জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫: ৫৯
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার। ছবি: সংগৃহীত

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে দুর্নীতির অভিযোগ ও পেশাগত অসদাচরণের বিষয়ে তদন্ত চলাকালে পদত্যাগ করেছেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের স্বাক্ষরযুক্ত চিঠির মাধ্যমে তিনি পদত্যাগের ইচ্ছা পোষণ করেন এবং প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্রটি বঙ্গভবনে পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকালে অনিয়ম এবং ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে কাজ করার অভিযোগে গত বছরের আগস্টে যে ১২ বিচারপতিকে বিচারিক কাজ থেকে বিরত রেখে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে বিচারপতি নাইমা হায়দার অন্যতম। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্তাধীন ছিল।

সুপ্রিম কোর্ট সূত্র জানায়, পটপরিবর্তনের পর বিচার বিভাগে শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে গত আগস্টে হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়। এর আগে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি তিন বিচারপতিকে অপসারণ করেছেন। ছুটিতে থাকা ১২ বিচারপতির মধ্যে ৯ জনই এখন আর দায়িত্বে নেই। তাঁদের কেউ বাধ্যতামূলক অবসরে গেছেন, কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন, আর কেউ স্বাভাবিক অবসরে গেছেন।

বাকি তিন বিচারপতি পদে থাকলেও তাঁদের বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ দাখিল হওয়ায় চলতি মাসে বিচারপতি এম আর হাসানকেও ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। ছুটিতে থাকা ১৩ বিচারপতির বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের আরও দুই বিচারপতি স্বেচ্ছায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে বিচারপতি মামনুন রহমানও সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন।

বিচারপতি নাইমা হায়দার সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। এ ছাড়া কলাম্বিয়া, সাউদার্ন, অক্সফোর্ড, বার্কেল ও লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনের ওপর উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮৯ সালে জেলা আদালতে আইন পেশায় যুক্ত হন নাইমা হায়দার। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালের ৬ জুন হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১১ সালের ৬ জুন স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

বিষয়:

বিচারপতি
Ad 300x250

সম্পর্কিত