জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে সাড়ে ৪ শতাংশ করল এডিবি

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরও কমিয়ে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। জ্বালানি সংকট ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে বড় বাধা হবে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

বুধবার (৮ জুলাই) প্রকাশিত ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৬’ প্রতিবেদনে এডিবি এই পূর্বাভাস দিয়েছে।

একই সঙ্গে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাসেও সূচক বাড়িয়েছে এডিবি। এর আগে গত এপ্রিলে প্রকাশিত পূর্বাভাসে সংস্থাটি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা করেছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৩ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বলে ধারণা করছে এডিবি। এটি সংস্থাটির আগের ৪ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়েও কম। পাশাপাশি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দেওয়া ৪ দশমিক ১৪ শতাংশের সাময়িক হিসাবের চেয়েও কম।

এডিবির ভাষ্য, দুর্বল রপ্তানি, বেসরকারি বিনিয়োগের ধীরগতি এবং সরবরাহব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে। তবে অভ্যন্তরীণ চাহিদা তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় অর্থনীতি কিছুটা সহায়তা পেয়েছে।

অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়েও সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এডিবি চলতি অর্থবছরের মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস ৮ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮ দশমিক ৮ শতাংশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের উচ্চ ব্যয় দ্বিতীয় ধাপের মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যা সামগ্রিকভাবে মূল্যস্তরকে দীর্ঘ সময় ওপরে ধরে রাখবে।

এদিকে বাংলাদেশ সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এডিবির সর্বশেষ পূর্বাভাস সেই লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। অন্যদিকে সরকার মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, অথচ এডিবি বলছে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশের নিচে নামবে না।

Ad 300x250

সম্পর্কিত