স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এ সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক একটা বোঝাপড়া থাকতে হবে। এই বোঝাপড়া না থাকলে এই যে আমরা কাদা ছোড়াছুড়ি করছি, গণতন্ত্রে কাদা ছোড়াছুড়ি হবেই। অনেক কথা আসবে। কিন্তু এটা একটা সীমা থাকা দরকার। তা না হলে যেটা হয়, সেটা হচ্ছে যে একটা তিক্ততা সৃষ্টি হয়। যে তিক্ততা ভবিষ্যতে গিয়ে রাজনীতিকে আরো কলুষিত করে।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আমরা দেখলাম যে ১২টা মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যে এসেছে। বাকিগুলো ঐকমত্যে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। প্রতিদিন বৈঠক করছে কয়েক ঘণ্টা ধরে। অনেকগুলো বিষয় আছে যেগুলো আমরাও ঠিক বুঝি না, সেগুলো তারা করতে চান।’ এগুলোকে বাদ দিয়ে মৌলিক সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় অভ্যুত্থানে আহত-নিহতদের স্মরণ করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল। এক শিশুর কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আরেকটা ছোট ছেলে কালকে আমার কাছে এসে হঠাৎ করে জড়িয়ে ধরেছে। ওর বয়স ছয় সাত বছর হবে। বলছে, “আমার মাথায় না খুলিটা নেই। খুলিটা প্লাস্টিকের।” অর্থাৎ গুলিতে তার মাথার খুলি চলে গিয়েছিল। পরে ডাক্তার সাহেব সেটাকে প্লাস্টিক দিয়ে আর্টিফিশিয়াল (কৃত্রিম) খুলি তৈরি করে লাগিয়ে দিয়েছে। এর চেয়ে বড় ত্যাগ আর কী হতে পারে?’ এই ত্যাগের যথাযথ মূল্য না দিতে পারলে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হবে বলেও তিনি বলেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এ সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক একটা বোঝাপড়া থাকতে হবে। এই বোঝাপড়া না থাকলে এই যে আমরা কাদা ছোড়াছুড়ি করছি, গণতন্ত্রে কাদা ছোড়াছুড়ি হবেই। অনেক কথা আসবে। কিন্তু এটা একটা সীমা থাকা দরকার। তা না হলে যেটা হয়, সেটা হচ্ছে যে একটা তিক্ততা সৃষ্টি হয়। যে তিক্ততা ভবিষ্যতে গিয়ে রাজনীতিকে আরো কলুষিত করে।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আমরা দেখলাম যে ১২টা মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যে এসেছে। বাকিগুলো ঐকমত্যে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। প্রতিদিন বৈঠক করছে কয়েক ঘণ্টা ধরে। অনেকগুলো বিষয় আছে যেগুলো আমরাও ঠিক বুঝি না, সেগুলো তারা করতে চান।’ এগুলোকে বাদ দিয়ে মৌলিক সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় অভ্যুত্থানে আহত-নিহতদের স্মরণ করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল। এক শিশুর কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আরেকটা ছোট ছেলে কালকে আমার কাছে এসে হঠাৎ করে জড়িয়ে ধরেছে। ওর বয়স ছয় সাত বছর হবে। বলছে, “আমার মাথায় না খুলিটা নেই। খুলিটা প্লাস্টিকের।” অর্থাৎ গুলিতে তার মাথার খুলি চলে গিয়েছিল। পরে ডাক্তার সাহেব সেটাকে প্লাস্টিক দিয়ে আর্টিফিশিয়াল (কৃত্রিম) খুলি তৈরি করে লাগিয়ে দিয়েছে। এর চেয়ে বড় ত্যাগ আর কী হতে পারে?’ এই ত্যাগের যথাযথ মূল্য না দিতে পারলে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হবে বলেও তিনি বলেন।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় সাধারণ একটি দিন হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে হয়ে যায় একটি বিভীষিকাময় দিন। যে দিনের স্মরণে আজও কেঁপে ওঠে হৃদয়, চোখ দিয়ে পড়ে পানি। এখনো নাকে লাগে গলিত ও অর্ধগলিত লাশের দুর্গন্ধ।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য এবং গণহত্যার বিরুদ্ধে সুরের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক বিশেষ কনসার্ট।
২ ঘণ্টা আগে
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিলের সকাল। প্রতিদিনের মতো কাজে এসেছিলেন শ্রমিকরা। হঠাৎ বিকট আওয়াজ। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ধসে পড়ে সাভারের রানা প্লাজার ৯তলা ভবনের পুরোটাই। প্রাণ হারান ১১ শ ৩৬ শ্রমিক। শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি এই সংখ্যা ১১ শ ৭৫।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকার সাভারে রানা প্লাজা ধসে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে অস্থায়ী বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আহত শ্রমিক, নিহত শ্রমিকদের স্বজন ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
৩ ঘণ্টা আগে