স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাঙামাটির সাজেকভ্যালি পর্যটনকেন্দ্রে আটকে পড়া সব পর্যটক দুদিনেও ফিরতে পারেনি। বৃহস্পতিবারও (৯ জুলাই) কিছু বৃষ্টিপাত হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফেরা ও ভ্রমণ শেষ করা নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছেন অনেকে। আজ প্রায় ১৫০ জন পর্যটক নানাভাবে সাজেক ছেড়েছেন।
এদিকে, আটকে পড়া বাকি পর্যটকদের নিয়ে আগামীকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে সাজেক থেকে যাত্রা শুরু করবে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বহর। আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি।
এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) সাজেক থেকে ফেরা অপেক্ষা থাকা ৬ শতাধিক পর্যটক প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে সাজেকে আটকা পড়ে। তাদের জন্য কক্ষ ভাড়া ফ্রি ও রেস্টুরেন্টে বিশেষ ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা করে দিয়েছে মালিক সমিতি।
রাতে কটেজ মালিক সমিতির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকালে সাজেক থেকে যাত্রা শুরুর জন্য সকাল ৮টার আগে সবাইকে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বহরে যুক্ত হতে হবে। পাহাড়ি ঢল নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সাজেকে সব ধরনের আসা-যাওয়া বন্ধ থাকবে।
পর্যটক ও সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সাজেক পর্যটনকেন্দ্রটি রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে অবস্থিত হলেও সড়ক পথে খাগড়াছড়ি থেকে যাতায়াত করতে হয়। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সাজেক-খাগড়াছড়ি সড়কের দীঘিনালা-কবাখালি অংশ এবং বাঘাইহাট, মাচালং এবং সীমানাছড়া— চারটি পয়েন্টে এখনো সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সাজেকের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে অনেকেরই জরুরি প্রয়োজনের ফেরার তাগিদে শতাধিক পর্যটক ভেঙে ভেঙে শহরে ফিরেছেন।
ঢাকার বাসিন্দা তানভীর আহমেদ সাজেক থেকে মোবাইল ফোনে বলেন, ‘বুধবার ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সড়কে পানি থাকায় আটকে আছি। রিসোর্টে আপাতত নিরাপদে আছি, তবে কবে ফিরতে পারব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাজ করছে।’
চট্টগ্রাম থেকে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া নুসরাত জাহান বলেন, ‘থাকা ও খাবারের ব্যবস্থা এখনো আছে। তবে পরিবারের সদস্যরা আমাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা চাই, সড়ক নিরাপদ হলেই প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ফিরে যেতে।’
সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি সভাপতি সুর্পণ দেববর্মণ বলেন, বুধবার থেকে আটকে পড়া পর্যটকরা এখনো সাজেক থেকে যেতে পারেনি। তাদের জন্য রুম ভাড়া ফ্রি ও রেস্টুরেন্টে ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) শেখ সালমান বলেন, সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের মধ্যে ১৫০ জন পর্যটক আজ সেনাবাহিনী সহায়তায় সাজেক ত্যাগ করেছেন। বাকিরা আগামীকাল সেনা নিরাপত্তায় ফেরার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাঙামাটির সাজেকভ্যালি পর্যটনকেন্দ্রে আটকে পড়া সব পর্যটক দুদিনেও ফিরতে পারেনি। বৃহস্পতিবারও (৯ জুলাই) কিছু বৃষ্টিপাত হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফেরা ও ভ্রমণ শেষ করা নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছেন অনেকে। আজ প্রায় ১৫০ জন পর্যটক নানাভাবে সাজেক ছেড়েছেন।
এদিকে, আটকে পড়া বাকি পর্যটকদের নিয়ে আগামীকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে সাজেক থেকে যাত্রা শুরু করবে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বহর। আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি।
এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) সাজেক থেকে ফেরা অপেক্ষা থাকা ৬ শতাধিক পর্যটক প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে সাজেকে আটকা পড়ে। তাদের জন্য কক্ষ ভাড়া ফ্রি ও রেস্টুরেন্টে বিশেষ ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা করে দিয়েছে মালিক সমিতি।
রাতে কটেজ মালিক সমিতির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকালে সাজেক থেকে যাত্রা শুরুর জন্য সকাল ৮টার আগে সবাইকে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বহরে যুক্ত হতে হবে। পাহাড়ি ঢল নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সাজেকে সব ধরনের আসা-যাওয়া বন্ধ থাকবে।
পর্যটক ও সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সাজেক পর্যটনকেন্দ্রটি রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে অবস্থিত হলেও সড়ক পথে খাগড়াছড়ি থেকে যাতায়াত করতে হয়। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সাজেক-খাগড়াছড়ি সড়কের দীঘিনালা-কবাখালি অংশ এবং বাঘাইহাট, মাচালং এবং সীমানাছড়া— চারটি পয়েন্টে এখনো সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সাজেকের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে অনেকেরই জরুরি প্রয়োজনের ফেরার তাগিদে শতাধিক পর্যটক ভেঙে ভেঙে শহরে ফিরেছেন।
ঢাকার বাসিন্দা তানভীর আহমেদ সাজেক থেকে মোবাইল ফোনে বলেন, ‘বুধবার ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সড়কে পানি থাকায় আটকে আছি। রিসোর্টে আপাতত নিরাপদে আছি, তবে কবে ফিরতে পারব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাজ করছে।’
চট্টগ্রাম থেকে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া নুসরাত জাহান বলেন, ‘থাকা ও খাবারের ব্যবস্থা এখনো আছে। তবে পরিবারের সদস্যরা আমাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা চাই, সড়ক নিরাপদ হলেই প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ফিরে যেতে।’
সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি সভাপতি সুর্পণ দেববর্মণ বলেন, বুধবার থেকে আটকে পড়া পর্যটকরা এখনো সাজেক থেকে যেতে পারেনি। তাদের জন্য রুম ভাড়া ফ্রি ও রেস্টুরেন্টে ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) শেখ সালমান বলেন, সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের মধ্যে ১৫০ জন পর্যটক আজ সেনাবাহিনী সহায়তায় সাজেক ত্যাগ করেছেন। বাকিরা আগামীকাল সেনা নিরাপত্তায় ফেরার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
.png)

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিক্ষোভ হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন ও ধর্ষণের অভিযোগ তুলে শাস্তি দাবি করেছেন বিক্ষুব্ধরা। বুধবার সকালে ‘শ্যামনগরের সচেতন নাগরিক সমাজ’ ব্যানারে বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়।
১৮ মিনিট আগে
বগুড়া সদর উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নিপীড়নের শিকার ওই নারী বর্তমানে প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে আটকের পর পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা।
২ ঘণ্টা আগে
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের-সংলগ্ন মেস থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের খালপাড় এলাকার মেসে নিজের কক্ষে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ পাওয়া যায়। এর আগে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশ ডাকে মেসের অন্য সদস্যরা।
৩ ঘণ্টা আগে
কাবিননামা তৈরি করা সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার গাবুরা ইউনিয়নের কাজী মাওলানা বিএএম বাকী বিল্লাহ বিয়েতেই ছিলেন না। কবে, কোথায় বিয়ে হয়েছে সেটিও জানেন না বলে জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে