স্ট্রিম প্রতিবেদক

পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত গেজেট এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভোট স্থগিতের সিদ্ধান্তের আইনি জটিলতার সুরাহা হতে পারে আগামীকাল। এই দুই আসনের সীমানা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল এবং ইসির নির্বাচন স্থগিতের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানির জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ শুনানির জন্য এই দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে আজ ইসির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। অন্যদিকে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিকী।
সীমানাসংক্রান্ত জটিলতার জেরে গত ১০ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন এবং নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে ইসি। ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন পাবনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।
আবেদনে ইসির স্থগিতাদেশ বাতিল করে ওই দুই আসনে যথাসময়ে নির্বাচন ও নির্বাচনি কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে পাবনা-১ (নির্বাচনি এলাকা ৬৮) ও পাবনা-২ (নির্বাচনি এলাকা ৬৯) আসনের নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সীমানাসংক্রান্ত বিষয়ে গত ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই দুটি আসনের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এক রায়ে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের গেজেটকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে পাবনার সংসদীয় আসন দুটি আগের মতো পুনর্বহাল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত।
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল বর্তমানে বিচারাধীন। এরই মধ্যে গত ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত গত ২৪ ডিসেম্বর জারি করা সংশোধিত গেজেটটির কার্যক্রম স্থগিত করেন।
স্থগিত হওয়া ২৪ ডিসেম্বরের গেজেট অনুযায়ী, পাবনা-১ আসনের সীমানায় সাঁথিয়া উপজেলার সঙ্গে বেড়া পৌরসভা, হাটুরিয়া নাকালিয়া ইউনিয়ন, নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়ন, চাকলা ইউনিয়ন ও কৈটোলা ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। অন্যদিকে পাবনা-২ আসনের সীমানায় সুজানগর উপজেলার সঙ্গে বেড়া উপজেলার বাকি অংশ রাখা হয়েছিল।
আপিল বিভাগ ২৪ ডিসেম্বরের ওই গেজেট স্থগিত করায় আইনগতভাবে ইসির গত ৪ সেপ্টেম্বরের গেজেটটি কার্যকর হয়ে যায়। ওই গেজেটে সাঁথিয়া উপজেলাকে এককভাবে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও সম্পূর্ণ বেড়া উপজেলাকে মিলিয়ে পাবনা-২ আসন হিসেবে বিন্যাস করা হয়েছিল। সীমানা নিয়ে এই দ্বিমুখী অবস্থানের কারণেই ইসি নির্বাচন স্থগিতের পথ বেছে নেয়, যা এখন সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত গেজেট এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভোট স্থগিতের সিদ্ধান্তের আইনি জটিলতার সুরাহা হতে পারে আগামীকাল। এই দুই আসনের সীমানা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল এবং ইসির নির্বাচন স্থগিতের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানির জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ শুনানির জন্য এই দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে আজ ইসির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। অন্যদিকে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিকী।
সীমানাসংক্রান্ত জটিলতার জেরে গত ১০ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন এবং নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে ইসি। ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন পাবনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।
আবেদনে ইসির স্থগিতাদেশ বাতিল করে ওই দুই আসনে যথাসময়ে নির্বাচন ও নির্বাচনি কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে পাবনা-১ (নির্বাচনি এলাকা ৬৮) ও পাবনা-২ (নির্বাচনি এলাকা ৬৯) আসনের নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সীমানাসংক্রান্ত বিষয়ে গত ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই দুটি আসনের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এক রায়ে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের গেজেটকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে পাবনার সংসদীয় আসন দুটি আগের মতো পুনর্বহাল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত।
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল বর্তমানে বিচারাধীন। এরই মধ্যে গত ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত গত ২৪ ডিসেম্বর জারি করা সংশোধিত গেজেটটির কার্যক্রম স্থগিত করেন।
স্থগিত হওয়া ২৪ ডিসেম্বরের গেজেট অনুযায়ী, পাবনা-১ আসনের সীমানায় সাঁথিয়া উপজেলার সঙ্গে বেড়া পৌরসভা, হাটুরিয়া নাকালিয়া ইউনিয়ন, নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়ন, চাকলা ইউনিয়ন ও কৈটোলা ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। অন্যদিকে পাবনা-২ আসনের সীমানায় সুজানগর উপজেলার সঙ্গে বেড়া উপজেলার বাকি অংশ রাখা হয়েছিল।
আপিল বিভাগ ২৪ ডিসেম্বরের ওই গেজেট স্থগিত করায় আইনগতভাবে ইসির গত ৪ সেপ্টেম্বরের গেজেটটি কার্যকর হয়ে যায়। ওই গেজেটে সাঁথিয়া উপজেলাকে এককভাবে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও সম্পূর্ণ বেড়া উপজেলাকে মিলিয়ে পাবনা-২ আসন হিসেবে বিন্যাস করা হয়েছিল। সীমানা নিয়ে এই দ্বিমুখী অবস্থানের কারণেই ইসি নির্বাচন স্থগিতের পথ বেছে নেয়, যা এখন সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরোধের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সাইন্সল্যাব মোড় থেকে সরে গেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর আগে দুপুর থেকে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে তাঁরা অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন।
৭ মিনিট আগে
চলতি অর্থবছরের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমালেও বিশ্বব্যাংক আশা প্রকাশ করেছে, আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি আবার গতি পাবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
২০ মিনিট আগে
দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম, প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী এবং বাংলা ইনসাইডারের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীরকে একটি মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
২৯ মিনিট আগে
ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ৩৫ জনের বিরুদ্ধে একযোগে ১২টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
১ ঘণ্টা আগে