জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

রাজনীতি কোনো স্ট্যাটিক বিষয় না, এটি গতিশীল: এনসিপির বর্ষপূর্তিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৬, ০০: ১৮
এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী ক্লাব মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী এক নতুন ধারার রাজনীতির আহ্বান জানান।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান প্রজন্ম এমন এক রাজনীতি চায় যা সাধারণ মানুষকে দেশের নীতিনির্ধারণে উৎসাহিত করবে। তিনি বলেন, ‘আমরা আর সনাতন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। শুধু ইতিহাসের ৫২, ৪৭ বা ৭১-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আমাদের এখন সামনের দিকে তাকাতে হবে। অতীতের স্মৃতিচারণা করতে করতে যেন আমরা বর্তমান ও ভবিষ্যতের কথা ভুলে না যাই।’ তিনি এনসিপির এই পথচলাকে ভবিষ্যৎ নির্মাণের একটি রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে অভিহিত করেন।

২০২৪ সালের জুলাই মাসের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের শহীদের রক্ত ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের মাঠে শত ফুল ফুটবে। তবে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন দলগুলো শুধু রাজনৈতিক সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহৃত না হয়। এনসিপিকে সত্যিকারের অর্থে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে হবে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

রাজনীতিকে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার বা গঠনতন্ত্র কখনোই স্ট্যাটিক হওয়া উচিত নয়। যুগের চাহিদা ও তারুণ্যের প্রত্যাশা অনুযায়ী সময়ে সময়ে ইশতেহার ও কর্মসূচি পরিবর্তন ও সমন্বয় করতে হবে।

তিনি তরুণ নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘রাজনীতিতে যারা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে, তারা কখনো এগিয়ে যেতে পারে না। সময়ের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারলেই রাজনীতিতে টিকে থাকা সম্ভব।’

সালাহউদ্দিন আহমদ দেশের সংসদীয় ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের ওপর জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় সংসদকে সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আগে জাতীয় সংসদ ছিল কেবল একটি বিন্দু, ক্ষমতার মূল কেন্দ্র ছিল অন্য জায়গায়—গণভবনে। আমরা সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসেছি। এখন জাতীয় সমস্ত ইস্যুতে সংসদে তর্ক হবে, বিতর্ক হবে, ভিন্নমত থাকবে; কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমাদের সবাইকে এক থাকতে হবে।’

জাতীয় স্বার্থকে সবার উপরে রেখে সংসদকে প্রাণবন্ত করার মাধ্যমে শহীদের স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত