স্ট্রিম প্রতিবেদক

সাদিয়া রশ্নি সূচনাকে নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। সামাজিক মাধ্যম আলোচনা-সমালোচনায় সয়লাব তাঁর উপস্থাপনা। গত ৪ জুলাই রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলনে’ উপস্থাপনার পর সূচনাকে নিয়ে একাধিক পোস্ট ছড়ায়।
এসব পোস্টে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কাজ করা সূচনা কীভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি– এমন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হলেন? মূলত সূচনা নিজেই ফেসবুক পোস্টে অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করার তথ্যসহ পোস্ট দেন।
এরপর তাঁর পুরোনো ছবি ও পোস্টের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে। সামনে আসে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও আয়োজনে তাঁর আগের ভূমিকা। অভিযোগ ওঠে, ক্ষমতা বদলের পরও আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিসরে কাজ করা ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে জায়গা পাচ্ছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ হয়। ‘জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি’ যৌথভাবে এর আয়োজক।
সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধারা অংশ নেন। তারা নিজেদের কষ্ট, দীর্ঘ অপেক্ষা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ওইদিন সম্মেলন ও নিজের উপস্থাপনার ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন সূচনা। সেখানে তিনি লেখেন, ‘একদম রিহার্সেল ও স্ক্রিপ্ট ছাড়া উপস্থাপনা করতে হলো, তাও আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে! সুন্দরভাবে যে শেষ হবে, এটা কল্পনারও বাইরে ছিল।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আজকের আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। দেশের একজন নাগরিক হিসেবে এবং উপস্থাপক হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানাতে পারাটা নিঃসন্দেহে দারুণ একটি অভিজ্ঞতা।’
অনুষ্ঠানের পর ফেসবুকে একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়, সূচনা আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
একটি পোস্টে সূচনার পুরোনো ছবি, ফেসবুকের পোস্ট এবং আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আয়োজনে তাঁর উপস্থিতির কথা একসঙ্গে তুলে ধরা হয়। পোস্টটিতে সূচনার সিআরআইয়ের সঙ্গে কাজ, ‘জয় বাংলা কনসার্ট’ এবং ‘শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার প্রসঙ্গ তোলা হয়। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও নেতাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলেও দাবি করা হয়।
প্রশ্ন তোলা হয়, এমন পটভূমির একজন ব্যক্তি কীভাবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ উপস্থাপনার সুযোগ পেলেন? পোস্টে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সুযোগ পাচ্ছেন। সূচনাকে কে এই অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নিয়েছেন এবং কেন, সেই প্রশ্নও তোলা হয়।
পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে অনেক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একজন লিখেছেন, ‘বিএনপি আসলে কোনো দিনও শিক্ষা নেবে না। সব দালাল বাটপারদের দলের সব সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে। আর যারা বছরের পর বছর নির্যাতিত ছিল, তাদের বিএনপি এখন চিনেই না। এই প্রোগামের দায়িত্ব এ যারা ছিল, তাদের দলের প্রতি ন্যূনতম দায়বদ্ধতা নেই। আশা করি, পিএম এই সব দালাল বাটপারদের থেকে দূরে থাকবেন। না হলে ভরাডুবি কেউ আর ঠেকাতে পারবে না।’
আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘এসব দেখে একটাই আফসোস হয়, যে বিএনপির সমর্থন না করে বিরোধিতা করলেই বোধহয় নিজ দলের কাছে প্রিয় হতাম!’
আরেক পোস্টের ক্যাপশনে সূচনাকে আওয়ামী লীগের ‘প্রোপাগান্ডা সেল’-এর গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, তিনি সিআরআইয়ের সক্রিয় সদস্য ছিলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন বড় অনুষ্ঠান ও প্রচারমূলক আয়োজন উপস্থাপনা করতেন। তৎকালীন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।
পোস্টে আরও বলা হয়, ‘জয় বাংলা কনসার্ট’ ও ‘শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার পরও সূচনা কীভাবে সরকার পরিবর্তনের পর প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’-এর মঞ্চে জায়গা পেলেন, তা ‘রহস্যজনক’। এর সঙ্গে বিএনপিতে ‘অনুপ্রবেশ’, আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠদের ‘পুনর্বাসন’ এবং ত্যাগী কর্মীদের বাদ দিয়ে ‘সুবিধাবাদীদের’ সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
আরেক পোস্টে সূচনাকে সরাসরি ‘খাঁটি আওয়ামী দালাল’ বলা হয়। পোস্টদাতা তাঁর বিরুদ্ধে খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট করার অভিযোগ তোলেন।
এই ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে।
সাদিয়া রশ্নি সূচনা পেশায় উপস্থাপক। দৈনিক ইত্তেফাকের ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সূচনা বাংলাভিশন, এটিএন বাংলা ও বিটিভির একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘দিন প্রতিদিন’, ‘সদাই পাতি’, ‘হিজল তমাল’ ও জাগরণ’। বাংলাভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ‘দিন প্রতিদিন’-এর উপস্থাপক হিসেবে তাঁকে দেখা যায়।
সূচনার ফেসবুক পোস্ট ঘেঁটে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি আয়োজনেও উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ৭ মার্চ চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম থেকে ‘জয় বাংলা কনসার্ট ২০২৪’-এর ছবি পোস্ট করেন সূচনা।
সূচনার লিংকডইন প্রোফাইলে ২০২৩ সালের মে থেকে ‘লেটস টক, ইয়াং বাংলা, সিআরআই’-এর মডারেটর হিসেবে কাজের কথা উল্লেখ রয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সিআরআই আয়োজিত ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’ অনুষ্ঠানে ৩০০-এর বেশি তরুণ অংশ নেন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ওই অনুষ্ঠানে সূচনার অংশ নেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। প্রশ্নোত্তরের একটি পর্বে সূচনা বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী হলে এই সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করব, যাতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা আমাদের সবখানে অগ্রাধিকার পায় এবং তাদের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ঢাকা আসতে না হয়।’
শুধু আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট আয়োজন বা ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও সূচনাকে উপস্থাপনা করতে দেখা যায়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সফরে আসা তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তার সম্মানে আয়োজিত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও নৈশভোজ সঞ্চালনার ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন সূচনা।

সাদিয়া রশ্নি সূচনাকে নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। সামাজিক মাধ্যম আলোচনা-সমালোচনায় সয়লাব তাঁর উপস্থাপনা। গত ৪ জুলাই রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলনে’ উপস্থাপনার পর সূচনাকে নিয়ে একাধিক পোস্ট ছড়ায়।
এসব পোস্টে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কাজ করা সূচনা কীভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি– এমন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হলেন? মূলত সূচনা নিজেই ফেসবুক পোস্টে অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করার তথ্যসহ পোস্ট দেন।
এরপর তাঁর পুরোনো ছবি ও পোস্টের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে। সামনে আসে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও আয়োজনে তাঁর আগের ভূমিকা। অভিযোগ ওঠে, ক্ষমতা বদলের পরও আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিসরে কাজ করা ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে জায়গা পাচ্ছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ হয়। ‘জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি’ যৌথভাবে এর আয়োজক।
সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধারা অংশ নেন। তারা নিজেদের কষ্ট, দীর্ঘ অপেক্ষা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ওইদিন সম্মেলন ও নিজের উপস্থাপনার ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন সূচনা। সেখানে তিনি লেখেন, ‘একদম রিহার্সেল ও স্ক্রিপ্ট ছাড়া উপস্থাপনা করতে হলো, তাও আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে! সুন্দরভাবে যে শেষ হবে, এটা কল্পনারও বাইরে ছিল।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আজকের আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। দেশের একজন নাগরিক হিসেবে এবং উপস্থাপক হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানাতে পারাটা নিঃসন্দেহে দারুণ একটি অভিজ্ঞতা।’
অনুষ্ঠানের পর ফেসবুকে একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়, সূচনা আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
একটি পোস্টে সূচনার পুরোনো ছবি, ফেসবুকের পোস্ট এবং আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আয়োজনে তাঁর উপস্থিতির কথা একসঙ্গে তুলে ধরা হয়। পোস্টটিতে সূচনার সিআরআইয়ের সঙ্গে কাজ, ‘জয় বাংলা কনসার্ট’ এবং ‘শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার প্রসঙ্গ তোলা হয়। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও নেতাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলেও দাবি করা হয়।
প্রশ্ন তোলা হয়, এমন পটভূমির একজন ব্যক্তি কীভাবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ উপস্থাপনার সুযোগ পেলেন? পোস্টে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সুযোগ পাচ্ছেন। সূচনাকে কে এই অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নিয়েছেন এবং কেন, সেই প্রশ্নও তোলা হয়।
পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে অনেক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একজন লিখেছেন, ‘বিএনপি আসলে কোনো দিনও শিক্ষা নেবে না। সব দালাল বাটপারদের দলের সব সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে। আর যারা বছরের পর বছর নির্যাতিত ছিল, তাদের বিএনপি এখন চিনেই না। এই প্রোগামের দায়িত্ব এ যারা ছিল, তাদের দলের প্রতি ন্যূনতম দায়বদ্ধতা নেই। আশা করি, পিএম এই সব দালাল বাটপারদের থেকে দূরে থাকবেন। না হলে ভরাডুবি কেউ আর ঠেকাতে পারবে না।’
আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘এসব দেখে একটাই আফসোস হয়, যে বিএনপির সমর্থন না করে বিরোধিতা করলেই বোধহয় নিজ দলের কাছে প্রিয় হতাম!’
আরেক পোস্টের ক্যাপশনে সূচনাকে আওয়ামী লীগের ‘প্রোপাগান্ডা সেল’-এর গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, তিনি সিআরআইয়ের সক্রিয় সদস্য ছিলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন বড় অনুষ্ঠান ও প্রচারমূলক আয়োজন উপস্থাপনা করতেন। তৎকালীন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।
পোস্টে আরও বলা হয়, ‘জয় বাংলা কনসার্ট’ ও ‘শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার পরও সূচনা কীভাবে সরকার পরিবর্তনের পর প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’-এর মঞ্চে জায়গা পেলেন, তা ‘রহস্যজনক’। এর সঙ্গে বিএনপিতে ‘অনুপ্রবেশ’, আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠদের ‘পুনর্বাসন’ এবং ত্যাগী কর্মীদের বাদ দিয়ে ‘সুবিধাবাদীদের’ সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
আরেক পোস্টে সূচনাকে সরাসরি ‘খাঁটি আওয়ামী দালাল’ বলা হয়। পোস্টদাতা তাঁর বিরুদ্ধে খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট করার অভিযোগ তোলেন।
এই ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে।
সাদিয়া রশ্নি সূচনা পেশায় উপস্থাপক। দৈনিক ইত্তেফাকের ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সূচনা বাংলাভিশন, এটিএন বাংলা ও বিটিভির একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘দিন প্রতিদিন’, ‘সদাই পাতি’, ‘হিজল তমাল’ ও জাগরণ’। বাংলাভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ‘দিন প্রতিদিন’-এর উপস্থাপক হিসেবে তাঁকে দেখা যায়।
সূচনার ফেসবুক পোস্ট ঘেঁটে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি আয়োজনেও উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ৭ মার্চ চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম থেকে ‘জয় বাংলা কনসার্ট ২০২৪’-এর ছবি পোস্ট করেন সূচনা।
সূচনার লিংকডইন প্রোফাইলে ২০২৩ সালের মে থেকে ‘লেটস টক, ইয়াং বাংলা, সিআরআই’-এর মডারেটর হিসেবে কাজের কথা উল্লেখ রয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সিআরআই আয়োজিত ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’ অনুষ্ঠানে ৩০০-এর বেশি তরুণ অংশ নেন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ওই অনুষ্ঠানে সূচনার অংশ নেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। প্রশ্নোত্তরের একটি পর্বে সূচনা বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী হলে এই সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করব, যাতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা আমাদের সবখানে অগ্রাধিকার পায় এবং তাদের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ঢাকা আসতে না হয়।’
শুধু আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট আয়োজন বা ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও সূচনাকে উপস্থাপনা করতে দেখা যায়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সফরে আসা তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তার সম্মানে আয়োজিত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও নৈশভোজ সঞ্চালনার ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন সূচনা।
.png)

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম—ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবকে ‘আসক্তিকর’ এবং শিশুদের সুরক্ষায় অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে একটি রায় দিয়েছে।
২৬ মার্চ ২০২৬
নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের কাছে সরাসরি জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ব্যতিক্রমী এক ‘লাইভ ক্লাস’ চালু করেছেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের তরুণ সংসদ সদস্য ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
১১ মার্চ ২০২৬
ঈদের কেনাকাটা করতে জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের সাভার আউটলেটে গিয়েছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী এক ব্যক্তি। তবে তাঁকে এসময় ভেতরে প্রবেশ করতে বাঁধা দেন আউটলেটের নিরাপত্তা কর্মীরা।
০৮ মার্চ ২০২৬
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তাঁর পোষা বিড়াল ‘জেবু’। চালু করা হয়েছে ‘জেবু–দ্য ক্যাট’ নামের একটি ফেসবুক পেজ।
২৫ ডিসেম্বর ২০২৫