স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং আব্দুল হামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) অভিযোগ করা হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) চিফ প্রসিকিউটরের কাছে রাষ্ট্রসংস্কার ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস এবং বাংলাদেশ আজাদ পার্টির প্রধান সংগঠক বোরহান মাহমুদ অভিযোগ দুটি দাখিল করেন। ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ভার বা ‘সুপিরিয়র রেসপন্সিবিলিটি’র অভিযোগ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্রেপ্তারের আবেদন জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘দুটি অভিযোগ জমা পড়েছে। একটি রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের। অন্যটি বাংলাদেশ আজাদ পার্টির। অভিযোগগুলো এখনো পর্যালোচনা করা হয়নি।’
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১৩ সালের ১৪ মার্চ শপথ নিয়ে টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন আবদুল হামিদ। এরপর ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল মোঃ সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন শেখ হাসিনার সরকার। মেয়াদ পুরো হওয়ার পৌনে দুই বছর বাকি থাকতে গত ২৪ জুলাই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াসের দাবি, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জুলাই অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যা, গুম, নির্যাতন এবং অন্যান্য অপরাধে ভূমিকা রেখেছিলেন। এছাড়া ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের সঙ্গে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার নিয়োগ দেওয়া রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কোনো আইনি দায় রয়েছে কিনা, তা তদন্তের জন্য আহ্বান জানান তিনি।
আয়াস জানান, তাঁরা চিফ প্রসিকিউটর বরাবর দুটি অভিযোগ দিয়েছেন, যেখানে সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের আবেদন জানানো হয়েছে। তদন্তের পর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রসিকিউশন ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছেন তিনি।
অভিযোগে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়কে সংশ্লিষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ, তদন্ত পরিচালনা ও প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা তদন্তের দাবিতে আইসিটিতে আরেকটি অভিযোগ দেয় বাংলাদেশ আজাদ পার্টি (বিএপি)। পরে দলটির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত ও কয়েক হাজার মানুষ আহত হন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকা সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। তিনি নীরব ছিলেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম বলেছেন, প্রসিকিউশন কোনো অভিযোগ এলে তা রেজিস্ট্রারভুক্ত করা হয়। এরপর তদন্তের জন্য তদন্ত সংস্থায় পাঠানো হয়। তদন্ত সংস্থা তদন্ত করার মতো মনে করলে, তারা একটি অভিযোগ রেজিস্ট্রারভুক্ত করে তদন্ত শুরু করে।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির প্রধান সংগঠক বোরহান মাহমুদ বলেন, ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, জুডিশিয়াল কিলিং, আয়নাঘরসহ দেশে সংঘটিত নারকীয় ঘটনাগুলোর সময় আবদুল হামিদ ও মোঃ সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘একটি গণহত্যার ঘটনার সময় ওখানে যে রাষ্ট্রের বা যে দলের যে সর্বোচ্চ ব্যক্তি থাকেন, তাঁর ওপরে মূলত এর অপরাধটা বর্তায়। তৎকালীন যে রাষ্ট্রপতিরা এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে সহায়তা দিয়েছেন, সব ধরনের নিরাপত্তা দিয়েছেন, যেহেতু তিন বাহিনী তাঁদের হাতে ছিল এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাগুলো তাদের হাতে ছিল, তাঁরা এসব অন্যায়ের প্রতিবাদ করেননি। তাঁরা কখনো এই অন্যায়ের দায় এড়াতে পারেন না।’
আজাদ পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বলেন, ‘তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতির যুদ্ধ ঘোষণার মতো সর্বোচ্চ ক্ষমতা থাকলেও, তাঁরা (আবদুল হামিদ এবং সাহাবুদ্দিন) কোনো ভূমিকা রাখেননি। ৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত গুম, খুন ও আয়নাঘরের মতো অপরাধে তাদের মৌন সম্মতি ছিল।’
সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণে রাষ্ট্রপতির কিছু করার সুযোগ ছিল কিনা–প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘একটি সুযোগ উনার অন্তত ছিল, উনি পদত্যাগ করতে পারতেন। উনি পদত্যাগ করেননি, উনি ক্ষমতা ভোগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি যখন দেখছেন এত লোক মারা যাচ্ছে, এদের টাকায় উনার বেতন-ভাতা সুযোগ-সুবিধা পান, উনি কোনো ভূমিকা রাখবেন না, এটা কোনোভাবে কাম্য না।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং আব্দুল হামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) অভিযোগ করা হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) চিফ প্রসিকিউটরের কাছে রাষ্ট্রসংস্কার ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস এবং বাংলাদেশ আজাদ পার্টির প্রধান সংগঠক বোরহান মাহমুদ অভিযোগ দুটি দাখিল করেন। ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ভার বা ‘সুপিরিয়র রেসপন্সিবিলিটি’র অভিযোগ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্রেপ্তারের আবেদন জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘দুটি অভিযোগ জমা পড়েছে। একটি রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের। অন্যটি বাংলাদেশ আজাদ পার্টির। অভিযোগগুলো এখনো পর্যালোচনা করা হয়নি।’
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১৩ সালের ১৪ মার্চ শপথ নিয়ে টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন আবদুল হামিদ। এরপর ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল মোঃ সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন শেখ হাসিনার সরকার। মেয়াদ পুরো হওয়ার পৌনে দুই বছর বাকি থাকতে গত ২৪ জুলাই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াসের দাবি, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জুলাই অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যা, গুম, নির্যাতন এবং অন্যান্য অপরাধে ভূমিকা রেখেছিলেন। এছাড়া ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের সঙ্গে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার নিয়োগ দেওয়া রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কোনো আইনি দায় রয়েছে কিনা, তা তদন্তের জন্য আহ্বান জানান তিনি।
আয়াস জানান, তাঁরা চিফ প্রসিকিউটর বরাবর দুটি অভিযোগ দিয়েছেন, যেখানে সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের আবেদন জানানো হয়েছে। তদন্তের পর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রসিকিউশন ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছেন তিনি।
অভিযোগে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়কে সংশ্লিষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ, তদন্ত পরিচালনা ও প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা তদন্তের দাবিতে আইসিটিতে আরেকটি অভিযোগ দেয় বাংলাদেশ আজাদ পার্টি (বিএপি)। পরে দলটির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত ও কয়েক হাজার মানুষ আহত হন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকা সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। তিনি নীরব ছিলেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম বলেছেন, প্রসিকিউশন কোনো অভিযোগ এলে তা রেজিস্ট্রারভুক্ত করা হয়। এরপর তদন্তের জন্য তদন্ত সংস্থায় পাঠানো হয়। তদন্ত সংস্থা তদন্ত করার মতো মনে করলে, তারা একটি অভিযোগ রেজিস্ট্রারভুক্ত করে তদন্ত শুরু করে।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির প্রধান সংগঠক বোরহান মাহমুদ বলেন, ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, জুডিশিয়াল কিলিং, আয়নাঘরসহ দেশে সংঘটিত নারকীয় ঘটনাগুলোর সময় আবদুল হামিদ ও মোঃ সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘একটি গণহত্যার ঘটনার সময় ওখানে যে রাষ্ট্রের বা যে দলের যে সর্বোচ্চ ব্যক্তি থাকেন, তাঁর ওপরে মূলত এর অপরাধটা বর্তায়। তৎকালীন যে রাষ্ট্রপতিরা এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে সহায়তা দিয়েছেন, সব ধরনের নিরাপত্তা দিয়েছেন, যেহেতু তিন বাহিনী তাঁদের হাতে ছিল এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাগুলো তাদের হাতে ছিল, তাঁরা এসব অন্যায়ের প্রতিবাদ করেননি। তাঁরা কখনো এই অন্যায়ের দায় এড়াতে পারেন না।’
আজাদ পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বলেন, ‘তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতির যুদ্ধ ঘোষণার মতো সর্বোচ্চ ক্ষমতা থাকলেও, তাঁরা (আবদুল হামিদ এবং সাহাবুদ্দিন) কোনো ভূমিকা রাখেননি। ৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত গুম, খুন ও আয়নাঘরের মতো অপরাধে তাদের মৌন সম্মতি ছিল।’
সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণে রাষ্ট্রপতির কিছু করার সুযোগ ছিল কিনা–প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘একটি সুযোগ উনার অন্তত ছিল, উনি পদত্যাগ করতে পারতেন। উনি পদত্যাগ করেননি, উনি ক্ষমতা ভোগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি যখন দেখছেন এত লোক মারা যাচ্ছে, এদের টাকায় উনার বেতন-ভাতা সুযোগ-সুবিধা পান, উনি কোনো ভূমিকা রাখবেন না, এটা কোনোভাবে কাম্য না।’
.png)

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তিন পূর্ণকালীন সদস্যকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন তিনজনকে পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার (২৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
৮ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম নগরীতে ২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন ভবনে ভাঙচুর চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মাণশ্রমিক ও মারধরে নিরাপত্তাকর্মীও আহত হয়েছেন। পরে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেখান থেকে চলে যায় তারা। রোববার সকালে নগরীর দক্ষিণ পাহাড়তলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২০ মিনিট আগে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, চীন, জাপান ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ নিয়ে কথাবার্তা চলছে।
৪২ মিনিট আগে
সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে এক চিকিৎসক ও এক কর্মচারীকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ রোববার (২৬ জুলাই) হাসপাতালটিতে আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে