স্ট্রিম সংবাদদাতা

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য (ভিসি) ড. মো. মাকসুদ হেলালীকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ব্যানার টানিয়েছে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’। ছাত্রদলের এক নেতার নেতৃত্বে আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও উপাচার্যের বাসভবনে এই ব্যানার টাঙায় তারা। এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যানার নামিয়ে ফেলে।
উপাচার্য নিজেই বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক উপাচার্যের অনুসারী কর্মচারী ইমদাদ মোড়ল, সাইফুল, ছাত্রদল নেতা ইফাজসহ কয়েকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ব্যানার টাঙানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন ছাত্রদল নেতা সাফওয়ান আহমেদ ইফাজ। তিনি কুয়েটের ইসিই বিভাগের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী।
উপাচার্য ড. মো মাকসুদ হেলালী জানান, শুক্রবার রাত আটটার দিকে ছাত্রদল নেতা সাফওয়ান আহমেদ ইফাজসহ কয়েকজন ছাত্র ও কর্মচারী তাঁর বাসভবনের সামনে সাক্ষাৎ করতে আসেন। সাক্ষাৎ করতে না চাইলে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তারা। পরে ক্যাম্পাসে ও উপাচার্যের বাসভবনের সামনে তাঁকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ব্যানার টাঙ্গিয়েছে। পরে খুলনা পুলিশ কমিশনার ও খুলনা রেঞ্জ ডিআইজিকে বিষয়টি অবহিত করলে বাহিনীল সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
উপাচার্য বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি হতবাক। কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। ইজাফ, ইমদাদ মোড়ল ও সাইফুল এরা সবাই সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মো. মাসুদের অনুসারী।’
উপাচার্যের বিরুদ্ধে ব্যানার টাঙানোর বিষয়টি স্বীকার করে ছাত্রদল নেতা সাফওয়ান আহমেদ ইফাজ বলেন, ‘আমরা উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম। তিনি দেখা না দিয়ে লুকোচুরি করেন। দায়িত্ব নিয়ে আসার শুরু থেকেই ছাত্রদের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব রয়েছে। আমাদের কোনো সমস্যা, সংকটে তাঁর সহযোগিতা পাইনি। তাই আওয়ামী দোসর হিসেবে তাঁকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।’
উপাচার্জ বিরোধী ব্যানার টাঙানো ও নামানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সানোয়ার হোসেন মাসুম বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখি, কিছু ছাত্র উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার জন্য তাঁর বাসভবনের সামনে যান। দেখা করতে না পেরে তারা তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তাঁর বাসার সামনে ব্যানার টানিয়ে চলে যান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য (ভিসি) ড. মো. মাকসুদ হেলালীকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ব্যানার টানিয়েছে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’। ছাত্রদলের এক নেতার নেতৃত্বে আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও উপাচার্যের বাসভবনে এই ব্যানার টাঙায় তারা। এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যানার নামিয়ে ফেলে।
উপাচার্য নিজেই বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক উপাচার্যের অনুসারী কর্মচারী ইমদাদ মোড়ল, সাইফুল, ছাত্রদল নেতা ইফাজসহ কয়েকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ব্যানার টাঙানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন ছাত্রদল নেতা সাফওয়ান আহমেদ ইফাজ। তিনি কুয়েটের ইসিই বিভাগের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী।
উপাচার্য ড. মো মাকসুদ হেলালী জানান, শুক্রবার রাত আটটার দিকে ছাত্রদল নেতা সাফওয়ান আহমেদ ইফাজসহ কয়েকজন ছাত্র ও কর্মচারী তাঁর বাসভবনের সামনে সাক্ষাৎ করতে আসেন। সাক্ষাৎ করতে না চাইলে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তারা। পরে ক্যাম্পাসে ও উপাচার্যের বাসভবনের সামনে তাঁকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ব্যানার টাঙ্গিয়েছে। পরে খুলনা পুলিশ কমিশনার ও খুলনা রেঞ্জ ডিআইজিকে বিষয়টি অবহিত করলে বাহিনীল সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
উপাচার্য বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি হতবাক। কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। ইজাফ, ইমদাদ মোড়ল ও সাইফুল এরা সবাই সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মো. মাসুদের অনুসারী।’
উপাচার্যের বিরুদ্ধে ব্যানার টাঙানোর বিষয়টি স্বীকার করে ছাত্রদল নেতা সাফওয়ান আহমেদ ইফাজ বলেন, ‘আমরা উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম। তিনি দেখা না দিয়ে লুকোচুরি করেন। দায়িত্ব নিয়ে আসার শুরু থেকেই ছাত্রদের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব রয়েছে। আমাদের কোনো সমস্যা, সংকটে তাঁর সহযোগিতা পাইনি। তাই আওয়ামী দোসর হিসেবে তাঁকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।’
উপাচার্জ বিরোধী ব্যানার টাঙানো ও নামানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সানোয়ার হোসেন মাসুম বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখি, কিছু ছাত্র উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার জন্য তাঁর বাসভবনের সামনে যান। দেখা করতে না পেরে তারা তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তাঁর বাসার সামনে ব্যানার টানিয়ে চলে যান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় যশোরের ছয়টি সংসদীয় এলাকায় বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের হামলায় জামায়াতের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছেন এবং বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলা জামায়াতের আমির ও যশোর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল।
১ ঘণ্টা আগে
মুন্সীগঞ্জ সদরের চরাঞ্চলে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক জসিম উদ্দিন নায়েবকে (৩০) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ধানের শীষের সমর্থক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার নেতৃত্বে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
তিনি তাঁর প্রেডিকশনে বলেছিলেন ভোটার টার্ন আউট হতে পারে ৫৮ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সার্বিকভাবে গড়ে ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে একটি ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কোনাবাড়ীর থানার আমবাগ ঈদগাঁ ময়দানের পাশে ওই গুদামে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। তবে রাতে ১০টার দিকে পাওয়া সর্বশেষ খবর অনুযায়ী আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
৩ ঘণ্টা আগে