স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীতে মেট্রোরেলের পিলার থেকে খুলে পড়া দুটি বিয়ারিং প্যাডই ত্রুটিপূর্ণ ছিল। তবে এ ঘটনায় নাশকতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে তদন্ত কমিটি এ তথ্য জানায়।
এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিয়ারিং প্যাডগুলোর ৮-১০টি প্যারামিটারের মধ্যে দুটির মান আশানুরূপ ছিল না। তবে এর ভিত্তিতে সব প্যাড খারাপ বা ভালো—কোনোটিই বলা যাবে না।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের পিলারের বিয়ারিং প্যাড বিচ্যুত হয়ে নিচে পড়ে যায়। এতে আবুল কালাম নামে এক পথচারী নিহত হন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিতে বুয়েট, এমআইএসটি ও ডিএমটিসিএল-এর বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি এবং সিআইডির ফরেনসিক প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন, প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং ল্যাবরেটরি টেস্টসহ ১০টি সভার মাধ্যমে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে।
উপদেষ্টা জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিচ্যুত বিয়ারিং প্যাডের হার্ডনেস, কম্প্রেশন সেট ও নিওপ্রিন কনটেন্ট সঠিক ছিল না বলে প্রতীয়মান হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিদেশের ল্যাবরেটরিতে আরও পরীক্ষার প্রয়োজন। এ ছাড়া প্যাডগুলো কিছুটা ঢালু অবস্থায় স্থাপন করায় বিচ্যুতি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফার্মগেট স্টেশনের উভয় প্রান্তে লাইনটি বৃত্তাকার (কার্ভ অ্যালাইনমেন্ট)। কিন্তু সোজা অংশ ও বৃত্তাকার অংশের মধ্যে কোনো ‘ট্রানজিশন কার্ভ’ ব্যবহার করা হয়নি। নকশায় ত্রুটি থাকতে পারে বলে কমিটি মনে করছে। ট্রেন চলার সময় ওই অংশের পিলারে (পিয়ার নং ৪৩০ ও ৪৩৩) অন্যান্য পিলারের তুলনায় অনেক বেশি কম্পন বা ভাইব্রেশন পরিলক্ষিত হয়েছে। এই অতিরিক্ত কম্পনের কারণে প্যাড বিচ্যুত হতে পারে।
অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, কার্ভ অ্যালাইনমেন্ট এবং নিকটস্থ স্টেশনে রেলট্র্যাকের নিচে ‘ম্যাস-স্প্রিং ড্যাম্পার সিস্টেম’ থাকলেও দুর্ঘটনাস্থলে ‘রিজিড ট্র্যাক’ রাখা হয়েছে। সেখানে ম্যাস-স্প্রিং ড্যাম্পার সিস্টেম থাকলে কম্পন কমানো সম্ভব হতো।
তবে কমিটি ঘটনার সঙ্গে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের কোনো যোগসাজশ পায়নি।
ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা এড়াতে কমিটি পাঁচটি সুপারিশ করেছে বলে জানান উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।

রাজধানীতে মেট্রোরেলের পিলার থেকে খুলে পড়া দুটি বিয়ারিং প্যাডই ত্রুটিপূর্ণ ছিল। তবে এ ঘটনায় নাশকতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে তদন্ত কমিটি এ তথ্য জানায়।
এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিয়ারিং প্যাডগুলোর ৮-১০টি প্যারামিটারের মধ্যে দুটির মান আশানুরূপ ছিল না। তবে এর ভিত্তিতে সব প্যাড খারাপ বা ভালো—কোনোটিই বলা যাবে না।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের পিলারের বিয়ারিং প্যাড বিচ্যুত হয়ে নিচে পড়ে যায়। এতে আবুল কালাম নামে এক পথচারী নিহত হন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিতে বুয়েট, এমআইএসটি ও ডিএমটিসিএল-এর বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি এবং সিআইডির ফরেনসিক প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন, প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং ল্যাবরেটরি টেস্টসহ ১০টি সভার মাধ্যমে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে।
উপদেষ্টা জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিচ্যুত বিয়ারিং প্যাডের হার্ডনেস, কম্প্রেশন সেট ও নিওপ্রিন কনটেন্ট সঠিক ছিল না বলে প্রতীয়মান হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিদেশের ল্যাবরেটরিতে আরও পরীক্ষার প্রয়োজন। এ ছাড়া প্যাডগুলো কিছুটা ঢালু অবস্থায় স্থাপন করায় বিচ্যুতি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফার্মগেট স্টেশনের উভয় প্রান্তে লাইনটি বৃত্তাকার (কার্ভ অ্যালাইনমেন্ট)। কিন্তু সোজা অংশ ও বৃত্তাকার অংশের মধ্যে কোনো ‘ট্রানজিশন কার্ভ’ ব্যবহার করা হয়নি। নকশায় ত্রুটি থাকতে পারে বলে কমিটি মনে করছে। ট্রেন চলার সময় ওই অংশের পিলারে (পিয়ার নং ৪৩০ ও ৪৩৩) অন্যান্য পিলারের তুলনায় অনেক বেশি কম্পন বা ভাইব্রেশন পরিলক্ষিত হয়েছে। এই অতিরিক্ত কম্পনের কারণে প্যাড বিচ্যুত হতে পারে।
অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, কার্ভ অ্যালাইনমেন্ট এবং নিকটস্থ স্টেশনে রেলট্র্যাকের নিচে ‘ম্যাস-স্প্রিং ড্যাম্পার সিস্টেম’ থাকলেও দুর্ঘটনাস্থলে ‘রিজিড ট্র্যাক’ রাখা হয়েছে। সেখানে ম্যাস-স্প্রিং ড্যাম্পার সিস্টেম থাকলে কম্পন কমানো সম্ভব হতো।
তবে কমিটি ঘটনার সঙ্গে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের কোনো যোগসাজশ পায়নি।
ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা এড়াতে কমিটি পাঁচটি সুপারিশ করেছে বলে জানান উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।

মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের হাতে থাকা আমদানিকৃত ফোনের স্টক লটকেও বৈধতা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আগামী শনিবার (৩ জানুয়ারি) প্রকাশ করা হতে পারে। জোটের শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতার প্রতিবাদ অংশ নিয়ে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত প্রায় হাজারখানে হামলাকারী ভবনের চতুর্দিক থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা এলাকায় উত্তেজিত লোকজনের মারধর ও ধারালো অস্ত্রের কোপে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে থানার দেওভোগ নাগবাড়ি মোড় এলাকায় একটি ফলের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তাঁকে এই মারধর করা হয় বলে জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে