স্ট্রিম ডেস্ক

পরিবারের নারী প্রধানের নামে পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বিতরণ ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চালু হওয়া এই কার্ডের আওতায় প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা পাবেন। ভাতা দেওয়া হবে উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে। এতে তারা ঘরে বসেই ভাতা পাবেন।
আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীতে টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পে ১৭টি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে কার্ডের রেপ্লিকা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ উপস্থিত রয়েছেন। আরও উপস্থিত আছেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, উপকারভোগী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এ বিষয়ে গতকাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় অর্জনের বিষয়টি সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। তাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুফল দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে
পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রথমে আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের নারী প্রধানের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩ সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৫১ হাজার ৮০৫টি খানার তথ্য যাচাইয়ে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য থেকে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা দেয়ার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানা গেছে।
ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় প্রতিটি নারী প্রধান পরিবার একটি করে আধুনিক ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। স্পর্শবিহীন (কনটাক্টলেস) চিপ সম্বলিত এই কার্ডে কিউআর কোড (বার কোডের তথ্যসহ) ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
একটি পরিবারের ৫ জন সদস্যের জন্য ১টি ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারগুলোর সদস্য সংখ্যা ৫ এর অধিক হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড প্রদান করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রাপ্ত হবেন এবং পরবর্তী সময়ে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

পরিবারের নারী প্রধানের নামে পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বিতরণ ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চালু হওয়া এই কার্ডের আওতায় প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা পাবেন। ভাতা দেওয়া হবে উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে। এতে তারা ঘরে বসেই ভাতা পাবেন।
আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীতে টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পে ১৭টি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে কার্ডের রেপ্লিকা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ উপস্থিত রয়েছেন। আরও উপস্থিত আছেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, উপকারভোগী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এ বিষয়ে গতকাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় অর্জনের বিষয়টি সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। তাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুফল দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে
পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রথমে আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের নারী প্রধানের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩ সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৫১ হাজার ৮০৫টি খানার তথ্য যাচাইয়ে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য থেকে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা দেয়ার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানা গেছে।
ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় প্রতিটি নারী প্রধান পরিবার একটি করে আধুনিক ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। স্পর্শবিহীন (কনটাক্টলেস) চিপ সম্বলিত এই কার্ডে কিউআর কোড (বার কোডের তথ্যসহ) ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
একটি পরিবারের ৫ জন সদস্যের জন্য ১টি ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারগুলোর সদস্য সংখ্যা ৫ এর অধিক হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড প্রদান করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রাপ্ত হবেন এবং পরবর্তী সময়ে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমার ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বেড়েছে। নতুন করে ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা।
১৫ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনের আগে মানুষের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছি।’
৩৩ মিনিট আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের ড্রোন হামলায় নিহত মৌলভীবাজারের বড়লেখার বাসিন্দা সালেহ আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) বিকেল ৫টায় বড়লেখা উপজেলার পৌরসভার গাজিটেকা শাহী ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করায় রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে দুই মাসের জন্য সাময়িকভাবে বরখাস্তের আদেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৩ ঘণ্টা আগে