আবদুল্লাহ কাফি

রাজধানীর ঘনবসতি এলাকা মিরপুরের পল্লবী ও রূপনগর নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৬ আসন। চুরি-ছিনতাই, জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট থেকে নাগরিক সমস্যার প্রায় সবই বর্তমান নিম্ন ও মধ্যম আয়ের বাসিন্দায় পূর্ণ আসনটিতে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাই বাসিন্দারা এমন প্রার্থীকেই খুঁজছেন, যিনি সমাধান করবেন এসব সমস্যা। প্রার্থীরাও ভোট টানতে দিচ্ছেন আশ্বাস।
চার লাখ ৪৯৯ ভোটারের আসনটিতে এবার প্রার্থী হয়েছেন ১১ জন। স্থানীয়রা বলছেন, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির প্রার্থী জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হকের সঙ্গে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জামায়াত নেতা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল বাতেনের। এই দুজনের প্রচারও বেশি। তারা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সমস্যার কথা শুনে দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি।
রূপনগর এলাকার মোহাম্মদ আবদুল বারেক স্ট্রিমকে বলেন, নির্বাচনের আগে সবাই তো মিঠা মিঠা কথা বলে। কিন্তু পরে আর কাউকে পাওয়া যায় না। তাই এমন প্রার্থীর জয়ী হওয়া দরকার, যাকে জনগণ সব সময় পাশে পাবে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল করবেন।
তিনি আরও বলেন, এলাকার যেখানে সেখানে কেমিক্যাল গুদাম করা হয়েছে। এতে বড় অগ্নিঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া চুরি-ছিনতাই, বর্ষায় নিচু এলাকায় পানি জমাসহ দুর্গন্ধ, মশা ও পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি রয়েছে।
বর্ধিত পল্লবী এলাকার ফিরোজ আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, মিরপুরে নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ থাকেন। যারা কারখানা, গার্মেন্টস ও বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তাদের মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিত করা জরুরি।

এই আসনে কোন প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা বেশি জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী বেশি প্রচার চালাচ্ছেন। এ ছাড়া অন্য প্রার্থীরা ভোট চাইতেও আসেননি। কার গ্রহণযোগ্যতা বেশি, সেটা ভোটের মাঠেই প্রমাণ হবে। তবে জামায়াত যে ক্লিন ইমেজের রাজনীতি করছে, এটাকে ফেলে দেওয়া যাবে না।
মিরপুর ১১ নম্বরের বাসিন্দা আল-আমিন স্ট্রিমকে বলেন, আমিনুল হক এই এলাকার ছেলে। সেই সঙ্গে তিনি জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাফজয়ী ফুটবলার। এই হিসেবে তাঁর একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে।
বাসিন্দাদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বিএনপি-জামায়াতের দুই প্রার্থীই জোর দিচ্ছেন এলাকার সমস্যায়। তাঁরা বলছেন, নির্বাচিত হলে প্রধান কাজ হবে, নাগরিক সংকটগুলো সমাধান করা।
বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক স্ট্রিমকে বলেন, এই এলাকায় নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। তারা দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। প্রত্যেকের জন্য স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে চাই। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল সমস্যা– গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও জলাবদ্ধতা। নির্বাচিত হলে পরিকল্পিতভাবে এগুলো সমাধান করতে চাই। সবচেয়ে বেশি নজর দিতে চাই শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে।’
জামায়াতের প্রার্থী কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘পল্লবীতে ক্রাইম বেশি। সেইসঙ্গে আছে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস। এসব পরিচালিত হয় রাজনীতির ছত্রছায়ায়। একসময় আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় চলত, এখন বিএনপির ছত্রছায়ায় চলছে। জয়ী হলে সন্ত্রাস দমন করব। চাঁদাবাজি বন্ধ করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া রাস্তার সংকট, পানি সমস্যা দূর করাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করব। এই এলাকায় সরকারি কোনো হাসপাতাল নেই, সেটাও করব।’

এলাকার সমস্যা সমাধান করতে পারবেন– এমন আশার পাশাপাশি দুই প্রার্থী জয়ের বিষয়েও বেশ আত্মবিশ্বাসী। আমিনুল হক বলেন, ‘আমি কর্মের ওপর শতভাগ বিশ্বাসী ও আস্থাশীল। এই এলাকায় যেহেতু ছোট থেকে বড় হয়েছি, আমি মনে করি, প্রতিযোগিতা থাকলেও এলাকার মানুষ আমার সঙ্গে রয়েছে। আমাকে ভোট দিয়ে তাঁরা জয়যুক্ত করবেন।
আমিনুল হককে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কিনা– প্রশ্নে আব্দুল বাতেন বলেন, ‘একেবারেই না। ভোটের বিবেচনায় উনি কোনোভাবেই চ্যালেঞ্জ না। কিন্তু তাঁর কার্যক্রম একটা চ্যালেঞ্জ। ৫ আগস্টের পর উনার যে কর্মকাণ্ড, সেটা তো মানুষ জানে।’
আব্দুল বাতেনের চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘এটা গতানুগতিক কথা। এটার ন্যূনতম প্রমাণ নেই। চাঁদাবাজির বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে আমরা কাজ করছি।’ তিনি উল্টো জামায়াতকে নিয়ে অভিযোগ করেন, ‘তারা শুরুটাই করেছে মিথ্যা দিয়ে। জনগণের কাছে তাদের কোনো অবস্থান নেই। যার কারণে তারা শুধু মিথ্যাচারের ওপর ভর করেছে।’
ঢাকা-১৬ আসনে এই দুজন ছাড়া অন্য প্রার্থীরা হলেন– বাংলাদেশ লেবার পার্টির এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আব্দুল কাদের জিলানী, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির (এনপিপি) তারিকূল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নাজমুল হক, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মামুন হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) রাশিদুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাইফুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির (জাপা) সুলতান আহম্মেদ সেলিম ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন মোহাম্মাদ তৌহিদুজ্জামান। তবে ভোটের মাঠে তাঁদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। মাঠে প্রচার যেমন কম, কালেভদ্রে চোখে পড়ে এসব প্রার্থীর ব্যানার-ফেস্টুন।

রাজধানীর ঘনবসতি এলাকা মিরপুরের পল্লবী ও রূপনগর নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৬ আসন। চুরি-ছিনতাই, জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট থেকে নাগরিক সমস্যার প্রায় সবই বর্তমান নিম্ন ও মধ্যম আয়ের বাসিন্দায় পূর্ণ আসনটিতে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাই বাসিন্দারা এমন প্রার্থীকেই খুঁজছেন, যিনি সমাধান করবেন এসব সমস্যা। প্রার্থীরাও ভোট টানতে দিচ্ছেন আশ্বাস।
চার লাখ ৪৯৯ ভোটারের আসনটিতে এবার প্রার্থী হয়েছেন ১১ জন। স্থানীয়রা বলছেন, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির প্রার্থী জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হকের সঙ্গে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জামায়াত নেতা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল বাতেনের। এই দুজনের প্রচারও বেশি। তারা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সমস্যার কথা শুনে দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি।
রূপনগর এলাকার মোহাম্মদ আবদুল বারেক স্ট্রিমকে বলেন, নির্বাচনের আগে সবাই তো মিঠা মিঠা কথা বলে। কিন্তু পরে আর কাউকে পাওয়া যায় না। তাই এমন প্রার্থীর জয়ী হওয়া দরকার, যাকে জনগণ সব সময় পাশে পাবে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল করবেন।
তিনি আরও বলেন, এলাকার যেখানে সেখানে কেমিক্যাল গুদাম করা হয়েছে। এতে বড় অগ্নিঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া চুরি-ছিনতাই, বর্ষায় নিচু এলাকায় পানি জমাসহ দুর্গন্ধ, মশা ও পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি রয়েছে।
বর্ধিত পল্লবী এলাকার ফিরোজ আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, মিরপুরে নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ থাকেন। যারা কারখানা, গার্মেন্টস ও বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তাদের মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিত করা জরুরি।

এই আসনে কোন প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা বেশি জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী বেশি প্রচার চালাচ্ছেন। এ ছাড়া অন্য প্রার্থীরা ভোট চাইতেও আসেননি। কার গ্রহণযোগ্যতা বেশি, সেটা ভোটের মাঠেই প্রমাণ হবে। তবে জামায়াত যে ক্লিন ইমেজের রাজনীতি করছে, এটাকে ফেলে দেওয়া যাবে না।
মিরপুর ১১ নম্বরের বাসিন্দা আল-আমিন স্ট্রিমকে বলেন, আমিনুল হক এই এলাকার ছেলে। সেই সঙ্গে তিনি জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাফজয়ী ফুটবলার। এই হিসেবে তাঁর একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে।
বাসিন্দাদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বিএনপি-জামায়াতের দুই প্রার্থীই জোর দিচ্ছেন এলাকার সমস্যায়। তাঁরা বলছেন, নির্বাচিত হলে প্রধান কাজ হবে, নাগরিক সংকটগুলো সমাধান করা।
বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক স্ট্রিমকে বলেন, এই এলাকায় নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। তারা দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। প্রত্যেকের জন্য স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে চাই। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল সমস্যা– গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও জলাবদ্ধতা। নির্বাচিত হলে পরিকল্পিতভাবে এগুলো সমাধান করতে চাই। সবচেয়ে বেশি নজর দিতে চাই শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে।’
জামায়াতের প্রার্থী কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘পল্লবীতে ক্রাইম বেশি। সেইসঙ্গে আছে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস। এসব পরিচালিত হয় রাজনীতির ছত্রছায়ায়। একসময় আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় চলত, এখন বিএনপির ছত্রছায়ায় চলছে। জয়ী হলে সন্ত্রাস দমন করব। চাঁদাবাজি বন্ধ করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া রাস্তার সংকট, পানি সমস্যা দূর করাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করব। এই এলাকায় সরকারি কোনো হাসপাতাল নেই, সেটাও করব।’

এলাকার সমস্যা সমাধান করতে পারবেন– এমন আশার পাশাপাশি দুই প্রার্থী জয়ের বিষয়েও বেশ আত্মবিশ্বাসী। আমিনুল হক বলেন, ‘আমি কর্মের ওপর শতভাগ বিশ্বাসী ও আস্থাশীল। এই এলাকায় যেহেতু ছোট থেকে বড় হয়েছি, আমি মনে করি, প্রতিযোগিতা থাকলেও এলাকার মানুষ আমার সঙ্গে রয়েছে। আমাকে ভোট দিয়ে তাঁরা জয়যুক্ত করবেন।
আমিনুল হককে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কিনা– প্রশ্নে আব্দুল বাতেন বলেন, ‘একেবারেই না। ভোটের বিবেচনায় উনি কোনোভাবেই চ্যালেঞ্জ না। কিন্তু তাঁর কার্যক্রম একটা চ্যালেঞ্জ। ৫ আগস্টের পর উনার যে কর্মকাণ্ড, সেটা তো মানুষ জানে।’
আব্দুল বাতেনের চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘এটা গতানুগতিক কথা। এটার ন্যূনতম প্রমাণ নেই। চাঁদাবাজির বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে আমরা কাজ করছি।’ তিনি উল্টো জামায়াতকে নিয়ে অভিযোগ করেন, ‘তারা শুরুটাই করেছে মিথ্যা দিয়ে। জনগণের কাছে তাদের কোনো অবস্থান নেই। যার কারণে তারা শুধু মিথ্যাচারের ওপর ভর করেছে।’
ঢাকা-১৬ আসনে এই দুজন ছাড়া অন্য প্রার্থীরা হলেন– বাংলাদেশ লেবার পার্টির এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আব্দুল কাদের জিলানী, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির (এনপিপি) তারিকূল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নাজমুল হক, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মামুন হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) রাশিদুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাইফুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির (জাপা) সুলতান আহম্মেদ সেলিম ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন মোহাম্মাদ তৌহিদুজ্জামান। তবে ভোটের মাঠে তাঁদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। মাঠে প্রচার যেমন কম, কালেভদ্রে চোখে পড়ে এসব প্রার্থীর ব্যানার-ফেস্টুন।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬