অন্য বিড়ালদের সঙ্গে নিজেদের এলাকা ভাগ করে নিতে চায় না। আর এই কারণেই দুটি বিড়ালকে, বিশেষ করে বয়স্ক বিড়ালদের একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
এ ছাড়া অনেক বিড়ালই ঘরে নতুন বিড়াল আসলে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে পারে। আপনার বিড়ালের হয়ত কোনো বন্ধুর প্রয়োজন নেই, তার মানে এই নয় যে নতুন বিড়ালের সঙ্গে একদমই মানিয়ে নিতে পারবে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বও হয়ে যেতে পারে। যদি আপনার বিড়ালদের মানিয়ে নিতে খুব বেশি সমস্যা হয়, তবে কীভাবে নিরাপদ ও সঠিকভাবে তাদের পরিচয় করানো যায়, সে বিষয়ে আপনি পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
.png)

ভাবা যায়, মাত্র চব্বিশ বছরের কাছাকাছি বয়সে শহীদ কাদরী তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম রেখেছিলেন উত্তরাধিকার। আর জীবনের প্রায় শেষ প্রান্তে এসে প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ গোধূলির গান-এর প্রথম কবিতাটি তিনি শুরু করেন দুটো অনিশ্চয়ক শব্দে—‘জানি না’।
১ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহ শহরের ভাটিকাশর কবরস্থান হাজারো মানুষের শেষ ঠিকানার গল্প বলে। আর সেই গল্পের নিত্যদিনের সাক্ষী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের লিটন। প্রায় সাড়ে তিন একর জমির এই সরকারি কবরস্থানে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি ইমাম ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, কবরস্থানের নীরবতার
৪ ঘণ্টা আগে
বন্ধুর কথা শুনে আমি তারেক মাসুদের সিনেমা দেখলাম। এরপর তারেকের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের ‘ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সের’ মাধ্যমে অনেক তরুণ ও প্রতিভাবান চলচ্চিত্র নির্মাতা উঠে এসেছেন। তাদের মধ্যে তারেক মাসুদ ছিলেন অন্যতম উজ্জ্বল প্রতিভা।
২০ ঘণ্টা আগে
ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; তা মানুষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের অন্যতম প্রধান সূত্রও। ভাষাপ্রয়োগের মধ্যে ব্যক্তিমানুষের চিন্তা, সংস্কৃতি, সামাজিক অবস্থান ও পরিচয় নিহিত থাকে। ব্যক্তির কথাবলার ভঙ্গি, শব্দব্যবহারের প্রকৃতি, ধ্বনি-উচ্চারণের প্রবণতা, বাক্যনির্মাণের স্বতন্ত্রতা, ব্যক্তিত
১ দিন আগে