leadT1ad

জবির প্রশাসনিক ভবনে তালা, উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ৪৩
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

বিশেষ বৃত্তির দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে কর্মসূচি পালন করছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শারমীন ভবনের ভেতরে আটকা পড়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত তাঁরা টানা ৮ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রয়েছেন।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। বেলা ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।

বিকেল ৩টার দিকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমীন। তিনি বলেন, “২০তম ব্যাচ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম একটি গৌরবান্বিত ব্যাচ। প্রথম বর্ষে পুরান ঢাকার ঘিঞ্জি পরিবেশে শিক্ষার্থীদের নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রথম কিস্তিতে যুক্ত করলে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। চলমান পাঁচটি ব্যাচ অনুযায়ী তাঁরা (১৫তম ব্যাচ) বৃত্তি পাবেন না। কিন্তু যমুনার আন্দোলনে তাঁদের ভূমিকা অগ্রগণ্য ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আমার একার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো কিছু হবে না। এটি এক মিনিটে নেওয়ার মতো সিদ্ধান্তও নয়। আমরা কমিটির সবার সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধানের চেষ্টা করব।”

এর আগে সকালে আবাসন ভাতার দাবিতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি কলাভবন, শহীদ সাজিদ ভবন ও বিজ্ঞান অনুষদের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন।

কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল ‘২০ ব্যাচের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ এবং ‘স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত, মানি না মানব না’। এ ছাড়া ‘১, ২, ৩, ৪ বৃত্তি মোদের অধিকার’ এবং ‘জকসু ও প্রশাসন, দুই দেহ এক মন’ স্লোগানে ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে ওঠে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ২০তম ব্যাচের একটি প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে বলে জানা গেছে।

ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগের শিক্ষার্থী রাব্বি জানান, তাঁদের একটি প্রতিনিধিদল কোষাধ্যক্ষ মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করছে। লিখিত আশ্বাস ছাড়া তাঁরা সেখান থেকে যাবেন না।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত