leadT1ad

কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
নোয়াখালী

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ১২: ৪৫
ধর্ষণের অভিযোগে প্রত্যাহার করা পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম। ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া উপজেলায় ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) রাতে তাকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

খোরশেদ আলম নামে ওই কর্মকর্তা হাতিয়ায় জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক ছিলেন। কয়েক মাস আগে অভিযোগ দেওয়া হলেও গতকাল তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

এদিকে, কিশোরীর পরিবার ভয়ে চার মাস ধরে নিজেদের বাড়িতে যেতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছে।

কিশোরীর মা বলেন, আমরা পুলিশের হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে জানিয়েছিলাম। লিখিত জবানবন্দি দিয়েছি। স্থানীয় দুজন পুলিশের পক্ষে আমাদের কাছ থেকে সাদা কাগজে সই নিয়েছিল। আমরা এখন ভয়ে বাড়ি যেতে পারছি না। গত চার মাস ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, কিশোরীর দুই স্বজন ওই পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নাবান্না করতেন। সেই সূত্রে কিশোরী সেখানে মাঝে-মধ্যে যেত। এর মধ্যে ঘরের কাজ করানোর কথা বলে কয়েক মাস আগে কিশোরীকে নিজের বাসায় ডেকে নেন খোরশেদ আলম। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন খোরশেদ। বাধা দিলে স্বজনসহ প্রাণনাশের হুমকিও দেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

অভিযোগের বিষয়ে খোরশেদ আলমের বক্তব্য জানা যায়নি। ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি।

নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পেলে ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত