স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পাওয়াকে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে (পাবলিক প্লেস) নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালে জারি করা এক স্বতঃপ্রণোদিত (সুয়োমোটো) রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের (২০২৫) ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ দিয়ে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ করা রাষ্ট্রের আবশ্যিক দায়িত্ব। বিশুদ্ধ পানি ছাড়া জীবন ধারণ অসম্ভব, তাই নিরাপদ পানি পাওয়ার অধিকার সরাসরি জীবনের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।
আদালত তাঁর নির্দেশনায় একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। রায়ে বলা হয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব রেলওয়ে স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল, বিমানবন্দর, হাট-বাজার, শপিং মল, সরকারি হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয়, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আদালত ও আইনজীবী সমিতি ভবনে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে লবণাক্ত উপকূলীয় এলাকা এবং প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।
২০২৬ সালের মধ্যে সরকার এসব স্থানে কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তা জানিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রায়ে বলা হয়েছে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে নিরাপদ খাবার পানি নিশ্চিত করতে হবে। তবে গৃহস্থালি বা অন্যান্য কাজে ব্যবহারযোগ্য পানি সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি পানির উৎস রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। দেশের বিদ্যমান পানির উৎসগুলো যাতে শুকিয়ে না যায় বা দূষিত না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার এবং ক্ষয়িষ্ণু উৎসগুলো সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে ২০২০ সালে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেছিলেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছিল, নিরাপদ পানি পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার কি না। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও অ্যামিকাস কিউরিদের (আদালতকে আইনি সহায়তাকারী) মতামত শেষে আদালত এই রায় দেন। শুনানিতে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে মতামত দেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ, মিনহাজুল হক চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। আদালত মামলাটি ‘কন্টিনিউইং ম্যান্ডামাস’ (চলমান তদারকি) হিসেবে রেখেছেন।

সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পাওয়াকে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে (পাবলিক প্লেস) নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালে জারি করা এক স্বতঃপ্রণোদিত (সুয়োমোটো) রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের (২০২৫) ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ দিয়ে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ করা রাষ্ট্রের আবশ্যিক দায়িত্ব। বিশুদ্ধ পানি ছাড়া জীবন ধারণ অসম্ভব, তাই নিরাপদ পানি পাওয়ার অধিকার সরাসরি জীবনের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।
আদালত তাঁর নির্দেশনায় একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। রায়ে বলা হয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব রেলওয়ে স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল, বিমানবন্দর, হাট-বাজার, শপিং মল, সরকারি হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয়, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আদালত ও আইনজীবী সমিতি ভবনে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে লবণাক্ত উপকূলীয় এলাকা এবং প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।
২০২৬ সালের মধ্যে সরকার এসব স্থানে কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তা জানিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রায়ে বলা হয়েছে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে নিরাপদ খাবার পানি নিশ্চিত করতে হবে। তবে গৃহস্থালি বা অন্যান্য কাজে ব্যবহারযোগ্য পানি সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি পানির উৎস রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। দেশের বিদ্যমান পানির উৎসগুলো যাতে শুকিয়ে না যায় বা দূষিত না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার এবং ক্ষয়িষ্ণু উৎসগুলো সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে ২০২০ সালে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেছিলেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছিল, নিরাপদ পানি পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার কি না। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও অ্যামিকাস কিউরিদের (আদালতকে আইনি সহায়তাকারী) মতামত শেষে আদালত এই রায় দেন। শুনানিতে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে মতামত দেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ, মিনহাজুল হক চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। আদালত মামলাটি ‘কন্টিনিউইং ম্যান্ডামাস’ (চলমান তদারকি) হিসেবে রেখেছেন।

রাজশাহীর দাওকান্দি সরকারি কলেজের শিক্ষিকা (ডেমোনস্ট্রেটর) আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অধ্যক্ষের কার্যালয়ে এক বিএনপি নেতাকে চড় মারার ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
ভৌগোলিক কারণে সাতক্ষীরায় প্রতিবছর সবার আগে আম পাকে। অপরিপক্ব আম সংগ্রহ ও বাজারজাত ঠেকাতে আম সংগ্রহের ক্যালেন্ডার (সময়সূচি) ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। নির্ধারিত সময়ের আগে আম পাড়া বা বিক্রি করা যাবে না বলেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকার অপরাজেয় বাংলার সামনে বজ্রপাতে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—মো. সাব্বির হোসেন (২১) ও মোহাম্মদ রিফাত (২২)।
৩ ঘণ্টা আগে