স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঈদের দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও বৈরী আবহাওয়া ও যাতায়াত সমস্যার কারণে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে আশানুরূপ পর্যটক আগমন ঘটেনি। এতে লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট লক্ষাধিক মানুষ।
গ্রিন ট্যুরিজমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়া, ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস এবং যাতায়াতে অনিশ্চয়তার কারণে অনেকেই ভ্রমণ পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। ফলে সুযোগ থাকলেও পর্যটকের সংখ্যা আশানুরূপ হয়নি এবং এর প্রভাব পড়েছে পর্যটননির্ভর অর্থনীতিতে।’
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, ‘কুয়াকাটার অর্থনীতি পর্যটকদের ওপর নির্ভর। পর্যটক কম হলে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও পরিবহনসহ সব খাতেই প্রভাব পড়ে।’
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মোতালেব শরীফ বলেন, ‘কুয়াকাটায় বর্তমানে প্রায় ২৪০ থেকে ২৫০টি হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬ হাজার ৫০০ কক্ষে একসঙ্গে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার পর্যটকের আবাসনের ব্যবস্থা আছে। প্রতিদিন হোটেলগুলো থেকে দেড় কোটি টাকা আয় হওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। প্রতিদিন ৫০ লাখ টাকার মতো আয় হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত বছরের ঈদ মৌসুমে হোটেল-রিসোর্ট খাতে দিনে প্রায় ৫ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছিল। এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিন দিনে মাত্র দেড় কোটি টাকা আয় হয়েছে। ছুটির বাকি দিনগুলোতে পর্যটক না বাড়লে ব্যবসায়ীদের বড় লোকসান হবে।’
তবে যারা এসেছেন, ভিড় কম থাকায় তারা নিরিবিলি পরিবেশ উপভোগ করছেন। রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক সোনালি রায় বিচে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘ভিড় কম থাকায় নিরিবিলি পরিবেশে প্রকৃতি উপভোগ করছি।’
ঢাকা থেকে আগত পর্যটক রুহুল আমীন বলেন, ‘আসার আগে শুনেছি উপকূলীয় এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। আবার সড়কপথেও কিছুটা ভোগান্তি হবে শুনেছি, ফলে পরিবারের অনেকেই আসতে চাননি। শেষ পর্যন্ত মাত্র তিনজনে এসেছি।’
খুলনা থেকে আগত পর্যটক অমলেন্দু কর বলেন, ‘কুয়াকাটায় আসতে সময় বেশি লাগে। ঈদের সময় সড়কে যানজটের শঙ্কার কারণে অনেকেই এখন স্বল্প সময়ে ঘুরে আসা যায় এমন পর্যটনকেন্দ্র বেছে নিচ্ছেন।’
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘দীর্ঘ ছুটিতে এবার পর্যটকের রেকর্ড উপস্থিতি আশা করেছিলাম। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া এবং ভ্রমণ পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তার কারণে অনেক পর্যটক শেষ মুহূর্তে সফর বাতিল করেছেন। তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।’
সৈকতের পাশে পর্যটকদের অপেক্ষায় অলস বসে থাকা মোটরসাইকেল চালক আবুল খায়ের খলিফা বলেন, ‘ঈদের সময় সাধারণত কাজের চাপ সামলানো যায় না। কিন্তু এবার পর্যটক কম। ফলে আয়ও কমে গেছে। দুই দিনে মাত্র এক হাজার ৩০০ টাকা পেয়েছি। অথচ গত বছর গড়ে প্রতিদিন এক হাজার টাকা করে ভাড়া পেয়েছি।’
কুয়াকাটা প্রেসিডেন্ট পার্ক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের জেনারেল ম্যানেজার মোরশেদ خان বলেন, ‘ঈদের সময় সাধারণত পর্যটকের উপচে পড়া চাপ থাকে। সেই হিসাবেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এবার প্রত্যাশিত পর্যটক আসেননি। ফলে অনেক কক্ষ ফাঁকা রয়েছে।’
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সৈকত এলাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌপুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে।’
কুয়াকাটা পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা কলাপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। থানা পুলিশ, পর্যটন পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম দায়িত্ব পালন করছে।’

ঈদের দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও বৈরী আবহাওয়া ও যাতায়াত সমস্যার কারণে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে আশানুরূপ পর্যটক আগমন ঘটেনি। এতে লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট লক্ষাধিক মানুষ।
গ্রিন ট্যুরিজমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়া, ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস এবং যাতায়াতে অনিশ্চয়তার কারণে অনেকেই ভ্রমণ পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। ফলে সুযোগ থাকলেও পর্যটকের সংখ্যা আশানুরূপ হয়নি এবং এর প্রভাব পড়েছে পর্যটননির্ভর অর্থনীতিতে।’
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, ‘কুয়াকাটার অর্থনীতি পর্যটকদের ওপর নির্ভর। পর্যটক কম হলে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও পরিবহনসহ সব খাতেই প্রভাব পড়ে।’
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মোতালেব শরীফ বলেন, ‘কুয়াকাটায় বর্তমানে প্রায় ২৪০ থেকে ২৫০টি হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬ হাজার ৫০০ কক্ষে একসঙ্গে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার পর্যটকের আবাসনের ব্যবস্থা আছে। প্রতিদিন হোটেলগুলো থেকে দেড় কোটি টাকা আয় হওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। প্রতিদিন ৫০ লাখ টাকার মতো আয় হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত বছরের ঈদ মৌসুমে হোটেল-রিসোর্ট খাতে দিনে প্রায় ৫ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছিল। এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিন দিনে মাত্র দেড় কোটি টাকা আয় হয়েছে। ছুটির বাকি দিনগুলোতে পর্যটক না বাড়লে ব্যবসায়ীদের বড় লোকসান হবে।’
তবে যারা এসেছেন, ভিড় কম থাকায় তারা নিরিবিলি পরিবেশ উপভোগ করছেন। রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক সোনালি রায় বিচে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘ভিড় কম থাকায় নিরিবিলি পরিবেশে প্রকৃতি উপভোগ করছি।’
ঢাকা থেকে আগত পর্যটক রুহুল আমীন বলেন, ‘আসার আগে শুনেছি উপকূলীয় এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। আবার সড়কপথেও কিছুটা ভোগান্তি হবে শুনেছি, ফলে পরিবারের অনেকেই আসতে চাননি। শেষ পর্যন্ত মাত্র তিনজনে এসেছি।’
খুলনা থেকে আগত পর্যটক অমলেন্দু কর বলেন, ‘কুয়াকাটায় আসতে সময় বেশি লাগে। ঈদের সময় সড়কে যানজটের শঙ্কার কারণে অনেকেই এখন স্বল্প সময়ে ঘুরে আসা যায় এমন পর্যটনকেন্দ্র বেছে নিচ্ছেন।’
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘দীর্ঘ ছুটিতে এবার পর্যটকের রেকর্ড উপস্থিতি আশা করেছিলাম। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া এবং ভ্রমণ পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তার কারণে অনেক পর্যটক শেষ মুহূর্তে সফর বাতিল করেছেন। তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।’
সৈকতের পাশে পর্যটকদের অপেক্ষায় অলস বসে থাকা মোটরসাইকেল চালক আবুল খায়ের খলিফা বলেন, ‘ঈদের সময় সাধারণত কাজের চাপ সামলানো যায় না। কিন্তু এবার পর্যটক কম। ফলে আয়ও কমে গেছে। দুই দিনে মাত্র এক হাজার ৩০০ টাকা পেয়েছি। অথচ গত বছর গড়ে প্রতিদিন এক হাজার টাকা করে ভাড়া পেয়েছি।’
কুয়াকাটা প্রেসিডেন্ট পার্ক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের জেনারেল ম্যানেজার মোরশেদ خان বলেন, ‘ঈদের সময় সাধারণত পর্যটকের উপচে পড়া চাপ থাকে। সেই হিসাবেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এবার প্রত্যাশিত পর্যটক আসেননি। ফলে অনেক কক্ষ ফাঁকা রয়েছে।’
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সৈকত এলাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌপুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে।’
কুয়াকাটা পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা কলাপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। থানা পুলিশ, পর্যটন পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম দায়িত্ব পালন করছে।’

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পুকুরে ডুবে যাওয়া তিন শিশুকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে এক মাছচাষি ও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে তার সাহসী প্রচেষ্টায় প্রাণে বেঁচে গেছে আরও দুই শিশু।
২০ মিনিট আগে
খুলনা নগরের একটি বাসা থেকে এক নানি-নাতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে অপর এক নাতি।
৪০ মিনিট আগে
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছে সাজেকসহ রাঙামাটির কেন্দ্রগুলো। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকেরা জেলার দর্শনীয় জায়গায়গুলো ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আবার অনেকে ইঞ্জিনচালিত বোটে করে কাপ্তাই হ্রদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
১ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকার গাবতলী পশুর হাটে গরু বিক্রি করতে এসে মো. মোফাজ্জল হোসেন (মফে ফারাজী) নামে এক ব্যবসায়ী নিখোঁজ হয়েছেন। গত চার দিন তাঁর কোনো সন্ধান না মেলায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে
২ ঘণ্টা আগে