স্ট্রিম সংবাদদাতা

‘আমি এমপি প্রার্থী ভাইয়া, হাবিবা। ভাইস-চেয়ারম্যান দাঁড়ানু না দাদু আমি? ওই হাবিবা আমি। ভাইস-চেয়ারম্যান হওয়ার পরে তো বিনাদোষে চেয়ার কাইড়ে নিল। আমি কি অপরাধ করেছিলাম? আমার জন্য দুআ রাইখেন। দয়া করে আমার ফুটবল মার্কায় ভোটটা দিয়েন।’
সারা দিন গ্রামে গ্রামে ঘুরে এভাবেই সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চাইছেন হাবিবা বেগম। কখনও একা, কখনও সঙ্গে থাকছেন তাঁর স্বামী মাসুদ রানা। অনেক সময় কোলে থাকে তাঁর দুই বছরের সন্তান। এছাড়া আর কেউ নেই।
রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হাবিবা বেগম। রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি। দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত বিশাল একটি এলাকা। প্রচারের প্রথম দিকে ঘুরছিলেন স্বামীর মোটরসাইকেলে। সেটি না থাকায় এখন অটোরিকশায় চড়ে গ্রামে গ্রামে যাচ্ছেন হাবিবা।
রাজশাহী-৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৩ হাজার ১৯৯ জন। তাঁদের সামনে প্রার্থী ছয়জন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় না থাকলেও ভোটের মাঠে বেশ আলোচনা তৈরি করেছেন হাবিবা বেগম। কাকডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির কাজ শেষে বের হন ভোটের প্রচারে।
হাবিবার বাড়ি মোহনপুর উপজেলার সিংহমারা গ্রামে। আগে তিনি ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সংরক্ষিত নারী সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালে এলাকার তৎকালীন সংসদ সদস্য (এমপি) আয়েন উদ্দিনের প্রার্থীকে টেক্কা দিয়ে ৪৩ হাজার ভোটে উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হন হাবিবা। কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর অপসারিত হন।
এবার হাবিবা বেগমের নির্বাচনযাত্রা প্রার্থিতা শুরু থেকেই চড়াই-উৎরাইয়ে ভরা। গত ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। নির্বাচন কমিশনে আপিল করলেও সে সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। পরে উচ্চ আদালতে রিট করে গত ২৭ জানুয়ারি হাবিবা ফিরে পান প্রার্থিতা, বরাদ্দ হয় ফুটবল প্রতীক। সব প্রার্থীর প্রচারণা শুরুর এক সপ্তাহ পর ভোটের মাঠে আসেন তিনি। প্রতীক বরাদ্দের পর দিন সকালেও তিনি নিজেই শহরে যান লিফলেট বানাতে।

সম্প্রতি মোহনপুরের মৌগাছি বাজারে ভোটের প্রচারে দেখা যায় হাবিবা বেগমকে। লিফলেট হাতে একাই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। বলছিলেন, ‘আমি মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হনু। কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে পাননু না। কি দোষ ছিল আমার? সারা জীবন কি আমরা লুটপাটকারী, দালাল-সন্ত্রাসীদের পিছে ঘুরব? আমাকে সুযোগটা দেন।’
এসব কথা শুনে মৌগাছি গ্রামের গৃহবধূ আনিসা বেগম বললেন, ‘হাবিবা পদ্মফুল লিয়্যা দাঁড়ালছোলো। অন্য পার্টিরা ছাওয়ালেক ধরে মারছিল। এ তো অন্যায় করেনি। ওরাই অন্যায় করে জেল-টেল খাটাল। আল্লাহ য্যান ছাওয়ালেক উঠাইয়া দেয়। আমার কাছে তো সে ভালো।’
দুই উপজেলায় হাবিবা মাত্র দুটি জায়গায় দুটি ফেস্টুন টাঙিয়েছেন। প্রচার চলছে শুধু হাতের ছোট লিফলেটে। এই ভোটের খরচ জোগাড় করতেও হাবিবা তার কিছু জমি বর্গা দিয়েছেন। তা থেকে পাওয়া প্রায় দুই লাখ টাকা নিয়ে নেমেছেন ভোটের লড়াইয়ে। দলীয় হেভিওয়েট প্রার্থীর বিপরীতে তাঁর প্রচারে নেই কোনো জৌলস।
সাধারণ মানুষ অবশ্য হাবিবার এমন প্রচারণা ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছেন। মৌগাছি বাজারে কথা হয় ভ্যানচালক মো. আলমগীরের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘হাবিবার নাম শুনেছি। প্রচারণায় আজকেই তাকে সর্বপ্রথম দেখলাম। আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। বিভিন্ন দলের এমপি-মন্ত্রী দেখেছি, এবার নিয়ত করেছি স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবা আপাকেই ভোটটা দিব।’
হাবিবা উপজেলা কৃষকলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু সম্পর্ক ভালো ছিল না আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপি আয়েন উদ্দিনের সঙ্গে। আওয়ামী লীগের আমলেই মামলা, হামলা ও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন হাবিবা। ভোটের মাঠে তুলে ধরছেন সেসব কথাও। বলছেন, ‘যারা অপরাধ করেছে তারা পালিয়েছে। আমি অপরাধ করলে তো আপনাদের সামনে আসতে পারতাম না।’

হাবিবা বেগম মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ার পরও তাঁর স্বামী মাসুদ রানা আগে একটি চায়ের দোকান চালাতেন। চব্বিশের জুলাইয়ে তাঁর চায়ের দোকানটি ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি স্ত্রীর সঙ্গেই থাকেন। হাবিবা যেখানে যেতে চান, সেখানেই মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যান। ভোটের প্রচারণাও শুরু করেন মোটরসাইকেলে চড়ে। তবে কাগজপত্রের ত্রুটি থাকায় কয়েকদিন আগে গাড়িটি জব্দ করেছে ট্রাফিক বিভাগ। এখন তারা ঘুরছেন অটোরিকশায়।
হাবিবার বড় মেয়ে হুময়ারা হাফসা হিমু সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। ছোট ছেলে সুয়াইব সরকার রিয়াদের বয়স দুই বছর। এখনও বেশির ভাগ সময় মায়ের কোলেই থাকে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ছয়টি মামলা হয় হাবিবার নামে। সাতবার কারাগারে যেতে হয়েছে তাঁকে। দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে হাইকোর্ট। আসন্ন নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয়, সেই আহ্বানও রাখেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। বলেন, ‘বিগত সরকারের আমল থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। যারা অন্যায় করেছে, ভোট চুরি করেছে, দেখুন আজ তাদের কী অবস্থা। বউ-বাচ্চা রেখে পালিয়ে যেতে তারা বাধ্য হয়েছে। তাই দয়া করে কেউ স্বৈরাচারী আচরণ করবেন না।’
মানুষ কেন আপনাকে ভোট দেবে, জানতে চাইলে হাবিবা বলেন, ‘১৭ বছর অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি। সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলার কারণে আওয়ামী লীগের সময় তখনকার এমপি আমার ওপর অনেক জুলুম করেছে, মামলা দিয়েছে, সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে আামাকে মারধর করেছে। পুলিশ দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক নির্যাতন করেছে। পবা-মোহনপুরের মেহনতি মানুষ সবই জানে। তারা নিজেদের লোক হিসেবে আমাকে গ্রহণ করবে।’

‘আমি এমপি প্রার্থী ভাইয়া, হাবিবা। ভাইস-চেয়ারম্যান দাঁড়ানু না দাদু আমি? ওই হাবিবা আমি। ভাইস-চেয়ারম্যান হওয়ার পরে তো বিনাদোষে চেয়ার কাইড়ে নিল। আমি কি অপরাধ করেছিলাম? আমার জন্য দুআ রাইখেন। দয়া করে আমার ফুটবল মার্কায় ভোটটা দিয়েন।’
সারা দিন গ্রামে গ্রামে ঘুরে এভাবেই সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চাইছেন হাবিবা বেগম। কখনও একা, কখনও সঙ্গে থাকছেন তাঁর স্বামী মাসুদ রানা। অনেক সময় কোলে থাকে তাঁর দুই বছরের সন্তান। এছাড়া আর কেউ নেই।
রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হাবিবা বেগম। রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি। দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত বিশাল একটি এলাকা। প্রচারের প্রথম দিকে ঘুরছিলেন স্বামীর মোটরসাইকেলে। সেটি না থাকায় এখন অটোরিকশায় চড়ে গ্রামে গ্রামে যাচ্ছেন হাবিবা।
রাজশাহী-৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৩ হাজার ১৯৯ জন। তাঁদের সামনে প্রার্থী ছয়জন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় না থাকলেও ভোটের মাঠে বেশ আলোচনা তৈরি করেছেন হাবিবা বেগম। কাকডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির কাজ শেষে বের হন ভোটের প্রচারে।
হাবিবার বাড়ি মোহনপুর উপজেলার সিংহমারা গ্রামে। আগে তিনি ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সংরক্ষিত নারী সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালে এলাকার তৎকালীন সংসদ সদস্য (এমপি) আয়েন উদ্দিনের প্রার্থীকে টেক্কা দিয়ে ৪৩ হাজার ভোটে উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হন হাবিবা। কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর অপসারিত হন।
এবার হাবিবা বেগমের নির্বাচনযাত্রা প্রার্থিতা শুরু থেকেই চড়াই-উৎরাইয়ে ভরা। গত ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। নির্বাচন কমিশনে আপিল করলেও সে সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। পরে উচ্চ আদালতে রিট করে গত ২৭ জানুয়ারি হাবিবা ফিরে পান প্রার্থিতা, বরাদ্দ হয় ফুটবল প্রতীক। সব প্রার্থীর প্রচারণা শুরুর এক সপ্তাহ পর ভোটের মাঠে আসেন তিনি। প্রতীক বরাদ্দের পর দিন সকালেও তিনি নিজেই শহরে যান লিফলেট বানাতে।

সম্প্রতি মোহনপুরের মৌগাছি বাজারে ভোটের প্রচারে দেখা যায় হাবিবা বেগমকে। লিফলেট হাতে একাই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। বলছিলেন, ‘আমি মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হনু। কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে পাননু না। কি দোষ ছিল আমার? সারা জীবন কি আমরা লুটপাটকারী, দালাল-সন্ত্রাসীদের পিছে ঘুরব? আমাকে সুযোগটা দেন।’
এসব কথা শুনে মৌগাছি গ্রামের গৃহবধূ আনিসা বেগম বললেন, ‘হাবিবা পদ্মফুল লিয়্যা দাঁড়ালছোলো। অন্য পার্টিরা ছাওয়ালেক ধরে মারছিল। এ তো অন্যায় করেনি। ওরাই অন্যায় করে জেল-টেল খাটাল। আল্লাহ য্যান ছাওয়ালেক উঠাইয়া দেয়। আমার কাছে তো সে ভালো।’
দুই উপজেলায় হাবিবা মাত্র দুটি জায়গায় দুটি ফেস্টুন টাঙিয়েছেন। প্রচার চলছে শুধু হাতের ছোট লিফলেটে। এই ভোটের খরচ জোগাড় করতেও হাবিবা তার কিছু জমি বর্গা দিয়েছেন। তা থেকে পাওয়া প্রায় দুই লাখ টাকা নিয়ে নেমেছেন ভোটের লড়াইয়ে। দলীয় হেভিওয়েট প্রার্থীর বিপরীতে তাঁর প্রচারে নেই কোনো জৌলস।
সাধারণ মানুষ অবশ্য হাবিবার এমন প্রচারণা ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছেন। মৌগাছি বাজারে কথা হয় ভ্যানচালক মো. আলমগীরের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘হাবিবার নাম শুনেছি। প্রচারণায় আজকেই তাকে সর্বপ্রথম দেখলাম। আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। বিভিন্ন দলের এমপি-মন্ত্রী দেখেছি, এবার নিয়ত করেছি স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবা আপাকেই ভোটটা দিব।’
হাবিবা উপজেলা কৃষকলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু সম্পর্ক ভালো ছিল না আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপি আয়েন উদ্দিনের সঙ্গে। আওয়ামী লীগের আমলেই মামলা, হামলা ও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন হাবিবা। ভোটের মাঠে তুলে ধরছেন সেসব কথাও। বলছেন, ‘যারা অপরাধ করেছে তারা পালিয়েছে। আমি অপরাধ করলে তো আপনাদের সামনে আসতে পারতাম না।’

হাবিবা বেগম মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ার পরও তাঁর স্বামী মাসুদ রানা আগে একটি চায়ের দোকান চালাতেন। চব্বিশের জুলাইয়ে তাঁর চায়ের দোকানটি ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি স্ত্রীর সঙ্গেই থাকেন। হাবিবা যেখানে যেতে চান, সেখানেই মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যান। ভোটের প্রচারণাও শুরু করেন মোটরসাইকেলে চড়ে। তবে কাগজপত্রের ত্রুটি থাকায় কয়েকদিন আগে গাড়িটি জব্দ করেছে ট্রাফিক বিভাগ। এখন তারা ঘুরছেন অটোরিকশায়।
হাবিবার বড় মেয়ে হুময়ারা হাফসা হিমু সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। ছোট ছেলে সুয়াইব সরকার রিয়াদের বয়স দুই বছর। এখনও বেশির ভাগ সময় মায়ের কোলেই থাকে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ছয়টি মামলা হয় হাবিবার নামে। সাতবার কারাগারে যেতে হয়েছে তাঁকে। দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে হাইকোর্ট। আসন্ন নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয়, সেই আহ্বানও রাখেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। বলেন, ‘বিগত সরকারের আমল থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। যারা অন্যায় করেছে, ভোট চুরি করেছে, দেখুন আজ তাদের কী অবস্থা। বউ-বাচ্চা রেখে পালিয়ে যেতে তারা বাধ্য হয়েছে। তাই দয়া করে কেউ স্বৈরাচারী আচরণ করবেন না।’
মানুষ কেন আপনাকে ভোট দেবে, জানতে চাইলে হাবিবা বলেন, ‘১৭ বছর অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি। সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলার কারণে আওয়ামী লীগের সময় তখনকার এমপি আমার ওপর অনেক জুলুম করেছে, মামলা দিয়েছে, সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে আামাকে মারধর করেছে। পুলিশ দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক নির্যাতন করেছে। পবা-মোহনপুরের মেহনতি মানুষ সবই জানে। তারা নিজেদের লোক হিসেবে আমাকে গ্রহণ করবে।’

শেষ মুহূর্তে ভোটারদের মন জয় করতে আজ শেষ দিনও রাজধানীসহ সারা দেশে ব্যস্ত সময় পার করেছে দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বেশিরভাগ নেতা-ই শেষদিনের প্রচারণা চালিয়েছে রাজধানী ঢাকায়।
২ ঘণ্টা আগে
পাহাড় থেকে সমতলে বসবাসকারী এবং ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনিক রদবদল, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কিছু সিদ্ধান্ত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দাবিতে প্রভাবিত বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসন থেকে পঞ্চমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন আজিজার রহমান। আগের কোনোবার নির্বাচিত না হলেও এবার আশাবাদী তিনি। ভোটে নির্বাচিত হলে একটি টাকাও দুর্নীতি করবেন না বলছেন। তাঁর কাছে জেলে-কুলি, দিনমজুর, মাস্টার, জর্জ, ব্যারিস্টার সবাই সমান।
৩ ঘণ্টা আগে