নুরাল পাগলার দরবার কাণ্ড
হামলায় ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত হওয়ার ঘটনায় সোমবার রাতে অজ্ঞাতনামা সাড়ে ৩ তিন হাজার থেকে ৪ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করেছে নিহত বাবা। এর আগে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় শুক্রবার রাতে করা মামলায় অজ্ঞাতনামা সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে পুলিশ।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবারে (মাজার) হামলায় ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত হওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা সাড়ে ৩ তিন হাজার থেকে ৪ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে হত্যা মামলা হয়েছে। রাসেল মোল্লার বাবা আমজাদ মোল্লা বাদী হয়ে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে গোয়ালন্দ থানায় এই মামলা করেন। পরে ওই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজীব।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোয়ালন্দ উপজেলার পৌর শহরের আলম চৌধুরী পাড়ার বাসিন্দা অভি মন্ডল রঞ্জু (২৯) ও মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বড় ঠাকুরকান্দি গ্রামের মো. আবদুল লতিফ (৩৫)। তাঁদের মধ্যে আবদুল লতিফ গোয়ালন্দ উপজেলার কছিম উদ্দিন পাড়া এলাকার ছমির মোল্লা জামে মসজিদের ইমাম। তিনি মাজারে হামলা ভাঙচুর, কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানো ও রাসেল মোল্লা হত্যার ‘প্রত্যক্ষ নির্দেশদাতা’ বলে আজ মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব।
এর আগে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে পুলিশের করা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই নেতাসহ এ পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ নিয়ে ঘটনার পরদিন শনিবার থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে দুটি মামলায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়ালন্দঘাট থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শুক্রবার দুপুরে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা নিয়ন্ত্রণের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় রাতেই মামলা করে পুলিশ। এতে অজ্ঞাতনামা সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা। এতে দুই মামলা অজ্ঞাতনামা আসামি পরিমাণ দাঁড়ায় সাড়ে সাত হাজার। সোমবার রাতে করা মামলায় রাসেল মোল্লাকে হত্যা ছাড়াও দরবারে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, কবর থেকে লাশ তুলে নিয়ে পোড়ানো, লুটপাট ও জখমের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব বলেন, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গোয়ালন্দ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিরু মৃধা ও উপজেলার উজানচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুদ মৃধাসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তা ছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে উপজেলার দেওয়ানপাড়া গ্রামের কাজী পাড়ার বাসিন্দা কাজী অপু ও গোয়ালন্দ পৌরসভার আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা বিল্লু নামে দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে গোয়ালন্দ বাজার শহীদ ফকির মহিউদ্দিন আনসার ক্লাব চত্বরে ‘ইমান আক্বিদা রক্ষা কমিটি’ ব্যানারে বিক্ষোভ করে উত্তোজিত লোকজন। সেখান থেকে হামলা চালানো হয় নুরাল পাগলার দরবারে। সেখানে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। এক পর্যায়ে নুরাল পাগলের লাশ কবর থেকে উঠিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দের পদ্মার মোড় নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত লোকজন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের দুটি পিকআপ ও গোয়ালন্দ ইউএনও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৩ আগস্ট নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার মৃত্যুর পর তাঁতে দরবারের ভেতর দাফন করেন ভক্তরা। তবে কবরের ওপর নির্মিত ১০-১২ উঁচু একটি স্থাপনাকে ‘শরীয়া পরিপন্থী’ বলে অভিযোগ করে ‘স্থানীয় জনতা’। এ নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে গোয়ালন্দ বাজার শহীদ ফকির মহিউদ্দিন আনসার ক্লাব চত্বরে ইমান আক্বিদা রক্ষা কমিটির ব্যানারে বিক্ষোভের করে তারা। পরে উত্তজিত লোক সেখানে লাঠি, শাবল ও হাতুড়ি নিয়ে দরবারে হামলা করে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবারে (মাজার) হামলায় ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত হওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা সাড়ে ৩ তিন হাজার থেকে ৪ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে হত্যা মামলা হয়েছে। রাসেল মোল্লার বাবা আমজাদ মোল্লা বাদী হয়ে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে গোয়ালন্দ থানায় এই মামলা করেন। পরে ওই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজীব।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোয়ালন্দ উপজেলার পৌর শহরের আলম চৌধুরী পাড়ার বাসিন্দা অভি মন্ডল রঞ্জু (২৯) ও মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বড় ঠাকুরকান্দি গ্রামের মো. আবদুল লতিফ (৩৫)। তাঁদের মধ্যে আবদুল লতিফ গোয়ালন্দ উপজেলার কছিম উদ্দিন পাড়া এলাকার ছমির মোল্লা জামে মসজিদের ইমাম। তিনি মাজারে হামলা ভাঙচুর, কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানো ও রাসেল মোল্লা হত্যার ‘প্রত্যক্ষ নির্দেশদাতা’ বলে আজ মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব।
এর আগে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে পুলিশের করা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই নেতাসহ এ পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ নিয়ে ঘটনার পরদিন শনিবার থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে দুটি মামলায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়ালন্দঘাট থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শুক্রবার দুপুরে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা নিয়ন্ত্রণের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় রাতেই মামলা করে পুলিশ। এতে অজ্ঞাতনামা সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা। এতে দুই মামলা অজ্ঞাতনামা আসামি পরিমাণ দাঁড়ায় সাড়ে সাত হাজার। সোমবার রাতে করা মামলায় রাসেল মোল্লাকে হত্যা ছাড়াও দরবারে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, কবর থেকে লাশ তুলে নিয়ে পোড়ানো, লুটপাট ও জখমের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব বলেন, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গোয়ালন্দ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিরু মৃধা ও উপজেলার উজানচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুদ মৃধাসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তা ছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে উপজেলার দেওয়ানপাড়া গ্রামের কাজী পাড়ার বাসিন্দা কাজী অপু ও গোয়ালন্দ পৌরসভার আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা বিল্লু নামে দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে গোয়ালন্দ বাজার শহীদ ফকির মহিউদ্দিন আনসার ক্লাব চত্বরে ‘ইমান আক্বিদা রক্ষা কমিটি’ ব্যানারে বিক্ষোভ করে উত্তোজিত লোকজন। সেখান থেকে হামলা চালানো হয় নুরাল পাগলার দরবারে। সেখানে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। এক পর্যায়ে নুরাল পাগলের লাশ কবর থেকে উঠিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দের পদ্মার মোড় নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত লোকজন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের দুটি পিকআপ ও গোয়ালন্দ ইউএনও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৩ আগস্ট নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার মৃত্যুর পর তাঁতে দরবারের ভেতর দাফন করেন ভক্তরা। তবে কবরের ওপর নির্মিত ১০-১২ উঁচু একটি স্থাপনাকে ‘শরীয়া পরিপন্থী’ বলে অভিযোগ করে ‘স্থানীয় জনতা’। এ নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে গোয়ালন্দ বাজার শহীদ ফকির মহিউদ্দিন আনসার ক্লাব চত্বরে ইমান আক্বিদা রক্ষা কমিটির ব্যানারে বিক্ষোভের করে তারা। পরে উত্তজিত লোক সেখানে লাঠি, শাবল ও হাতুড়ি নিয়ে দরবারে হামলা করে।
.png)

চট্টগ্রাম নগরীতে অভিযান চালিয়ে পুলিশের তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার সহযোগীদের ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন দুই এসআই। এছাড়া রেললাইনের পাথর ছুড়ে মারায় আরও ৩-৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার রাতে প্রায় দুঘণ্টা ধরে নগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
১৫ মিনিট আগেপদত্যাগের দুই দিন পর রাষ্ট্রীয় বাসভবন ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি বঙ্গভবন থেকে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসার উদ্দেশে রওনা দেন।
২৯ মিনিট আগে
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে একাত্তরের বীর সেনানিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে চারজন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে তাদের প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (৬০ বিজিবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যাটালিয়ন। তাদের মধ্যে এক নারী ও তিন শিশু রয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে