নুরাল পাগলার দরবার কাণ্ড
নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল হত্যা মামলায় চারজন এবং পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর মামলায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সুনির্দিষ্ট তথ্য, ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবারে হামলার সময় রাসেল মোল্লা নামে এক ভক্ত নিহতের ঘটনায় করার মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে তাঁদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা ও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পুলিশ। রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শরীফ আল রাজীব এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নতুন করে গ্রেপ্তার দুজন হলেন গোয়ালন্দ পৌরসভার কাজীপাড়ার শান্ত কাজী (১৯) ও পার্শ্ববর্তী জেলা ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ঘটরকান্দা গ্রামের বাসিন্দা মো. আনিসুর রহমান (৩০)। এর আগে ঘটনার দিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এতে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত হত্যা মামলায় চারজনসহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হামলার ঘটনার তিন দিন পর সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল মোল্লাকে হত্যা ও দরবারে ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ, নুরাল পাগলার লাশ তুলে নিয়ে পোড়ানো ও লুটপাটের অভিযোগে নিহতের বাবা আমজাদ মোল্লা গোয়ালন্দ থানায় একটি মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ব্যক্তিজনকে আসামি করা করা হয়। তার আগে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে অজ্ঞাতনামা তিন হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা।
এদিকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে হত্যা মামলার আসামি উপজেলার কছিম উদ্দিন পাড়া এলাকার ছমির মোল্লা জামে মসজিদের ইমাম মো. আবদুল লতিফ (৩৫) ও পৌর শহরের আলম চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা অভি মন্ডল রঞ্জু (২৯) এবং পুলিশে ওপর হামলা মামলার আসামি উপজেলার দেওয়ানপাড়া গ্রামের কাজীপাড়ার বাসিন্দা কাজী অপু, পৌরসভার আদর্শ গ্রামের বিল্লু ও নজর উদ্দিন সরদারপাড়ার সোহান সরদার (৩৩) সহ পাঁচজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব বলেন, কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দুটি করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্য, ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে দুই মামলায় আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত সহস্রাধিক ব্যক্তি। এতে মধ্যে নুরাল পাগলার মাজারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানো ও রাসেল মোল্লা হত্যার ‘প্রত্যক্ষ নির্দেশদাতা’ হিসেবে উপজেলার কছিম উদ্দিন পাড়া এলাকার ছমির মোল্লা জামে মসজিদের ইমাম মো. আবদুল লতিফকে (৩৫) মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গোয়ালন্দে অধিকাংশ মসজিদে ইমাম ও মুয়াজ্জিন নেই বলে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। পরে তা জেলা পুলিশের দৃষ্টিগোচর হয়।
নিরপরাধ কোনো ব্যক্তিকে অযথা হয়রানি সুযোগ নেই বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব বলেন, ‘মামলা সংশ্লিষ্ট গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। কেবলমাত্র নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের গ্রেপ্তার আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।’
এর আগে গোয়ালন্দে নুরাল পাগলার করব নিয়ে আপত্তি তুলে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে ‘ইমান আক্বিদা রক্ষা কমিটি’ ব্যানারে বিক্ষোভ করে মাজারে হামলা চালানো হয়। এতে সংঘর্ষে নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। এক পর্যায়ে নুরাল পাগলের লাশ কবর থেকে উঠিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দের পদ্মার মোড় নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত লোকজন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের দুটি পিকআপ ও গোয়ালন্দ ইউএনও গাড়ি ভাঙচুর করে তারা।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবারে হামলার সময় রাসেল মোল্লা নামে এক ভক্ত নিহতের ঘটনায় করার মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে তাঁদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা ও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পুলিশ। রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শরীফ আল রাজীব এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নতুন করে গ্রেপ্তার দুজন হলেন গোয়ালন্দ পৌরসভার কাজীপাড়ার শান্ত কাজী (১৯) ও পার্শ্ববর্তী জেলা ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ঘটরকান্দা গ্রামের বাসিন্দা মো. আনিসুর রহমান (৩০)। এর আগে ঘটনার দিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এতে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত হত্যা মামলায় চারজনসহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হামলার ঘটনার তিন দিন পর সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল মোল্লাকে হত্যা ও দরবারে ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ, নুরাল পাগলার লাশ তুলে নিয়ে পোড়ানো ও লুটপাটের অভিযোগে নিহতের বাবা আমজাদ মোল্লা গোয়ালন্দ থানায় একটি মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ব্যক্তিজনকে আসামি করা করা হয়। তার আগে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে অজ্ঞাতনামা তিন হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা।
এদিকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে হত্যা মামলার আসামি উপজেলার কছিম উদ্দিন পাড়া এলাকার ছমির মোল্লা জামে মসজিদের ইমাম মো. আবদুল লতিফ (৩৫) ও পৌর শহরের আলম চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা অভি মন্ডল রঞ্জু (২৯) এবং পুলিশে ওপর হামলা মামলার আসামি উপজেলার দেওয়ানপাড়া গ্রামের কাজীপাড়ার বাসিন্দা কাজী অপু, পৌরসভার আদর্শ গ্রামের বিল্লু ও নজর উদ্দিন সরদারপাড়ার সোহান সরদার (৩৩) সহ পাঁচজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব বলেন, কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দুটি করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্য, ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে দুই মামলায় আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত সহস্রাধিক ব্যক্তি। এতে মধ্যে নুরাল পাগলার মাজারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানো ও রাসেল মোল্লা হত্যার ‘প্রত্যক্ষ নির্দেশদাতা’ হিসেবে উপজেলার কছিম উদ্দিন পাড়া এলাকার ছমির মোল্লা জামে মসজিদের ইমাম মো. আবদুল লতিফকে (৩৫) মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গোয়ালন্দে অধিকাংশ মসজিদে ইমাম ও মুয়াজ্জিন নেই বলে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। পরে তা জেলা পুলিশের দৃষ্টিগোচর হয়।
নিরপরাধ কোনো ব্যক্তিকে অযথা হয়রানি সুযোগ নেই বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব বলেন, ‘মামলা সংশ্লিষ্ট গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। কেবলমাত্র নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের গ্রেপ্তার আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।’
এর আগে গোয়ালন্দে নুরাল পাগলার করব নিয়ে আপত্তি তুলে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে ‘ইমান আক্বিদা রক্ষা কমিটি’ ব্যানারে বিক্ষোভ করে মাজারে হামলা চালানো হয়। এতে সংঘর্ষে নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। এক পর্যায়ে নুরাল পাগলের লাশ কবর থেকে উঠিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দের পদ্মার মোড় নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত লোকজন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের দুটি পিকআপ ও গোয়ালন্দ ইউএনও গাড়ি ভাঙচুর করে তারা।

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রকাশ্য স্থানে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১০ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগেঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর খাইয়ারা রাস্তার মাথা এলাকায় থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়সহ আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যুবদল নেতা মনির খানের (৩৮) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে স্বজনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে