স্ট্রিম প্রতিবেদক

গণভোট ও সংস্কারের মতো রাজনৈতিক বিষয়কে আদালতে নিয়ে যাওয়া সঠিক নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, অতীতে সংসদীয় বিষয় আদালতে নেওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়েছে। হাইকোর্টে গণভোটকে অসাংবিধানিক ঘোষণার রিট আবেদন করা হয়েছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর যে ফ্যাসিস্ট সরকার ছিল। তারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশের রাজনীতি, সংসদীয় ব্যবস্থা, গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে তছনছ করেছে। তারা বৈষম্য ও মারাত্মক ট্রমা দেশের মানুষের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে সেই শাসকের বিদায় ঘটে। ২৫-এর গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। যাদের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার ছিল—সংস্কার, ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার এবং একটি সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন।’
তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং তারা তিনটি কাজের কতটুকু করেছে; তা জাতির সামনে স্পষ্ট। সংস্কারের জন্য জাতীয় সংস্কার কমিশন গঠন করা হয় এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রস্তাব চাওয়া হয়। সব রাজনৈতিক দল তাদের অবস্থান থেকে প্রস্তাব দেয়। পরে ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। প্রায় ৩৩টি দল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দীর্ঘ আট মাস আলোচনা, পর্যালোচনা ও বিতর্কে অংশ নেয়। এসব কার্যক্রম সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে প্রচারিত হয়। একপর্যায়ে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলো সই করে।’
তিনি বলেন, ‘এটির আইনি ভিত্তি দেওয়ার জন্য গণভোটের কোনো বিকল্প নেই, এ বিষয়েও সবাই একমত হয়। যদিও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট হলে ভালো হতো—এমন মত ছিল, তবে পরে সিদ্ধান্ত হয় জাতীয় নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সেই অনুযায়ী গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে সংস্কার প্রস্তাব দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোটে গৃহীত হয়। সংস্কার প্রস্তাবের ৪৮টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, যাতে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদ, স্বৈরশাসন, একনায়কতন্ত্র ও লুটপাটের সুযোগ না থাকে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরের দিন সংবাদ সম্মেলনে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের কমিটমেন্ট দেওয়া হয়। জাতীয় সংসদের শপথের দিন দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল—একটি গণপরিষদ হিসেবে সংবিধান সংশোধনের দায়িত্ব পালনের জন্য এবং অন্যটি জাতীয় সংসদের নিয়মিত দায়িত্বের জন্য। কিন্তু বিএনপির এমপিরা সেই শপথ নেননি। ১১ দলীয় জোটের ৭৭ জন সদস্য শপথ নিয়েছেন।‘
এ অবস্থায় হাইকোর্টে গণভোটকে অসাংবিধানিক ঘোষণার রিট করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের অধিবেশন ১২ তারিখ বসবে। এ ধরনের রাজনৈতিক বিষয় আদালতে নিয়ে যাওয়া সঠিক নয়। অতীতে সংসদীয় বিষয় আদালতে নেওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি সংসদ সদস্যদের আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।
এরপর বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির। তিনি বলেন, দুটি রিট পিটিশনের শুনানি হয়েছে। একটিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫, সাংবিধানিক সংস্কার সভা গঠন এবং সংসদ সদস্যদের শপথকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না—এই মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। অন্য রিটে গণভোট অধ্যাদেশের ধারা ৩-এ উল্লিখিত প্রশ্ন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না—তা চাওয়া হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়, ক্যাবিনেট ডিভিশন, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, গণভোট হয়ে গেছে এবং মানুষ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে। প্রশ্ন এখন ফলাফলে পরিণত হয়েছে। ফলে প্রশ্নকে চ্যালেঞ্জ মানে ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ। জুলাই সনদ ঐকমত্যের ভিত্তিতে হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির আদেশে তা জারি হয়েছে। সংসদ বসতে আর ১০ দিন বাকি থাকা অবস্থায় এ রিট দায়েরের উদ্দেশ্য কী—এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হয়েছে, কিন্তু চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে শুধু গণভোটকে। জাতীয় নির্বাচন ঠিক থাকবে, কিন্তু গণপরিষদ গঠন করা যাবে না—এমন অবস্থান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অতীতে আদালতকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে বিপর্যয় তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যে নেওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হলে আলোচনার মাধ্যমেই সরে আসতে হবে। আদালতকে ব্যবহার করে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা রাজনৈতিক ও আইনি ভুল হবে। বিচার বিভাগের ওপর এভাবে চাপ সৃষ্টি করাও সঠিক নয়।

গণভোট ও সংস্কারের মতো রাজনৈতিক বিষয়কে আদালতে নিয়ে যাওয়া সঠিক নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, অতীতে সংসদীয় বিষয় আদালতে নেওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়েছে। হাইকোর্টে গণভোটকে অসাংবিধানিক ঘোষণার রিট আবেদন করা হয়েছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর যে ফ্যাসিস্ট সরকার ছিল। তারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশের রাজনীতি, সংসদীয় ব্যবস্থা, গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে তছনছ করেছে। তারা বৈষম্য ও মারাত্মক ট্রমা দেশের মানুষের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে সেই শাসকের বিদায় ঘটে। ২৫-এর গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। যাদের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার ছিল—সংস্কার, ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার এবং একটি সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন।’
তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং তারা তিনটি কাজের কতটুকু করেছে; তা জাতির সামনে স্পষ্ট। সংস্কারের জন্য জাতীয় সংস্কার কমিশন গঠন করা হয় এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রস্তাব চাওয়া হয়। সব রাজনৈতিক দল তাদের অবস্থান থেকে প্রস্তাব দেয়। পরে ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। প্রায় ৩৩টি দল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দীর্ঘ আট মাস আলোচনা, পর্যালোচনা ও বিতর্কে অংশ নেয়। এসব কার্যক্রম সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে প্রচারিত হয়। একপর্যায়ে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলো সই করে।’
তিনি বলেন, ‘এটির আইনি ভিত্তি দেওয়ার জন্য গণভোটের কোনো বিকল্প নেই, এ বিষয়েও সবাই একমত হয়। যদিও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট হলে ভালো হতো—এমন মত ছিল, তবে পরে সিদ্ধান্ত হয় জাতীয় নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সেই অনুযায়ী গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে সংস্কার প্রস্তাব দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোটে গৃহীত হয়। সংস্কার প্রস্তাবের ৪৮টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, যাতে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদ, স্বৈরশাসন, একনায়কতন্ত্র ও লুটপাটের সুযোগ না থাকে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরের দিন সংবাদ সম্মেলনে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের কমিটমেন্ট দেওয়া হয়। জাতীয় সংসদের শপথের দিন দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল—একটি গণপরিষদ হিসেবে সংবিধান সংশোধনের দায়িত্ব পালনের জন্য এবং অন্যটি জাতীয় সংসদের নিয়মিত দায়িত্বের জন্য। কিন্তু বিএনপির এমপিরা সেই শপথ নেননি। ১১ দলীয় জোটের ৭৭ জন সদস্য শপথ নিয়েছেন।‘
এ অবস্থায় হাইকোর্টে গণভোটকে অসাংবিধানিক ঘোষণার রিট করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের অধিবেশন ১২ তারিখ বসবে। এ ধরনের রাজনৈতিক বিষয় আদালতে নিয়ে যাওয়া সঠিক নয়। অতীতে সংসদীয় বিষয় আদালতে নেওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি সংসদ সদস্যদের আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।
এরপর বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির। তিনি বলেন, দুটি রিট পিটিশনের শুনানি হয়েছে। একটিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫, সাংবিধানিক সংস্কার সভা গঠন এবং সংসদ সদস্যদের শপথকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না—এই মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। অন্য রিটে গণভোট অধ্যাদেশের ধারা ৩-এ উল্লিখিত প্রশ্ন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না—তা চাওয়া হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়, ক্যাবিনেট ডিভিশন, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, গণভোট হয়ে গেছে এবং মানুষ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে। প্রশ্ন এখন ফলাফলে পরিণত হয়েছে। ফলে প্রশ্নকে চ্যালেঞ্জ মানে ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ। জুলাই সনদ ঐকমত্যের ভিত্তিতে হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির আদেশে তা জারি হয়েছে। সংসদ বসতে আর ১০ দিন বাকি থাকা অবস্থায় এ রিট দায়েরের উদ্দেশ্য কী—এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হয়েছে, কিন্তু চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে শুধু গণভোটকে। জাতীয় নির্বাচন ঠিক থাকবে, কিন্তু গণপরিষদ গঠন করা যাবে না—এমন অবস্থান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অতীতে আদালতকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে বিপর্যয় তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যে নেওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হলে আলোচনার মাধ্যমেই সরে আসতে হবে। আদালতকে ব্যবহার করে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা রাজনৈতিক ও আইনি ভুল হবে। বিচার বিভাগের ওপর এভাবে চাপ সৃষ্টি করাও সঠিক নয়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে শোক ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
২ দিন আগে
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনিক পদে ব্যাপক রদবদল হচ্ছে। যারমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর, মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশপ্রধানের মতো পদ রয়েছে। রদবদল হয়েছে সেনাবাহিনীতেও।
২ দিন আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সৈয়দ আলী হোসেইনি খামেনির প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ রোববার (১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এই শোক প্রকাশ করেছেন তিনি।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণআকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং জুলাই সনদে বর্ণিত সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা নবগঠিত জাতীয় সংসদের পবিত্র দায়িত্ব।
৩ দিন আগে