স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশন (ইসি) পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মর্মে ইসিকে উদ্ধৃত করে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে তা সঠিক নয়। ইসি থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদের বরাতে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে এই দুই আসনের নির্বাচন আপাতত স্থগিত বলে খবর দিয়েছিল বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। ওই খবরে এও বলা হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
পরে আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এক খুদে বার্তায় বিষয়টি সঠিক নয় বলে জানানো হয়।
গত ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ নির্বাচন কমিশনের জারি করা সংশোধিত গেজেটের একটি অংশ স্থগিত করার আদেশ দেয়। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এক প্রার্থীর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন। আপিল বিভাগ নির্দেশ দেন, লিভ টু আপিল দায়ের না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।
এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ওই গেজেটে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।
তবে গেজেটের এই দুটি আসনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১৮ ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্তকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আগের সীমানা পুনর্বহাল করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত।
হাইকোর্টের রায়ের আলোকে নির্বাচন কমিশন গত ২৪ ডিসেম্বর সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে। এতে পুরো সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভাসহ চারটি ইউনিয়ন (হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা) নিয়ে পাবনা-১ আসন গঠিত হয়। বেড়া উপজেলার বাকি পাঁচটি ইউনিয়ন ও পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন গঠন করা হয়।
তবে ওই সংশোধিত গেজেটের অংশটুকুই পরে আপিল বিভাগ স্থগিত করে দেয়। এ অবস্থায় সীমানা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন আপাতত স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সীমানা নির্ধারণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জটিলতা বাড়ছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হওয়ার আগেই হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী সীমানা পরিবর্তন করা হলেও আপিল নিষ্পত্তি পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়নি। এতে বর্তমান সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ধারাবাহিকতা থাকা জরুরি। তা না থাকলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন স্থগিতের বিষয়টি তারই একটি প্রতিফলন বলে মনে করছেন তাঁরা।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মর্মে ইসিকে উদ্ধৃত করে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে তা সঠিক নয়। ইসি থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদের বরাতে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে এই দুই আসনের নির্বাচন আপাতত স্থগিত বলে খবর দিয়েছিল বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। ওই খবরে এও বলা হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
পরে আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এক খুদে বার্তায় বিষয়টি সঠিক নয় বলে জানানো হয়।
গত ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ নির্বাচন কমিশনের জারি করা সংশোধিত গেজেটের একটি অংশ স্থগিত করার আদেশ দেয়। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এক প্রার্থীর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন। আপিল বিভাগ নির্দেশ দেন, লিভ টু আপিল দায়ের না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।
এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ওই গেজেটে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।
তবে গেজেটের এই দুটি আসনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১৮ ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্তকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আগের সীমানা পুনর্বহাল করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত।
হাইকোর্টের রায়ের আলোকে নির্বাচন কমিশন গত ২৪ ডিসেম্বর সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে। এতে পুরো সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভাসহ চারটি ইউনিয়ন (হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা) নিয়ে পাবনা-১ আসন গঠিত হয়। বেড়া উপজেলার বাকি পাঁচটি ইউনিয়ন ও পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন গঠন করা হয়।
তবে ওই সংশোধিত গেজেটের অংশটুকুই পরে আপিল বিভাগ স্থগিত করে দেয়। এ অবস্থায় সীমানা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন আপাতত স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সীমানা নির্ধারণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জটিলতা বাড়ছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হওয়ার আগেই হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী সীমানা পরিবর্তন করা হলেও আপিল নিষ্পত্তি পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়নি। এতে বর্তমান সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ধারাবাহিকতা থাকা জরুরি। তা না থাকলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন স্থগিতের বিষয়টি তারই একটি প্রতিফলন বলে মনে করছেন তাঁরা।

দেশের ৯৩ শতাংশ পত্রিকার মালিকই ওই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণমাধ্যম এখন পুরোপুরি করপোরেশনের হাতে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খোরশেদ আলম।
৮ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ‘যৌথবাহিনীর’ অভিযানে হেফাজতে থাকা অবস্থায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত যশোরে হত্যাকাণ্ড হয়েছে ৬২টি। অধিকাংশ হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সম্প্রতি ভারত থেকে এসব অস্ত্র ঢুকছে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় এক জামায়াত নেতাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে হাত পা বাঁধা অবস্থায় নিজ বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
৮ ঘণ্টা আগে