স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়বহুল চুক্তির ফাঁদে আটকা পড়েছে। এর জন্য বিগত সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তই দায়ী। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’-এর অধীনে সম্পাদিত চুক্তি পর্যালোচনার জন্য গঠিত জাতীয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সম্পাদিত বিতর্কিত চুক্তিগুলোতে কী ধরণের অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে ব্রিফিংয়ে।
পর্যালোচনা কমিটির মতে, এসব চুক্তির ফলে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের আদানি গ্রুপের সাথে সম্পাদিত বিদ্যুৎ চুক্তিতে বড় ধরণের অনিয়ম পাওয়া গেছে। এই অসম চুক্তি থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এসব অসম চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার আইনি দিকগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি শক্তিশালী ‘লিগ্যাল কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বর্তমানে চুক্তিগুলোর প্রতিটি আইনি ধারা বিশদভাবে পরীক্ষা করে দেখছে।
পর্যালোচনা কমিটির সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন যে পরবর্তী সরকার তাঁদের দেওয়া প্রতিবেদন ও পরামর্শগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়বহুল চুক্তির ফাঁদে আটকা পড়েছে। এর জন্য বিগত সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তই দায়ী। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’-এর অধীনে সম্পাদিত চুক্তি পর্যালোচনার জন্য গঠিত জাতীয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সম্পাদিত বিতর্কিত চুক্তিগুলোতে কী ধরণের অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে ব্রিফিংয়ে।
পর্যালোচনা কমিটির মতে, এসব চুক্তির ফলে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের আদানি গ্রুপের সাথে সম্পাদিত বিদ্যুৎ চুক্তিতে বড় ধরণের অনিয়ম পাওয়া গেছে। এই অসম চুক্তি থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এসব অসম চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার আইনি দিকগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি শক্তিশালী ‘লিগ্যাল কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বর্তমানে চুক্তিগুলোর প্রতিটি আইনি ধারা বিশদভাবে পরীক্ষা করে দেখছে।
পর্যালোচনা কমিটির সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন যে পরবর্তী সরকার তাঁদের দেওয়া প্রতিবেদন ও পরামর্শগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বা ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে ১৭৮তম পূর্ণকমিশন সভায় এ বাজেট অনুমোদন করা হয়।
১ মিনিট আগে
ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি খাতে ১ হাজার ৮১ কোটি বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনকালে তিনি এ প্রস্তাব দেন।
১১ মিনিট আগে
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ খাতে বরাদ্দ বাড়িয়েছে সরকার। আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই মন্ত্রণালয়ের জন্য ১০ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন।
২৩ মিনিট আগে
দেশের রাস্তায় চলাচল করা পুরোনো বাসগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়া হবে। এসব বাসের বদলে নামানো হবে আধুনিক ইলেকট্রিক বাস।
৪৪ মিনিট আগে