বিএনপিকে নূরুল কবীর
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপিকে সতর্ক করে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেছেন, এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা দেখে সাধারণ মানুষ মনে করে—‘খালেদা জিয়া মরে বেঁচে গেছেন’। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
নূরুল কবীর বলেন, খালেদা জিয়ার রুচিশীলতা ও পরিমিতিবোধ ছিল অনন্য। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যখন শালীনতার অভাব প্রকট, তখনও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। নিজের ও পরিবারের ওপর নেমে আসা বিপর্যয়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি কখনো নিন্দাসূচক বাক্য উচ্চারণ করেননি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছ থেকে চরম আঘাত ও দুর্ভোগ সয়েও খালেদা জিয়া প্রকাশ্যে নিজের বেদনা, ক্ষোভ বা নিন্দাসূচক বক্তব্য দেননি। আজকের অসহিষ্ণু সময়ে এই সংযম ও আত্মমর্যাদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জানাজায় লাখো মানুষকে কথা দিয়েছিলেন যে রাজনীতি খালেদা জিয়ার আদর্শে চলবে। আমি অনুরোধ করব, কথাটি রাখার চেষ্টা করবেন। এমন পরিস্থিতি তৈরি করবেন না, যাতে সেদিনের লাখো মানুষ আক্ষেপ করে বলে—তাঁকে এসব দেখতে হচ্ছে না।’
শোকসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, লেখক মহিউদ্দিন আহমদ, ফাহাম আবদুস সালাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপিকে সতর্ক করে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেছেন, এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা দেখে সাধারণ মানুষ মনে করে—‘খালেদা জিয়া মরে বেঁচে গেছেন’। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
নূরুল কবীর বলেন, খালেদা জিয়ার রুচিশীলতা ও পরিমিতিবোধ ছিল অনন্য। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যখন শালীনতার অভাব প্রকট, তখনও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। নিজের ও পরিবারের ওপর নেমে আসা বিপর্যয়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি কখনো নিন্দাসূচক বাক্য উচ্চারণ করেননি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছ থেকে চরম আঘাত ও দুর্ভোগ সয়েও খালেদা জিয়া প্রকাশ্যে নিজের বেদনা, ক্ষোভ বা নিন্দাসূচক বক্তব্য দেননি। আজকের অসহিষ্ণু সময়ে এই সংযম ও আত্মমর্যাদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জানাজায় লাখো মানুষকে কথা দিয়েছিলেন যে রাজনীতি খালেদা জিয়ার আদর্শে চলবে। আমি অনুরোধ করব, কথাটি রাখার চেষ্টা করবেন। এমন পরিস্থিতি তৈরি করবেন না, যাতে সেদিনের লাখো মানুষ আক্ষেপ করে বলে—তাঁকে এসব দেখতে হচ্ছে না।’
শোকসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, লেখক মহিউদ্দিন আহমদ, ফাহাম আবদুস সালাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নারীর ক্ষমতায়নে একদিকে সরকার ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছে অন্যদিকে সরকারি দলের নেতাকর্মীরা নারীর প্রতি সহিংসতা চালাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
১ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত বর সাব্বিরসহ তার পরিবারের ৯ সদস্যকে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমার নামাজ শেষে মোংলা পৌরসভার সরকারি কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
২ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মির্জা আব্বাসকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টাও।
২ ঘণ্টা আগে