leadT1ad

কুষ্টিয়া সীমান্তে পুশইন চেষ্টা

তিন দিন পর শূন্যরেখা থেকে ১২ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকা পড়া লোকজন। সংগৃহীত ছবি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টায় আটকা পড়া ১২ জনকে তিন দিন পর ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা প্রাগপুর সীমান্ত এলাকায় একটি পতাকা বৈঠক শেষে তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) ভোরের দিকে ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এরপর থেকে ৭৫ ঘণ্টা ধরে শূন্যরেখায় ভারতের সীমান্ত পিলারের ৫০ গজের মধ্যে অবস্থান করছিল তারা। তাদের মধ্যে ৪ পুরুষ, ৪ নারী এবং ৪ শিশু রয়েছে।

সোমবার পতাকা বৈঠকে বিজিবির একটি প্রতিনিধি দলের পক্ষে বিজিবি ৪৭ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক নুরুল হুদা এবং বিএসএফের পক্ষে রানীনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এসি সুনীল কুমার যাদব নেতৃত্ব দেন।

বিজিবি জানায়, বিএসএফ অবৈধভাবে ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের প্রাগপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় ফেরত পাঠায় বিজিবি। সোমবার সকালে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়ায় তাদের বিএসএফের কাছে ফেরত দেওয়া হয়।

কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের অফিসার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়েছে। সেখানে আমরা কোনোভাবেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে দেব না জানানো হয়। পরে বৈঠকের সিদ্ধান্ত মেনে পুশইনের ১২ জনকে বিএসএফের হেফাজতে ফেরত নিয়ে গেছে। এখন সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

এর আগে, দৌলতপুরের প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ১২ জনকে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা রুখে দেওয়ার পর শূন্যরেখায় আটকা পড়ে তারা। এরপর থেকে খোলা আকাশের নিচেই ছিল তারা। সংকট নিরসনে শনিবার (১৩ জুন) পতাকা বৈঠকে ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানায় বিএসএফ। তবে বিজিবি এর প্রতিবাদ জানালে বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানাতে চায় বিএসএফ।

সীমান্তের বাসিন্দারা বলছেন, মাথার ওপর কোনো আশ্রয় না থাকায় দিনে প্রচণ্ড রোদে অসুস্থ হয়ে পড়ে শূন্যরেখায় আটকে পড়া লোকজন। সেই সঙ্গে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়ে তারা। স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের সাধ্য মতো শুকনা খাবার দিয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত