স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠুতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের নির্বাচনকেন্দ্রে প্রবেশাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাবাজার পত্রিকার সম্পাদক রাশেদুল হক।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগের রাতে সাংবাদিকদের কেন্দ্রে পর্বেক্ষণ এবং প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা গেলে রাতের ভোট বা অনিয়মের ঘটনা প্রতিরোধ ও নথিভুক্ত করা সম্ভব হবে।
আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সংলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাশেদুল হক ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়মের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ‘সে সময় অনেক কেন্দ্রেই প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের নিরাপত্তা ছিল না। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাই কর্মকর্তাদের বন্দি করে রাতের ভোট দিতে বাধ্য করেছে। সাংবাদিকরাও হামলার শিকার হয়েছেন।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করায় অনেক জায়গায় প্রার্থীরা সঠিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। একইভাবে সাংবাদিকরা কেন্দ্রে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আক্রমণের শিকার হয়েছেন।’
রাশেদুল হক বলেন, ‘আজকের দিনে শুধু গণমাধ্যম নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষও অনিয়ম তুলে ধরতে সক্ষম। তাই সাংবাদিকদের অবাধ প্রবেশাধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।’
২০১৮ সালের নির্বাচনে যেসব কর্মকর্তা গোয়েন্দা সংস্থার সুপারিশে দায়িত্ব পেয়েছিলেন, তাদের নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি ভবিষ্যতে এমন কর্মকর্তাদের নির্বাচন দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার আহ্বানও জানান।
সংলাপে তিনি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গণমাধ্যম ও সাংবাদিকরা যেন নির্ভয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, সেটাই এখন জাতির প্রত্যাশা।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সংলাপে চার নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠুতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের নির্বাচনকেন্দ্রে প্রবেশাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাবাজার পত্রিকার সম্পাদক রাশেদুল হক।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগের রাতে সাংবাদিকদের কেন্দ্রে পর্বেক্ষণ এবং প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা গেলে রাতের ভোট বা অনিয়মের ঘটনা প্রতিরোধ ও নথিভুক্ত করা সম্ভব হবে।
আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সংলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাশেদুল হক ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়মের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ‘সে সময় অনেক কেন্দ্রেই প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের নিরাপত্তা ছিল না। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাই কর্মকর্তাদের বন্দি করে রাতের ভোট দিতে বাধ্য করেছে। সাংবাদিকরাও হামলার শিকার হয়েছেন।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করায় অনেক জায়গায় প্রার্থীরা সঠিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। একইভাবে সাংবাদিকরা কেন্দ্রে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আক্রমণের শিকার হয়েছেন।’
রাশেদুল হক বলেন, ‘আজকের দিনে শুধু গণমাধ্যম নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষও অনিয়ম তুলে ধরতে সক্ষম। তাই সাংবাদিকদের অবাধ প্রবেশাধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।’
২০১৮ সালের নির্বাচনে যেসব কর্মকর্তা গোয়েন্দা সংস্থার সুপারিশে দায়িত্ব পেয়েছিলেন, তাদের নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি ভবিষ্যতে এমন কর্মকর্তাদের নির্বাচন দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার আহ্বানও জানান।
সংলাপে তিনি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গণমাধ্যম ও সাংবাদিকরা যেন নির্ভয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, সেটাই এখন জাতির প্রত্যাশা।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সংলাপে চার নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
৫ মিনিট আগে
পোস্টাল ব্যালটে এখন পর্যন্ত চার লাখ পাঁচ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ভোট দিয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে পাঠানো এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ কথা বলা হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
খেলাফতে মজলিশের আমির ও ঢাকা–১৩ আসনের রিকশা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মামুনুল হকের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘জাগরণী পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় একটি সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল (মিলিটারি ইকোনমিক জোন) গড়ে তোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে নির্ধারিত ভারতীয় সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিবর্তে এই নতুন অঞ্চল স্থাপন করা হবে।
২৪ মিনিট আগে