স্ট্রিম ডেস্ক

নিত্যদিনের ব্যস্ততায় অনেকসময়ই নিজের শরীর বা মনের খোঁজ নেওয়া হয় না। অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত নিজের যত্ন নেওয়া। প্রতিদিনের কিছু ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ভবিষ্যতকে সহজ করতে পারে। নিজের যত্ন নিলে রোগ-বালাইও আপনার থেকে দূরে থাকতে পারে। এই বার্তাই সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর পালিত হয় ‘সেলফ কেয়ার ডে’। দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, নিজের যত্ন নেওয়া সুস্থ জীবনের প্রথম ও প্রধান শর্ত।
সেলফ কেয়ার মানে নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিজে নেওয়া। তা শারীরিক হোক বা মানসিক। সহজ ভাষায়, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন যেসব ভালো অভ্যাস গড়ে তুলি, সেগুলোই সেলফ কেয়ার। যেমন পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ইত্যাদি। এমনকি মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা কমানো বা ধূমপান ও অন্যান্য ক্ষতিকর অভ্যাস এড়িয়ে চলাও সেলফ কেয়ারের অংশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, সেলফ কেয়ার হলো নিজের স্বাস্থ্য রক্ষা করার সক্ষমতা। এর মাধ্যমে মানুষ যেমন অনেক জটিল রোগ প্রতিরোধ করতে পারে, তেমনি সুস্থ জীবনও বজায় রাখা সম্ভব। প্রতিবছর ২৪ জুলাই বিশ্বজুড়ে সেলফ কেয়ার ডে পালিত হয়। এই তারিখের পেছনেও রয়েছে অর্থবহ বার্তা। বছরে একদিন নয়, প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্তে নিজের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে।
সেলফ কেয়ার ধারণাটি অবশ্য নতুন নয়। বহু শতাব্দী ধরেই মানুষ ঘরোয়া পরিচর্যা, পুষ্টিকর খাদ্য, পর্যাপ্ত বিশ্রাম কিংবা পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে নিজের স্বাস্থ্য রক্ষার চেষ্টা করেছে। তবে উনিশ ও বিশ শতকে সেলফ-কেয়ার নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো হয়। কারণ সেসময় আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতির ফলে মানুষ চিকিৎসক ও হাসপাতালের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। রোগীকে তখন মূলত চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে চলা একজন রোগী বা ‘রিসিভার’ হিসেবে দেখা হতো।
কিন্তু বিশ শতকের শেষভাগে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগ দ্রুত বাড়তে থাকে। এসব রোগ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। তখন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আবারও সেলফ কেয়ারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তখন থেকেই চিকিৎসার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া শুরু হয়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সেলফ কেয়ারের সাতটি মৌলিক ভিত্তি বা ‘সেভেন পিলারস অব সেলফ কেয়ার’ নির্ধারণ করেছেন।
নিজের শরীর সম্পর্কে জানা সেলফ কেয়ারের প্রথম ধাপ। কোন অভ্যাস ক্ষতিকর, কোনটি উপকারী, কীভাবে রোগ প্রতিরোধ করা যায়—এসব বিষয়ে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। ভুল তথ্য বা গুজবের ওপর নির্ভর করে নিজের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
শুধু শরীর নয়, মনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বেগ কিংবা হতাশা দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে শরীরের পাশাপাশি মনকেও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা কিংবা নিজের অনুভূতির প্রতি যত্নবান হওয়াও সেলফ কেয়ারের অংশ। মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও নিজের যত্ন নেওয়ার মধ্যেই পড়ে।
শরীর ও মন ঠিক রাখতে শরীরচর্চার বিকল্প নেই। এজন্য যে জিমে যেতে হবে কিংবা কঠোর নিয়মকানুনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে, তা কিন্তু নয়। হাঁটাচলা করা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কিংবা হালকা ব্যায়াম আমাদের শরীরকে সক্রিয় রাখে। নিয়মিত ব্যায়াম হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস এবং স্থূলতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি মানসিক প্রশান্তিও এনে দেয়।
সেলফ কেয়ারের চতুর্থ ভিত্তি সুষম খাদ্য। সুস্থ জীবনের অন্যতম ভিত্তি পুষ্টিকর খাবার। প্রতিদিন পর্যাপ্ত শাকসবজি, ফল, ডাল, মাছ, দুধ এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত চিনি, লবণ এবং চর্বিযুক্ত খাবার কমানো উচিত। পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান করাও স্বাস্থ্যকর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ অভ্যাস থেকে দূরে থাকাও নিজের যত্ন নেওয়ার মধ্যে পড়ে। ধূমপান, তামাকজাত পণ্য, অতিরিক্ত মদ্যপান কিংবা মাদকাসক্তি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এসব অভ্যাস অনেক জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই সুস্থ জীবন গড়তে ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো বাদ দেওয়া প্রয়োজন।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাও জীবনে ভালো থাকার এবং রোগ প্রতিরোধের সহজ উপায়। নিয়মিত হাত ধোয়া, পরিষ্কার খাবার খাওয়া, নিরাপদ পানি পান করা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমায়।
সেলফ কেয়ারের সপ্তম ভিত্তি হলো যেকোনো চিকিৎসা গ্রহণের ব্যাপারে সচেতন থাকা। যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে নির্দেশনা ভালোভাবে পড়তে হবে। প্রয়োজন হলে ফার্মাসিস্ট বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কোনো সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে অবহেলা করা যাবে না। জ্বর, ব্যথা বা অন্য উপসর্গ বাড়লেও দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, সেলফ কেয়ার আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করতে পারে কিন্তু তা কখনোই চিকিৎসকের বিকল্প নয়।

নিত্যদিনের ব্যস্ততায় অনেকসময়ই নিজের শরীর বা মনের খোঁজ নেওয়া হয় না। অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত নিজের যত্ন নেওয়া। প্রতিদিনের কিছু ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ভবিষ্যতকে সহজ করতে পারে। নিজের যত্ন নিলে রোগ-বালাইও আপনার থেকে দূরে থাকতে পারে। এই বার্তাই সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর পালিত হয় ‘সেলফ কেয়ার ডে’। দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, নিজের যত্ন নেওয়া সুস্থ জীবনের প্রথম ও প্রধান শর্ত।
সেলফ কেয়ার মানে নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিজে নেওয়া। তা শারীরিক হোক বা মানসিক। সহজ ভাষায়, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন যেসব ভালো অভ্যাস গড়ে তুলি, সেগুলোই সেলফ কেয়ার। যেমন পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ইত্যাদি। এমনকি মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা কমানো বা ধূমপান ও অন্যান্য ক্ষতিকর অভ্যাস এড়িয়ে চলাও সেলফ কেয়ারের অংশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, সেলফ কেয়ার হলো নিজের স্বাস্থ্য রক্ষা করার সক্ষমতা। এর মাধ্যমে মানুষ যেমন অনেক জটিল রোগ প্রতিরোধ করতে পারে, তেমনি সুস্থ জীবনও বজায় রাখা সম্ভব। প্রতিবছর ২৪ জুলাই বিশ্বজুড়ে সেলফ কেয়ার ডে পালিত হয়। এই তারিখের পেছনেও রয়েছে অর্থবহ বার্তা। বছরে একদিন নয়, প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্তে নিজের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে।
সেলফ কেয়ার ধারণাটি অবশ্য নতুন নয়। বহু শতাব্দী ধরেই মানুষ ঘরোয়া পরিচর্যা, পুষ্টিকর খাদ্য, পর্যাপ্ত বিশ্রাম কিংবা পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে নিজের স্বাস্থ্য রক্ষার চেষ্টা করেছে। তবে উনিশ ও বিশ শতকে সেলফ-কেয়ার নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো হয়। কারণ সেসময় আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতির ফলে মানুষ চিকিৎসক ও হাসপাতালের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। রোগীকে তখন মূলত চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে চলা একজন রোগী বা ‘রিসিভার’ হিসেবে দেখা হতো।
কিন্তু বিশ শতকের শেষভাগে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগ দ্রুত বাড়তে থাকে। এসব রোগ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। তখন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আবারও সেলফ কেয়ারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তখন থেকেই চিকিৎসার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া শুরু হয়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সেলফ কেয়ারের সাতটি মৌলিক ভিত্তি বা ‘সেভেন পিলারস অব সেলফ কেয়ার’ নির্ধারণ করেছেন।
নিজের শরীর সম্পর্কে জানা সেলফ কেয়ারের প্রথম ধাপ। কোন অভ্যাস ক্ষতিকর, কোনটি উপকারী, কীভাবে রোগ প্রতিরোধ করা যায়—এসব বিষয়ে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। ভুল তথ্য বা গুজবের ওপর নির্ভর করে নিজের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
শুধু শরীর নয়, মনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বেগ কিংবা হতাশা দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে শরীরের পাশাপাশি মনকেও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা কিংবা নিজের অনুভূতির প্রতি যত্নবান হওয়াও সেলফ কেয়ারের অংশ। মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও নিজের যত্ন নেওয়ার মধ্যেই পড়ে।
শরীর ও মন ঠিক রাখতে শরীরচর্চার বিকল্প নেই। এজন্য যে জিমে যেতে হবে কিংবা কঠোর নিয়মকানুনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে, তা কিন্তু নয়। হাঁটাচলা করা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কিংবা হালকা ব্যায়াম আমাদের শরীরকে সক্রিয় রাখে। নিয়মিত ব্যায়াম হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস এবং স্থূলতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি মানসিক প্রশান্তিও এনে দেয়।
সেলফ কেয়ারের চতুর্থ ভিত্তি সুষম খাদ্য। সুস্থ জীবনের অন্যতম ভিত্তি পুষ্টিকর খাবার। প্রতিদিন পর্যাপ্ত শাকসবজি, ফল, ডাল, মাছ, দুধ এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত চিনি, লবণ এবং চর্বিযুক্ত খাবার কমানো উচিত। পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান করাও স্বাস্থ্যকর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ অভ্যাস থেকে দূরে থাকাও নিজের যত্ন নেওয়ার মধ্যে পড়ে। ধূমপান, তামাকজাত পণ্য, অতিরিক্ত মদ্যপান কিংবা মাদকাসক্তি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এসব অভ্যাস অনেক জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই সুস্থ জীবন গড়তে ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো বাদ দেওয়া প্রয়োজন।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাও জীবনে ভালো থাকার এবং রোগ প্রতিরোধের সহজ উপায়। নিয়মিত হাত ধোয়া, পরিষ্কার খাবার খাওয়া, নিরাপদ পানি পান করা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমায়।
সেলফ কেয়ারের সপ্তম ভিত্তি হলো যেকোনো চিকিৎসা গ্রহণের ব্যাপারে সচেতন থাকা। যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে নির্দেশনা ভালোভাবে পড়তে হবে। প্রয়োজন হলে ফার্মাসিস্ট বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কোনো সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে অবহেলা করা যাবে না। জ্বর, ব্যথা বা অন্য উপসর্গ বাড়লেও দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, সেলফ কেয়ার আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করতে পারে কিন্তু তা কখনোই চিকিৎসকের বিকল্প নয়।
.png)

বিখ্যাত ‘গ্রেট মাইগ্রেশন’ সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেয়েছেন ভ্রমণপিপাসু তানভীর অপু। এটি মূলত সবুজ ঘাস ও পানির সন্ধানে লাখ লাখ ওয়াইল্ডবিস্ট এবং জেব্রার এক দেশ থেকে আরেক দেশে দলবেঁধে ছুটে চলার বার্ষিক মহাযাত্রা। বিশেষ করে মারা নদী পার হওয়ার সময় বন্যপ্রাণীদের জীবন-মৃত্যুর সেই রোমাঞ্চকর লড়াই তিনি খুব
১৮ ঘণ্টা আগে
জীবনে তিনি রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী—এমন অনেক কিছুই হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার পর শেষমেশ লেখক হওয়াকেই বেছে নেন আহমদ ছফা। নিজের লেখা একটি প্রবন্ধে তিনি নিজেই এ কথা স্বীকার করেছেন। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই লেখকের সমাজ ও দেশকে দেখার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ছিল।
২০ ঘণ্টা আগে
রাস্তার ধারে একটি ওয়ালেট পড়ে আছে। আশপাশে কেউ নেই। সুযোগ বুঝে আপনি সেটি তুলে নিলেন। খুলে দেখলেন, ভেতরে কিছু টাকা, ব্যাংক কার্ড আর মালিকের পরিচয়পত্র। এবার কী করবেন? মালিককে খুঁজে ওয়ালেট ফিরিয়ে দেবেন, নাকি চুপচাপ নিজের পকেটে পুরবেন?
২১ ঘণ্টা আগে
টেলিভিশন চালু করলেই টুথপেস্টের নানা রকম বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। কোনো বিজ্ঞাপনে জানতে চাওয়া হয় টুথপেস্টে নুন (লবণ) আছে কি না, কোনোটি দাঁতের শিরশির ভাব দূর করার কথা বলে, আবার কোনোটি দেয় নিঃশ্বাসের সতেজতা। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, আমাদের ব্যবহৃত বেশিরভাগ টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি আছে। আর তা নিয়ে
২৭ জুলাই ২০২৬