সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ১৩: ২৮
কথা বলছেন ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। সংগৃহীত ছবি

সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে বাহিনীর প্রধানদের চাওয়া, কর্মপদ্ধতি ও পরিকল্পনাসহ আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসকদের অবহিত করা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা শামছুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার যে দায়বদ্ধতার অবস্থান থেকে সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী বাহিনীতে পরিণত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের যে অবস্থান থাকার কথা, সেই দিকনির্দেশনা আমরা দিয়েছি। সেখানে আমি উল্লেখযোগ্যভাবে বলতে চাই— শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যে দর্শন ছিল সে বিষয় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে আমাদের জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের ভূমিকা থাকা উচিত, সে বিষয়েও আলোচনা করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পেশাদারত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীতে যাতে আমরা শক্তিশালী জনবল সম্পৃক্ত করতে পারি, এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকদের কী ভূমিকা থাকতে পারে; সে বিষয় আলোচনা করেছি।’

শামছুল ইসলাম বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসক এবং সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের যে রোল ও হারমনিতে কাজ করেছে, সেই হারমনি আরও কীভাবে শক্তিশালী করা যায়; সে বিষয় আলোচনা হয়েছে। পারস্পারিক আস্থা ও বিশ্বাস কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায়, এ বিষয়েও আমরা আলোচনা করেছি। সর্বোপরি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর যে দিকনির্দেশনা ছিল, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার যে বিষয়গুলো জেলা প্রশাসকদের জানা উচিত, সে বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা তাদের অবহিত করেছি। সামগ্রিকভাবে এটা একটি ফলপ্রসূ আলোচনা পর্ব ছিল।’

জেলা প্রশাসকদের স্বতফূর্ত অংশগ্রহণ মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আশা করি, যে সহায়তার প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছেন; তার মধ্যে দিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ ও সশস্ত্র বাহিনী যা প্রত্যাশা করে, সেটা পূরণ হবে’।

সম্পর্কিত