স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ছয় ঘণ্টা রণক্ষেত্র ছিল এলাকা। বিচারহীনতার ক্ষোভ থেকে জনতা পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার আবু জাফর রোডের বিসমিল্লাহ ম্যানশন ভবনে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মা পোশাক কারখানায় কাজ করেন এবং বাবা রিকশাচালক। দুপুরে শিশুটি বাসায় ঘুমানোর সময় পাশের দোকানের কর্মচারী মো. মনির (৩২) তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। প্রতিবেশীরা শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় দেখে সন্দেহভাজন মনিরকে আটক করে একটি মাদ্রাসার ভেতরে তালাবদ্ধ করে রাখেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘শিশুটির কান্না শুনে সন্দেহ হয়। এরপর মনিরকে ধরে মাদ্রাসায় আটকে রাখি।’

জনতার দাবি: ‘ধর্ষককে আমাদের হাতে দেন, আমরা মেরে ফেলব’
বিকেল ৪টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে জনতা অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুলিশকে ঘিরে ধরে। ক্ষুব্ধ জনতা চিৎকার করে বলতে থাকে, ‘ধর্ষককে আমাদের হাতে তুলে দেন, আমরা মেরে ফেলব। বাংলাদেশের আইনে বিচার হয় না।’ তাঁরা দাবি করেন, বহু ধর্ষণ মামলার বিচার না হওয়ায় তাঁরা নিজেরাই ‘বিচার’ করতে চান।
পুলিশ অভিযুক্তকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে জনতা বাধা দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশের সঙ্গে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। একপর্যায়ে র্যাব সদস্যরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব হাসান বলেন, ‘পুলিশ আসামিকে নিতে চাইছিল, কিন্তু এলাকাবাসী ছাড়ছে না। পুলিশ পিছু হটলে জনতা এগিয়ে আসছে, এগোলেই আবার উত্তেজনা বাড়ছে।’

সাংবাদিকদের ওপর গুলি, দুজন গুলিবিদ্ধ
উত্তেজনার সময় ঘটনাস্থলে ফেসবুক লাইভ করার সময় ‘চট্টগ্রাম প্রতিদিন’-এর সাংবাদিক মামুন আবদুল্লাহ ও নোবেল হাসান গুলিবিদ্ধ হন। সংবাদমাধ্যমটির প্রকাশক আয়ান শর্মা বলেন, ‘লাইভ চলাকালে হঠাৎ দেখি গুলি লাগল। মামুনের কোমরে এবং নোবেলের হাতে ও পায়ে গুলি লাগে। আমরা দ্রুত তাঁদের নিয়ে হাসপাতালে যাই।’

প্রথমে তাঁদের চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্র জানায়, নোবেলের আঘাত কিছুটা জটিল হলেও দুজনই এখন চিকিৎসাধীন। পুলিশ জানিয়েছে, জনতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে তারা প্রথমে সাউন্ড গ্রেনেড, পরে টিয়ার শেল এবং শেষে গুলি ছোড়ে। এই ঘটনায় একজন পুলিশ সদস্যও গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়। অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতা পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান ঘিরে ধরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে গাড়ির সামনের অংশ পুড়ে যায়।

৬ ঘণ্টা অস্থিরতার পর পুলিশের হেফাজতে অভিযুক্ত মনির
রাত ১০টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে গভীর রাতে অভিযুক্ত মনিরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বাকলিয়া থানার ওসি মো. সোলাইমান বলেন, ‘প্রায় ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর আমরা আসামিকে হেফাজতে নিতে সক্ষম হয়েছি। জনতা খুবই উত্তেজিত ছিল। আমরা বারবার বলেছি আইন নিজের হাতে নেওয়া যাবে না।’
ওসি আরও জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। মনিরকে মেডিকেল পরীক্ষার পর থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ ও র্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ছয় ঘণ্টা রণক্ষেত্র ছিল এলাকা। বিচারহীনতার ক্ষোভ থেকে জনতা পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার আবু জাফর রোডের বিসমিল্লাহ ম্যানশন ভবনে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মা পোশাক কারখানায় কাজ করেন এবং বাবা রিকশাচালক। দুপুরে শিশুটি বাসায় ঘুমানোর সময় পাশের দোকানের কর্মচারী মো. মনির (৩২) তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। প্রতিবেশীরা শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় দেখে সন্দেহভাজন মনিরকে আটক করে একটি মাদ্রাসার ভেতরে তালাবদ্ধ করে রাখেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘শিশুটির কান্না শুনে সন্দেহ হয়। এরপর মনিরকে ধরে মাদ্রাসায় আটকে রাখি।’

জনতার দাবি: ‘ধর্ষককে আমাদের হাতে দেন, আমরা মেরে ফেলব’
বিকেল ৪টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে জনতা অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুলিশকে ঘিরে ধরে। ক্ষুব্ধ জনতা চিৎকার করে বলতে থাকে, ‘ধর্ষককে আমাদের হাতে তুলে দেন, আমরা মেরে ফেলব। বাংলাদেশের আইনে বিচার হয় না।’ তাঁরা দাবি করেন, বহু ধর্ষণ মামলার বিচার না হওয়ায় তাঁরা নিজেরাই ‘বিচার’ করতে চান।
পুলিশ অভিযুক্তকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে জনতা বাধা দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশের সঙ্গে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। একপর্যায়ে র্যাব সদস্যরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব হাসান বলেন, ‘পুলিশ আসামিকে নিতে চাইছিল, কিন্তু এলাকাবাসী ছাড়ছে না। পুলিশ পিছু হটলে জনতা এগিয়ে আসছে, এগোলেই আবার উত্তেজনা বাড়ছে।’

সাংবাদিকদের ওপর গুলি, দুজন গুলিবিদ্ধ
উত্তেজনার সময় ঘটনাস্থলে ফেসবুক লাইভ করার সময় ‘চট্টগ্রাম প্রতিদিন’-এর সাংবাদিক মামুন আবদুল্লাহ ও নোবেল হাসান গুলিবিদ্ধ হন। সংবাদমাধ্যমটির প্রকাশক আয়ান শর্মা বলেন, ‘লাইভ চলাকালে হঠাৎ দেখি গুলি লাগল। মামুনের কোমরে এবং নোবেলের হাতে ও পায়ে গুলি লাগে। আমরা দ্রুত তাঁদের নিয়ে হাসপাতালে যাই।’

প্রথমে তাঁদের চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্র জানায়, নোবেলের আঘাত কিছুটা জটিল হলেও দুজনই এখন চিকিৎসাধীন। পুলিশ জানিয়েছে, জনতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে তারা প্রথমে সাউন্ড গ্রেনেড, পরে টিয়ার শেল এবং শেষে গুলি ছোড়ে। এই ঘটনায় একজন পুলিশ সদস্যও গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়। অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতা পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান ঘিরে ধরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে গাড়ির সামনের অংশ পুড়ে যায়।

৬ ঘণ্টা অস্থিরতার পর পুলিশের হেফাজতে অভিযুক্ত মনির
রাত ১০টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে গভীর রাতে অভিযুক্ত মনিরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বাকলিয়া থানার ওসি মো. সোলাইমান বলেন, ‘প্রায় ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর আমরা আসামিকে হেফাজতে নিতে সক্ষম হয়েছি। জনতা খুবই উত্তেজিত ছিল। আমরা বারবার বলেছি আইন নিজের হাতে নেওয়া যাবে না।’
ওসি আরও জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। মনিরকে মেডিকেল পরীক্ষার পর থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ ও র্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে তার সহপাঠী ও এলাকাবাসী। শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর পল্লবীতে রামিসার বাসার সামনে কর্মসূচিতে তারা অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
৩ ঘণ্টা আগে
বান্দরবানের আলীকদমের করুকপাতার ইউনিয়নে হামের প্রাদুর্ভাবে জুমচাষ ব্যাহত হওয়ায় পাহাড়ি পরিবারগুলোতে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অসুস্থদের নিয়ে হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় জমিতে যেতে পারছেন না চাষিরা।
৩ ঘণ্টা আগে
সংসদ থেকে খুনিদের পক্ষ নেওয়ার কারণেই ত্বকী হত্যার বিচার বন্ধ হয়েছিল। বিচারহীনতার সেই চক্র এখনো ভাঙেনি বলে অভিযোগ অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদের।
৪ ঘণ্টা আগে
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) সংঘর্ষ, হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত থাকায় ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
৪ ঘণ্টা আগে