স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঘড়িতে তখন ৭৯ মিনিট। স্কোরবোর্ডে জ্বলজ্বল করছে- মিসর ২, আর্জেন্টিনা ০। অ্যাটলান্টার গ্যালারিতে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটনের গন্ধ, বেঞ্চে বসা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চোখে-মুখে গভীর স্তব্ধতা। তারপর যা ঘটল, সেটাকে শুধু ‘কামব্যাক’ বলা যায় না, জুড়তে হয় অবিশ্বাস্যও।
শেষের মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে বদলে গেছে পুরো ম্যাচের ভাগ্য। রোমেরোর হেড, মেসির জাদুকরী শট, আর যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজের নিখুঁত হেড- তিনটা গোল, আর্জেন্টিনা কোয়ার্টারে, ৯০ মিনিটের ম্যাচে, ৮০ মিনিট এগিয়ে থেকেও মিসরের বিদায়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শেষ ষোলোর এই ম্যাচে ৩-২ ব্যবধানে মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত রইল আর্জেন্টিনা।
অথচ শুরুটা ছিল অন্য রকম। মাঝমাঠে রাজত্ব করছিল মিসর, বারবার বল হারিয়ে ছন্নছাড়া দেখাচ্ছিল আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচ মাঠে গড়ানোর মাত্র ১৫ মিনিটেই সেই দাপটে সুফলও মিলেছিল- শর্ট কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে অবিশ্বাস্য টাইমিংয়ে লাফিয়ে দুর্দান্ত হেডে মিসরকে এগিয়ে নেন ইয়াসের ইব্রাহিম। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কাছে হারের পর এই প্রথম প্রথমার্ধে গোল হজম করল আর্জেন্টিনা।
তবে চার মিনিট পরেই সমতায় ফেরার সুযোগ—পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। শট নিতে এগিয়ে যান মেসি। রেফারির বাঁশি বাজলো, এগিয়ে গিয়ে ডানপ্রান্ত বরাবর শট নিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। কিন্তু মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেরের দুর্দান্ত কিপিংয়ে হার মানল স্পট-কিক। গ্রুপ পর্বে অস্ট্রিয়ার পর এবার মিসর- এক আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম ফুটবলার হয়ে গেলেন মেসি।
এরপরও একের পর এক আক্রমণ করে গেছে আর্জেন্টিনা; কিন্তু মিসরের গোলপোস্টে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন শোবের। একের পর এক অবিশ্বাস্য সেভে মেসি-আলভারেজদের হতাশ করে গেছেন পুরো ম্যাচ।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে মিসর। ৬২ মিনিটে সালাহ-হাসানের দুর্দান্ত পাসিংয়ে তৈরি আক্রমণ থেকে চোখ ধাধানো শটে গোল করেন জিকো। কিন্তু রেফারির ভিএআর চেকে বাতিল হয় সেই গোল। মাত্র কয়েক মিনিট পর একই বিল্ডআপ; ইমি মার্টিনেজকে ফাঁকি দিয়ে আবারও আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠালেন জিকো—মিসর ২-০। গ্যালারিতে তখন লাল-সাদা পতাকার উৎসব, বেঞ্চে বেদনার নীল নীরবতা।
তারপরই শুরু সেই অবিশ্বাস্য ১৩ মিনিট। ৭৯ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান কমান ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। মাত্র সাড়ে চার মিনিট পর ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিজের চেনা জাদুকরী শটে সমতা ফেরান মেসি নিজেই। বিশ্বকাপে তাঁর ২১তম, চলতি আসরে ৮ম গোল।
ম্যাচ তখন চলছে যোগ করা সময়, গ্যালারিতে চলছে অতিরিক্ত সময়ের প্রহর গণনা, ঠিক তখনই লিসান্দ্রো মার্তিনেজের নিখুঁত ক্রস থেকে নিখুঁত এক হেডে মিসরের জালে বল জড়ালেন এনজো ফার্নান্দেজ। আর্জেন্টিনা ৩, মিসর ২। বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটনের এত কাছে গিয়েও খালি হাতে ফিরল মিসর।
মাঠের বাইরে অবশ্য গল্পটা থামেনি। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন মিসর কোচ হোসাম হাসান, সরাসরি আঙুল তুলেছেন রেফারি ও ফিফার দিকে। হাসান বলেন, ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চেয়ে আমরা ভালো খেলেছি। প্রায় সব দিকেই আমরা এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু মাঠের ভেতরের কিছু সিদ্ধান্ত এবং মাঠের বাইরের কিছু বিষয় ম্যাচের ফলকে প্রভাবিত করেছে।’
ইঙ্গিতপূর্ণ কণ্ঠে তিনি যোগ করেন, ‘হয়তো তারা চেয়েছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা টুর্নামেন্টে টিকে থাকুক। হয়তো তারা চেয়েছিল মেসি প্রতিযোগিতায় থাকুক।’ ম্যাচের রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের নিয়োগ নিয়ে আগে থেকেই মিসরের আপত্তি ছিল বলেও জানান তিনি। তার দাবি, ‘ফ্রান্স-আর্জেন্টিনার অতীতের কারণে আমরা রেফারি নির্বাচনের বিরোধিতা করেছিলাম। এতে শেষ পর্যন্ত ভুগতে হয়েছে আমাদেরই।’ সালাহকে করা ফাউল আর ম্যাক আলিস্টারের জার্সি টানার প্রসঙ্গে হোসাম বলেন, ‘আমরা সম্মান বা ফেয়ার প্লে কিছুই পাইনি … বাস্তব জীবন অন্যায্য হতে পারে, কিন্তু খেলাধুলায়ও কেন ন্যায্যতা থাকবে না?’
কোচের চেয়ে আরও একধাপ এগিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন মিসরের মিডফিল্ডার মোস্তাফা জিকো। নিজের বাতিল হওয়া গোল আর জয়সূচক গোলের আগের সম্ভাব্য ফাউলে রেফারির দুই রকম সিদ্ধান্তই নিয়েই অভিযোগ তার। ম্যাচের পরপরই জিকো বলেন, ‘রেফারির পারফরম্যান্স ভালো ছিল না। তিনি পরিষ্কার অবিচার করেছেন। ম্যাচের শুরু থেকেই তিনি আমাদের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দিয়ে গেছেন। তিনি চাননি আমরা জিতি।’
জিকোর দাবি, ‘ম্যাচটি আগেই ঠিক করে রাখা ছিল। এটা আমাদের দোষ নয় … আমরা ২-০ গোলে এগিয়ে ছিলাম। এর পর থেকেই তিনি একের পর এক আমাদের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দিতে থাকেন।’ শেষে বিদ্রুপের সুরে যোগ করেন, ‘আর্জেন্টিনাকে আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের আগাম অভিনন্দন জানিয়ে রাখছি—দেখেটেখে এমনটাই মনে হচ্ছে।’
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ফিফা বা ম্যাচ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ঘড়িতে তখন ৭৯ মিনিট। স্কোরবোর্ডে জ্বলজ্বল করছে- মিসর ২, আর্জেন্টিনা ০। অ্যাটলান্টার গ্যালারিতে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটনের গন্ধ, বেঞ্চে বসা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চোখে-মুখে গভীর স্তব্ধতা। তারপর যা ঘটল, সেটাকে শুধু ‘কামব্যাক’ বলা যায় না, জুড়তে হয় অবিশ্বাস্যও।
শেষের মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে বদলে গেছে পুরো ম্যাচের ভাগ্য। রোমেরোর হেড, মেসির জাদুকরী শট, আর যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজের নিখুঁত হেড- তিনটা গোল, আর্জেন্টিনা কোয়ার্টারে, ৯০ মিনিটের ম্যাচে, ৮০ মিনিট এগিয়ে থেকেও মিসরের বিদায়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শেষ ষোলোর এই ম্যাচে ৩-২ ব্যবধানে মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত রইল আর্জেন্টিনা।
অথচ শুরুটা ছিল অন্য রকম। মাঝমাঠে রাজত্ব করছিল মিসর, বারবার বল হারিয়ে ছন্নছাড়া দেখাচ্ছিল আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচ মাঠে গড়ানোর মাত্র ১৫ মিনিটেই সেই দাপটে সুফলও মিলেছিল- শর্ট কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে অবিশ্বাস্য টাইমিংয়ে লাফিয়ে দুর্দান্ত হেডে মিসরকে এগিয়ে নেন ইয়াসের ইব্রাহিম। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কাছে হারের পর এই প্রথম প্রথমার্ধে গোল হজম করল আর্জেন্টিনা।
তবে চার মিনিট পরেই সমতায় ফেরার সুযোগ—পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। শট নিতে এগিয়ে যান মেসি। রেফারির বাঁশি বাজলো, এগিয়ে গিয়ে ডানপ্রান্ত বরাবর শট নিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। কিন্তু মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেরের দুর্দান্ত কিপিংয়ে হার মানল স্পট-কিক। গ্রুপ পর্বে অস্ট্রিয়ার পর এবার মিসর- এক আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম ফুটবলার হয়ে গেলেন মেসি।
এরপরও একের পর এক আক্রমণ করে গেছে আর্জেন্টিনা; কিন্তু মিসরের গোলপোস্টে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন শোবের। একের পর এক অবিশ্বাস্য সেভে মেসি-আলভারেজদের হতাশ করে গেছেন পুরো ম্যাচ।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে মিসর। ৬২ মিনিটে সালাহ-হাসানের দুর্দান্ত পাসিংয়ে তৈরি আক্রমণ থেকে চোখ ধাধানো শটে গোল করেন জিকো। কিন্তু রেফারির ভিএআর চেকে বাতিল হয় সেই গোল। মাত্র কয়েক মিনিট পর একই বিল্ডআপ; ইমি মার্টিনেজকে ফাঁকি দিয়ে আবারও আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠালেন জিকো—মিসর ২-০। গ্যালারিতে তখন লাল-সাদা পতাকার উৎসব, বেঞ্চে বেদনার নীল নীরবতা।
তারপরই শুরু সেই অবিশ্বাস্য ১৩ মিনিট। ৭৯ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান কমান ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। মাত্র সাড়ে চার মিনিট পর ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিজের চেনা জাদুকরী শটে সমতা ফেরান মেসি নিজেই। বিশ্বকাপে তাঁর ২১তম, চলতি আসরে ৮ম গোল।
ম্যাচ তখন চলছে যোগ করা সময়, গ্যালারিতে চলছে অতিরিক্ত সময়ের প্রহর গণনা, ঠিক তখনই লিসান্দ্রো মার্তিনেজের নিখুঁত ক্রস থেকে নিখুঁত এক হেডে মিসরের জালে বল জড়ালেন এনজো ফার্নান্দেজ। আর্জেন্টিনা ৩, মিসর ২। বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটনের এত কাছে গিয়েও খালি হাতে ফিরল মিসর।
মাঠের বাইরে অবশ্য গল্পটা থামেনি। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন মিসর কোচ হোসাম হাসান, সরাসরি আঙুল তুলেছেন রেফারি ও ফিফার দিকে। হাসান বলেন, ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চেয়ে আমরা ভালো খেলেছি। প্রায় সব দিকেই আমরা এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু মাঠের ভেতরের কিছু সিদ্ধান্ত এবং মাঠের বাইরের কিছু বিষয় ম্যাচের ফলকে প্রভাবিত করেছে।’
ইঙ্গিতপূর্ণ কণ্ঠে তিনি যোগ করেন, ‘হয়তো তারা চেয়েছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা টুর্নামেন্টে টিকে থাকুক। হয়তো তারা চেয়েছিল মেসি প্রতিযোগিতায় থাকুক।’ ম্যাচের রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের নিয়োগ নিয়ে আগে থেকেই মিসরের আপত্তি ছিল বলেও জানান তিনি। তার দাবি, ‘ফ্রান্স-আর্জেন্টিনার অতীতের কারণে আমরা রেফারি নির্বাচনের বিরোধিতা করেছিলাম। এতে শেষ পর্যন্ত ভুগতে হয়েছে আমাদেরই।’ সালাহকে করা ফাউল আর ম্যাক আলিস্টারের জার্সি টানার প্রসঙ্গে হোসাম বলেন, ‘আমরা সম্মান বা ফেয়ার প্লে কিছুই পাইনি … বাস্তব জীবন অন্যায্য হতে পারে, কিন্তু খেলাধুলায়ও কেন ন্যায্যতা থাকবে না?’
কোচের চেয়ে আরও একধাপ এগিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন মিসরের মিডফিল্ডার মোস্তাফা জিকো। নিজের বাতিল হওয়া গোল আর জয়সূচক গোলের আগের সম্ভাব্য ফাউলে রেফারির দুই রকম সিদ্ধান্তই নিয়েই অভিযোগ তার। ম্যাচের পরপরই জিকো বলেন, ‘রেফারির পারফরম্যান্স ভালো ছিল না। তিনি পরিষ্কার অবিচার করেছেন। ম্যাচের শুরু থেকেই তিনি আমাদের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দিয়ে গেছেন। তিনি চাননি আমরা জিতি।’
জিকোর দাবি, ‘ম্যাচটি আগেই ঠিক করে রাখা ছিল। এটা আমাদের দোষ নয় … আমরা ২-০ গোলে এগিয়ে ছিলাম। এর পর থেকেই তিনি একের পর এক আমাদের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দিতে থাকেন।’ শেষে বিদ্রুপের সুরে যোগ করেন, ‘আর্জেন্টিনাকে আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের আগাম অভিনন্দন জানিয়ে রাখছি—দেখেটেখে এমনটাই মনে হচ্ছে।’
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ফিফা বা ম্যাচ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্বকাপের শেষ ১৬-এর ম্যাচে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ১৪ মিনিটে ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় মিসর। এরপর ২১ মিনিটে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি পেনাল্টি মিস করে সমতায় ফেরার সুযোগ হারান।
১২ ঘণ্টা আগে
শিরোপা ধরে রাখার মিশনে শেষ ষোলোতে মিসরের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত দশটায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া এই লড়াই হতে পারে লিওনেল মেসি কিংবা মোহাম্মদ সালাহর বিশ্বমঞ্চের শেষ ম্যাচ।
১৬ ঘণ্টা আগে
চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম। বাইরে বিতর্ক থাকলেও, মাঠের লড়াইয়ে বেলজিয়ামের দাপট ছিল স্পষ্ট। ডি কেটেলারের জোড়া গোল এবং ফানাকান ও লুকাকুর লক্ষ্যভেদে বড় জয় নিশ্চিত হয়। আগামী শুক্রবার সেমিফাইনালের লড়াইয়ে স্পেনকে মোকাবিলা করবে বেলজিয়াম।
০৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি ছাড়াই অশ্রুসিক্ত চোখে বিশ্বমঞ্চ থেকে বিদায় নিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনের কাছে হেরে পর্তুগালের বিদায়ের সঙ্গে শেষ হলো তাঁর দুই দশকের বিশ্বকাপ অধ্যায়। ট্রফির অপূর্ণতা থাকলেও রেকর্ড বুক আর কোটি ভক্তের হৃদয়ে চিরকাল ধ্রুবতারা হয়ে থাকবেন সিআর সেভেন।
০৭ জুলাই ২০২৬