দুই সপ্তাহ পর আংশিক চালু বিকল এলএনজি টার্মিনাল

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

কক্সবাজারের মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুর্ঘটনার পর বন্ধ থাকা ভাসমান এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। দুই সপ্তাহের চেষ্টার পর বুধবার (৫ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনালটির একটি বয়লার সচল করা সম্ভব হয়।

সরকারি সংস্থা রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন স্ট্রিমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে দৈনিক ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। সন্ধ্যা নাগাদ এটি ২৫০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উত্তীর্ণ হবে।

সমুদ্রপথে আনা এলএনজি সংরক্ষণ এবং সরাসরি ব্যবহারযোগ্য গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে দেশে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এখান থেকে দেশে দৈনিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৪০ শতাংশ আসে। মহেশখালীতে এই দুই টার্মিনালের মধ্যে একটি পরিচালনা করে এক্সিলারেট এনার্জি এবং অপরটি করে সামিট।

গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনালের একটি বয়লারে আগুন লাগার পর কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর পুরো টার্মিনাল বন্ধ রাখা হয়। এতে দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেয়। দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় অবশেষে ১৬ দিন পর টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু হলো।

এই টার্মিনালের দৈনিক গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন জানিয়েছেন, টার্মিনালটির একটি বয়লারের মাধ্যমে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ সম্ভব। সন্ধ্যা নাগাদ তা করা সম্ভব হতে পারে। তবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি চালু করতে আরও চার-পাঁচ দিন লাগবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত