জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

উঠল নিষেধাজ্ঞা, ভোটকেন্দ্রে নেওয়া যাবে মোবাইল

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১: ১৩
ইসি সচিব আখতার আহমেদ। ফাইল ছবি

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুধু সাংবাদিক নন, ভোটার, প্রার্থী, এজেন্ট সবাই মোবাইল ফোন নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ইসির সচিব আখতার আহমেদ।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহন এবং ব্যবহারের বিষয়ে আগের নির্দেশনা সংশোধন করেছে ইসি। সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী– ভোটার, প্রার্থী, তাদের এজেন্ট, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে ছবি তুলতে পারবেন। তবে ভোটের গোপন কক্ষে ছবি তুলতে পারবেন না।

আখতার আহমেদ জানান, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতার বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। কমিশনের আগের বক্তব্য ও লিখিত নির্দেশনার মধ্যকার সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই নির্দেশনা সংশোধন করা হয়েছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিরা কমিশনে এসেছিলেন। তাদের প্রধান উদ্বেগ ছিল মোবাইল ফোন নিয়ে। এখানে কিছুটা মিসকমিউনিকেশন হয়েছিল, যা আমরা এখন ফিল্টার করে পরিষ্কার করেছি।

ইসি সচিব বলেন, পোলিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। সব কিছু চূড়ান্ত করে লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হবে।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার পর থেকে সব ধরনের প্রচার বন্ধ থাকবে। সামাজিক মাধ্যমেও প্রচার বন্ধে ডিজিটাল মনিটরিং জোরদারে কমিশনের একটি আলাদা সেল কাজ করছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। এখন পর্যন্ত মারাত্মক কোনো ঘটনার খবর আসেনি। তবে তফসিল ঘোষণার পর দুটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, যা দুঃখজনক।

নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব নিয়ে জনমনের আশঙ্কা নাকচ করে তিনি বলেন, ফলাফল ঘোষণা দেরি হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। সব ব্যালট গণনা শেষ করেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। কোথাও ভোটারের সংখ্যার কারণে গণনায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের বিষয়ে ইসি সচিব জানান, এখন পর্যন্ত ৫৪০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক এসেছেন। সবচেয়ে বেশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২৩, কমনওয়েলথ থেকে ২৫ ও আইআরআইয়ের ১২ জন রয়েছেন। তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, পাকিস্তান ও জর্জিয়া থেকে সাংবাদিক-পর্যবেক্ষক আসবেন। আলজাজিরা, রয়টার্স, ডয়েচে ভেলে, এপিসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বহু সাংবাদিক থাকবেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত